মুরগি
Gallus gallus domesticus
কঠিনপ্রাণ, স্বতন্ত্র স্বভাবের উঠান-পাখি — ডিম, মাংস এবং পালের সাধারণ আনন্দের জন্য পালন করা হয়।
View মুরগি breedsScientific classification
The মুরগি's place in the tree of life, from domain down to species.
- অধিরাজ্যEukaryotaসুকেন্দ্রিক জীব
- জগৎAnimaliaপ্রাণী
- পর্বChordataকর্ডেট
- শ্রেণিAvesপাখি
- বর্গGalliformesস্থলচর পাখি
- গোত্রPhasianidaeতিতির ও সমগোত্রীয় পাখি
- গণGallusবনমুরগি
- প্রজাতিGallus gallusলাল বনমুরগি
- উপপ্রজাতিGallus gallus domesticusমুরগি
মুরগি colors, patterns and markings
Every color, pattern and marking the taxonomy records for মুরগি, by part of the body. Each breed page shows which clubs accept which ones.
পালক
Color of the feathers.
Colors
মুরগি পরিচিতি
মুরগি পালন বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহুরে জীবনের অংশ। সোনালি হাইব্রিড থেকে দেশি জাত পর্যন্ত, এই সামাজিক পাখি ডিম ও মাংসের পাশাপাশি উঠানের সঙ্গী হিসেবেও জনপ্রিয়।
মুরগি (Gallus gallus domesticus) পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পালিত গৃহপালিত পাখি। বাংলাদেশে গ্রামের ঘরে ঘরে মুরগি পালন একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য। ডিম ও মাংসের পাশাপাশি মুরগি পালনে অনেক পরিবারের বাড়তি আয় হয়।
মুরগি Phasianidae পরিবারভুক্ত, লাল বনমুরগি (Red Junglefowl) থেকে গৃহপালিত রূপে আসা এই পাখির উৎপত্তি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায়, যা বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে সংযুক্ত।
ওজন: ব্যান্টাম ০.৫-১ কেজি, সাধারণ জাত ১.৫-৫ কেজি। আয়ু ৫-১০ বছর। মুরগি সর্বভুক -- শস্য, পোকামাকড়, শাকসবজি সব খায়। দিনে মাটি খুঁড়ে খাবার খোঁজে, রাতে উঁচু জায়গায় বসে ঘুমায়। ঝাঁকবদ্ধ প্রাণী হিসেবে একা রাখা উচিত নয়।
বাংলাদেশে জনপ্রিয় মুরগির জাত
বাংলাদেশে সোনালি হাইব্রিড সবচেয়ে জনপ্রিয়। দেশি, ফাউমি ও আসিল জাতও বহুল পালিত। বিশ্বে প্রায় ৩৮টি স্বীকৃত জাত রয়েছে।
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (BLRI) উদ্ভাবিত সোনালি হাইব্রিড (RIR মোরগ x ফাউমি মুরগির সংকর) দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গৃহপালিত মুরগির জাত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও স্থানীয় জলবায়ু উপযোগিতার কারণে এটি সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ব্রহ্ম ও কোচিন জাত এশিয়ায় উদ্ভূত এবং এদের সঙ্গে উপমহাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। মুরগির জাতগুলো তিনটি প্রধান বিভাগে ভাগ করা যায়: দ্বৈত উদ্দেশ্য, ডিম উৎপাদন ও মাংস উৎপাদন।
| জাতের নাম | বৈশিষ্ট্য | উদ্দেশ্য |
|---|---|---|
| সোনালি (Sonali) | RIR x ফাউমি সংকর, হলুদ পালক, চটপটে | ডিম ও মাংস |
| দেশি মুরগি | বিভিন্ন রঙ, রোগ প্রতিরোধী, বাজারে প্রিমিয়াম দাম | ডিম ও মাংস |
| ফাউমি | মিশরীয় জাত, ছোট, তাপ সহনশীল, ভালো ডিম দেয় | ডিম |
| আসিল | ঐতিহ্যবাহী জাত, মাংস গুণমান উচ্চ | মাংস ও ঐতিহ্য |
| ব্রহ্ম | এশিয়াটিক জাত, বড় দেহ, শান্ত স্বভাব | মাংস |
| কোচিন | এশিয়াটিক জাত, পায়ে পালক, ভালো মাংস | মাংস |
মুরগির ইতিহাস ও উৎপত্তি
মুরগির উৎপত্তি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায়। সিন্ধু সভ্যতার সময় থেকে এই উপমহাদেশে মুরগি পালনের প্রমাণ রয়েছে।
মুরগির পূর্বপুরুষ লাল বনমুরগি (Gallus gallus) দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অরণ্যে আজও পাওয়া যায়। প্রায় ৮,০০০ বছর আগে এই অঞ্চলেই প্রথম মুরগির গৃহপালন শুরু হয়। সিন্ধু সভ্যতার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে মুরগির হাড় পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে এই উপমহাদেশ মুরগি গৃহপালনের আদি কেন্দ্রগুলোর একটি।
এখান থেকে মুরগি পশ্চিমে মধ্যপ্রাচ্য, মিশর ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯ ও ২০শ শতাব্দীতে বাণিজ্যিক জাত উন্নয়ন শুরু হয়। বাংলাদেশে BLRI সোনালি হাইব্রিড উদ্ভাবন করে, যা দেশীয় প্রয়োজন পূরণে বৈপ্লবিক ভূমিকা রেখেছে।
দেশি মুরগির জাতগুলো হাজার বছরের স্থানীয় বিবর্তনের ফল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও স্থানীয় জলবায়ুর সাথে অভিযোজনে এরা এখনও অতুলনীয়।
মুরগির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য
জাতভেদে রূপ ও আকার ভিন্ন হলেও কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য সব মুরগিতেই থাকে।
মুরগির শরীর পালকে ঢাকা। মাথায় লাল ঝুঁটি ও কানের নিচে ওয়াটল থাকে। পা আঁশযুক্ত এবং নখযুক্ত -- মাটি খোঁড়ার জন্য উপযুক্ত। মোরগ সাধারণত মুরগির চেয়ে বড় ও রঙিন, লেজের পালক লম্বা ও উজ্জ্বল।
| বৈশিষ্ট্য | ব্যান্টাম জাত | সাধারণ জাত |
|---|---|---|
| উচ্চতা | ২০-৩০ সেমি | ৪০-৭০ সেমি |
| ওজন | ০.৫-১ কেজি | ১.৫-৫ কেজি |
| পালকের রঙ | বৈচিত্র্যময় | বৈচিত্র্যময় |
| ঝুঁটির ধরন | জাতভেদে ভিন্ন | জাতভেদে ভিন্ন |
মুরগির স্বভাব ও আচরণ
মুরগি ঝাঁকবদ্ধ প্রাণী। দলে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীবিন্যাস থাকে। দিনে খাবার খোঁজে, রাতে উঁচু জায়গায় ঘুমায়।
মুরগি দলবদ্ধ জীবনযাপন করে। প্রতিটি দলে একটি নির্দিষ্ট ক্রমশ্রেণী (pecking order) থাকে। দিনের বেলা মুরগি মাটি খুঁড়ে পোকামাকড় ও বীজ খোঁজে এবং ধুলোয় গোসল করে। সন্ধ্যায় উঁচু জায়গায় বসে ঘুমায়।
মোরগ সূর্যোদয়ে ও সারাদিন ডাকে। মুরগি নিয়মিত মেলামেশায় পোষ মেনে হাতে আসতে পছন্দ করে। শিশুদের পাশেও নিরাপদ, তবে মোরগ থেকে সতর্কতা জরুরি।
দৈনিক যত্ন ও ব্যবস্থাপনা
মুরগির যত্নে দৈনিক রুটিন মেনে চলা জরুরি। বর্ষাকালে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
প্রতিদিনের রুটিন:
- সকালে খোয়াড় খুলুন, পরিষ্কার পানি দিন
- নির্ধারিত সময়ে খাবার দিন
- ডিম সংগ্রহ করুন
- চোখ, নাক, পা, পালক পরীক্ষা করুন
- সন্ধ্যায় খোয়াড় বন্ধ করুন
খোয়াড় তৈরি: শুষ্ক ও বায়ু চলাচলযোগ্য ঘর তৈরি করুন। মাটি থেকে কমপক্ষে ৬০ সেমি উঁচুতে রোস্টিং বার রাখুন। প্রতি ৩-৪টি মুরগির জন্য একটি ডিম পাড়ার বাক্স (nest box) রাখুন।
বর্ষাকালীন সতর্কতা: বন্যার পানিতে যেন খোয়াড় না ডোবে সেজন্য মাচার ওপর বা উঁচু জমিতে তৈরি করুন। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রোগ দ্রুত ছড়ায়, তাই মেঝে শুষ্ক রাখুন।
ধুলো স্নান: ছাইমাটি বা বালি মিশিয়ে ছোট বাক্সে ব্যবস্থা করুন।
মুরগির খাবার ও পুষ্টি
বয়স অনুযায়ী সঠিক খাবার এবং সবসময় তাজা পানি মুরগির সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। স্থানীয় উপকরণও সম্পূরক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
বয়স অনুযায়ী খাবার:
- ছানা (০-৬ সপ্তাহ): স্টার্টার ফিড (প্রোটিন ২০-২২%)
- বাড়ন্ত মুরগি (৬-১৮ সপ্তাহ): গ্রোয়ার ফিড
- ডিম পাড়া মুরগি: লেয়ার ফিড + ক্যালসিয়াম (ঝিনুক গুঁড়া)
- ব্রয়লার: ব্রয়লার ফিনিশার ফিড
স্থানীয় সম্পূরক খাবার: চালের কুঁড়া, গমের ভুসি, ভুট্টার গুঁড়া, সবুজ শাক ও রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট (ভাত, সবজি) সম্পূরক হিসেবে দেওয়া যায়। বাণিজ্যিক ফিডের সাথে সঠিক অনুপাতে মেশান।
পানি: সবসময় পরিষ্কার ও তাজা পানি রাখুন।
| খাওয়ানো যাবে | একেবারে খাওয়ানো যাবে না |
|---|---|
| চালের কুঁড়া, গমের ভুসি | ছাঁচ পড়া খাবার |
| সবুজ শাক, ঘাস | কাঁচা শিম (বিষাক্ত) |
| ভুট্টা গুঁড়া | অ্যাভোকাডো |
| ঝিনুক গুঁড়া (ক্যালসিয়াম) | অতিরিক্ত লবণযুক্ত উচ্ছিষ্ট |
মুরগির স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ
রানিক্ষেত রোগ প্রতিরোধে টিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। DLS-এর টিকা তালিকা মেনে চলুন।
| বয়স | টিকার নাম | পদ্ধতি |
|---|---|---|
| ৫ দিন | রানিক্ষেত (F Strain) | চোখে বা নাকে ফোঁটা |
| ১৪ দিন | গামবোরো (IBD) | চোখে বা পানিতে |
| ২১ দিন | রানিক্ষেত (R2B) | চোখে বা পানিতে |
| ৫৬ দিন | ফাউল পক্স | ডানার ভাঁজে সূঁচ দিয়ে |
| ১২০+ দিন | রানিক্ষেত বুস্টার | বছরে একবার |
সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা:
- উকুন ও মাইট: পালকের গোড়ায় পোকা দেখা যায়; ডাস্ট বাথিং ও পোকার ওষুধে সারে
- অভ্যন্তরীণ কৃমি: নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ দিন
- শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ: নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি -- পশুচিকিৎসক দেখান
- ডিম আটকে যাওয়া: জরুরি অবস্থা, সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দরকার
- বাম্বলফুট: পায়ের তলায় ঘা, পরিষ্কার মেঝেতে রাখুন
জরুরি সংকেত: খাবার না খাওয়া, শ্বাসকষ্ট, পাতলা পায়খানা, হঠাৎ একাধিক মুরগির মৃত্যু -- এগুলো দেখলে দ্রুত পশুচিকিৎসক বা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে জানান।
বাসস্থান ও খোয়াড় তৈরি
ভালো খোয়াড় মুরগির স্বাস্থ্য রক্ষার ভিত্তি। বাংলাদেশের বর্ষা ও গরমের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করতে হবে।
আদর্শ খোয়াড়ের বৈশিষ্ট্য:
- শুষ্ক ও বায়ু চলাচলযোগ্য
- উঁচু রোস্টিং বার (মাটি থেকে ৬০ সেমি)
- প্রতি ৩-৪টি মুরগির জন্য একটি ডিম পাড়ার বাক্স
- শিকারি প্রাণী থেকে সুরক্ষিত তার জাল
- ধুলো স্নানের জায়গা
বাংলাদেশের জলবায়ু অনুযায়ী: বর্ষায় বন্যার পানি থেকে রক্ষার জন্য মাচার ওপর বা উঁচু জমিতে খোয়াড় তৈরি করুন। মার্চ-মে মাসের গরমে ছায়া ও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন। টিন চালে উপরে খড় বা সাদা রঙ দিন তাপ কমাতে।
শিকারি প্রাণী: কুকুর, ইঁদুর, সাপ, বেজি ও শেয়াল মুরগির প্রধান শত্রু। রাতে খোয়াড় অবশ্যই বন্ধ রাখুন। তার জাল মাটিতে ৩০ সেমি গর্ত করে পুঁতে দিন।
প্রজনন ও ছানা পালন
সোনালি মুরগি ৫-৬ মাসে ডিম পাড়া শুরু করে। দেশি মুরগি ৬-৭ মাস সময় নেয়। ছানা ফোটানোর জন্য মোরগ বা ইনকিউবেটর দরকার।
ডিম পাড়ার বয়স: সোনালি মুরগি সাধারণত ৫-৬ মাসে ডিম পাড়া শুরু করে। দেশি মুরগি ৬-৭ মাস বা আরো বেশি সময় নিতে পারে।
উর্বর ডিমের জন্য মোরগ: ডিম পাড়ার জন্য মোরগ লাগে না, কিন্তু ছানা ফোটানোর জন্য আবশ্যক। একটি মোরগ সাধারণত ৮-১২টি মুরগির সাথে থাকতে পারে।
ইনকিউবেশন: ব্রুডি মুরগি বা ইনকিউবেটরে ২১ দিনে ছানা ফোটে।
| পর্যায় | বয়স | প্রয়োজনীয়তা |
|---|---|---|
| ডিম ফোটা | ২১ দিন | তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি, আর্দ্রতা ৫৫-৬৫% |
| ব্রুডার পর্যায় | ০-৬ সপ্তাহ | উষ্ণতা (শুরু ৩৫ ডিগ্রি, প্রতি সপ্তাহে ৩ ডিগ্রি কমান) |
| স্টার্টার খাবার | ০-৬ সপ্তাহ | স্টার্টার ফিড, তাজা পানি |
| গ্রোয়ার পর্যায় | ৬-১৮ সপ্তাহ | গ্রোয়ার ফিড, বাইরের জায়গায় ছাড়তে পারেন |
মুরগি কেনার আগে যা ভাবতে হবে
মুরগি পালন ৫-১০ বছরের দায়িত্ব। কেনার আগে খরচ ও সময়ের বিষয়টি ভেবে নিন।
মুরগি কোথায় পাবেন:
- DLS অনুমোদিত হ্যাচারি
- স্থানীয় দেশি মুরগির খামার
- পশুর হাট
- অনলাইন গ্রুপ বা বিজ্ঞাপন
সুস্থ মুরগির লক্ষণ: চোখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার, সক্রিয় ও চটপটে, পালক মসৃণ, নাক-চোখ থেকে কোনো স্রাব নেই, স্বাভাবিকভাবে হাঁটছে।
নতুন মুরগি কেনার পর: অন্তত ১ সপ্তাহ আলাদা রাখুন এবং পুরনো দলে মিলিয়ে দেওয়ার আগে নিশ্চিত হোন সে সুস্থ।
| খরচের ধরন | পরিমাণ (টাকা) |
|---|---|
| সোনালি বাচ্চা (প্রতিটি) | ৩০-৬০ |
| দেশি মুরগির বাচ্চা (প্রতিটি) | ৫০-১০০ |
| ১০টি মুরগির খোয়াড় নির্মাণ | ৩,০০০-১০,০০০ |
| মাসিক খাবার (প্রতিটি মুরগি) | ১৫০-৩০০ |
| বার্ষিক টিকা খরচ (প্রতিটি) | ৫০-১৫০ |
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
মুরগি পালন নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নের উত্তর।
মুরগি কি পোষা প্রাণী হিসেবে ভালো?
হ্যাঁ, মুরগি সামাজিক পাখি। নিয়মিত মেলামেশায় পোষ মেনে হাতে আসতে পছন্দ করে। তবে একা রাখলে বিষণ্ন হয়, তাই কমপক্ষে দুটি রাখুন।
মুরগি কত বছর বাঁচে?
সাধারণত ৫-১০ বছর। সোনালি বা ব্রয়লার মুরগি কম বাঁচে, দেশি মুরগি বেশি বাঁচতে পারে। ডিম উৎপাদন বয়সের সাথে কমে।
মুরগি পালনে কত খরচ হয়?
শুরুতে খোয়াড় নির্মাণে ৩,০০০-১০,০০০ টাকা লাগে। প্রতিটি মুরগির মাসিক খাবার খরচ ১৫০-৩০০ টাকার মতো। ডিম বা মাংস বিক্রি করলে অনেকটা খরচ উঠে আসে।
মুরগি পালন কি কঠিন?
তুলনামূলক সহজ। দৈনিক ১৫-৩০ মিনিটের যত্নই যথেষ্ট। সোনালি মুরগি নতুনদের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত।
শিশু বা পরিবারের জন্য কি মুরগি উপযুক্ত?
হ্যাঁ, শিশুরা মুরগির যত্নের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা শেখে। তবে মোরগ থেকে সতর্ক থাকুন। মুরগি ধরার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া জরুরি।
ডিম পেতে কি মোরগ লাগে?
না। মুরগি মোরগ ছাড়াই ডিম দেয়। তবে সেই ডিম উর্বর নয় এবং ছানা ফুটবে না।
বাড়িতে মুরগি পালনে কোনো আইনি বাধা আছে?
গ্রামাঞ্চলে সাধারণত কোনো বাধা নেই। শহর এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম থাকতে পারে। ঢাকায় বসবাস করলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।