United Pet Club

বিড়াল ও সংস্কৃতি

বিড়াল মোটামুটি নিজেরাই গৃহপালিত হয়েছে

কুকুরের মতো নয়, মানুষ কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিড়াল পালন করেনি। বিড়ালরা নিজে থেকেই মানুষের বসতির কাছে চলে এসেছিল, পুরনো শস্যভাণ্ডারের আশপাশে জড়ো হওয়া ইঁদুরের টানে। এই স্ব-নির্বাচিত ইতিহাসই ব্যাখ্যা করে কেন বিড়াল আজও অন্য বেশিরভাগ পোষা প্রাণীর চেয়ে বেশি স্বাধীনচেতা ও এলাকা-সচেতন স্বভাবের অধিকারী।

বিড়াল সম্পর্কে সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি বহুবার নাটকীয়ভাবে বদলেছে

বিভিন্ন সংস্কৃতি ও শতাব্দী জুড়ে বিড়ালকে কখনো পূজা করা হয়েছে, কখনো ভয় পাওয়া হয়েছে, আবার এই দুইয়ের মাঝামাঝি অনেক কিছুও ঘটেছে। এই ইতিহাস আজও আধুনিক কুসংস্কারে এবং বিশ্বজুড়ে বিড়ালকে পোষা প্রাণী হিসেবে ভিন্নভাবে দেখার ধরনে স্পষ্ট দেখা যায়।

মানুষ কি কুকুরের মতো একইভাবে বিড়ালকে গৃহপালিত করেছিল?

ঠিক তা নয়। ধারণা করা হয় বিড়াল নিজে থেকেই গৃহপালিত হয়েছে, ইঁদুরের সংখ্যাধিক্যের কারণে মানুষের বসতির দিকে আকৃষ্ট হয়ে, আর কুকুরের মতো সরাসরি প্রজনন-নিয়ন্ত্রণের চাপ তাদের ওপর তেমন পড়েনি।

কালো বিড়ালকে কেন কুসংস্কারের সাথে জড়ানো হয়?

এটা সংস্কৃতিভেদে ভিন্ন। কিছু ইউরোপীয় ঐতিহ্যে কালো বিড়ালকে দুর্ভাগ্যের সাথে যুক্ত করা হয়েছিল, আবার জাপানের কিছু অংশ ও যুক্তরাজ্যসহ অন্য সংস্কৃতিতে তাদের সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয়।