আমেরিকান
আমেরিকান একটি শান্ত, কোমল ঐতিহ্যবাহী খরগোশ, যা তার ম্যান্ডোলিন-আকৃতির দেহ এবং শান্ত, স্থিতধী স্বভাবের জন্য প্রশংসিত।
- Size
- বড়
- Lifespan
- 5–8 years
- Origin
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- Temperament
- শান্ত
- Standard colors
- অ্যালবিনো এবং নীল
Characteristics
Coat and grooming
How the আমেরিকান coat is built, and what that means when you groom it.
- লোমের স্তর
- দ্বিস্তর লোম
- লোমের গড়ন
- মসৃণ
- লোমের দৈর্ঘ্য
- ছোট
- লোম ঝরা
- মাঝারি ঝরা
Grooming guidance
গুরুতর: A আমেরিকান should not be shaved.
নিচের স্তর তাপ ঠিক ততটাই বাইরে রাখে যতটা ঠান্ডা, আর উপরের লোম চামড়াকে রোদ ও পোকার কামড় থেকে বাঁচায়। পুরো লোম ছেঁটে ফেললে দুটোই চলে যায়। প্রায়ই তা ছোপ ছোপ হয়ে, নরম বা অন্য রঙে ফিরে আসে, আর কিছু প্রাণীতে উপরের লোম আর কখনও ঠিকমতো ফেরে না। নিচের স্তর কেটে ফেলার বদলে ব্রাশ করে বের করুন।
সতর্কতা: A আমেরিকান should only be clipped by someone experienced with the species.
এখানে চামড়া এতটাই পাতলা যে মেশিনের ব্লেডের নিচে ছিঁড়ে যেতে পারে, আর ধরে রাখলে প্রাণী আতঙ্কিত হতে পারে। ছাঁটা বা জট ছাড়ানো পশুচিকিৎসক বা এই প্রজাতির সঙ্গে নিয়মিত কাজ করা গ্রুমারের উপর ছাড়ুন।
আমেরিকান colors and patterns
What each club's breed standard says about every আমেরিকান color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.
Breed standards describe the আমেরিকান in অ্যালবিনো এবং নীল.
| Color or pattern |
|---|
| ধূসর |
| বাদামি |
| গোলাপি-লাল |
নীল
| Color or pattern |
|---|
| নীল |
What the rulings mean
- মানসম্মত
- Described by the club's breed standard.
Sources
Each ruling comes from the club's published breed standard or color list.
আমেরিকান খরগোশের পরিচিতি
আমেরিকান যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় আকারের ঐতিহ্যবাহী খরগোশ জাত, যার ম্যান্ডোলিন-আকৃতির শরীর ও শান্ত স্বভাব একে সামলানো সহজ করে তোলে।
আমেরিকান একটি বড় আকারের গৃহপালিত খরগোশ জাত, যা বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়েছিল। পূর্ণবয়স্ক খরগোশের ওজন সাধারণত ৯ থেকে ১২ পাউন্ডের মধ্যে থাকে, স্ত্রী খরগোশ (ডো) পুরুষ খরগোশের (বাক) চেয়ে সামান্য ভারী হয়। জাতটি চেনা যায় এর সেমি-আর্চ শরীরের গড়ন দিয়ে, যাকে প্রায়ই ম্যান্ডোলিন-আকৃতির বলা হয়, যেখানে পিঠ কাঁধের পেছন থেকে মসৃণভাবে উঁচু হয়ে গোলাকার পশ্চাদভাগে গিয়ে শেষ হয়।
দুটি রং এই জাতের মান হিসেবে স্বীকৃত: গাঢ় নীল এবং পরিষ্কার সাদা। ব্লু আমেরিকান হলো সেই কয়েকটি জাতের একটি যাদের সারা শরীরে প্রকৃত স্লেট-নীল লোম থাকে, এবং জাতটি প্রথম পরিচিতি পাওয়ার সময় এই বৈশিষ্ট্যই একে আলাদা করে তুলেছিল। সাদা প্রজাতির চোখ গোলাপি রঙের এবং লোম ঘন ও সমান।
বর্তমানে আমেরিকান খরগোশকে শান্ত সঙ্গী প্রাণী এবং একটি সংরক্ষণযোগ্য ঐতিহ্যবাহী জাত হিসেবে মূল্য দেওয়া হয়। এটি নম্র ও শান্ত স্বভাবের, সহজে ধরা-ছোঁয়া সহ্য করতে পারে এবং নিয়মিত রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে গেলে দ্রুত মানিয়ে নেয়। যেহেতু এটি আকারে বড়, তাই ছোট বা বামন জাতের তুলনায় এর বেশি জায়গা ও খাবার প্রয়োজন হয়, বাড়িতে আনার আগে এই বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| উৎপত্তি | যুক্তরাষ্ট্র |
| আকার | বড় (প্রায় ৯-১২ পাউন্ড) |
| আয়ুষ্কাল | ৫-৮ বছর |
| শ্রেণি/ভূমিকা | ঐতিহ্যবাহী ও সঙ্গী খরগোশ |
| উপযোগী | শান্ত পরিবার, বয়স্ক শিশু, মনোযোগী নতুন মালিক |
কার জন্য উপযোগী
আমেরিকান তাদের জন্য উপযুক্ত যারা প্রশস্ত খাঁচা এবং প্রতিদিন মেঝেতে ঘোরাফেরার সময় দিতে পারেন। এর শান্ত, বাধ্য স্বভাব একে এমন বয়স্ক শিশুদের জন্য যুক্তিসংগত পছন্দ করে তোলে যারা প্রাণীকে আলতোভাবে ধরতে জানে, এবং এমন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও যারা ঝামেলাহীন একটি সঙ্গী প্রাণী চান। খুব ছোট থাকার জায়গায় বা যারা ৮ বছর পর্যন্ত দীর্ঘ জীবনকাল ধরে প্রতিদিনের যত্ন দিতে পারবেন না, তাদের জন্য এটি ততটা উপযোগী নয়।
ইতিহাস ও উৎপত্তি
আমেরিকান খরগোশ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় তৈরি হয়েছিল এবং ১৯১৭ সালে প্রথম স্বীকৃতি পায়, শুরুতে এর নাম ছিল জার্মান ব্লু ভিয়েনা, পরে নাম বদলানো হয়।
আমেরিকান খরগোশ ১৯১০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় তৈরি হয়েছিল। এর কৃতিত্ব দেওয়া হয় পাসাডেনার লুইস স্যালিসবারিকে, যিনি একটি বড় আকারের মাংস-ও-লোম উৎপাদনকারী খরগোশে গাঢ় নীল রং এবং স্বতন্ত্র সেমি-আর্চ শরীরের গড়ন স্থায়ী করার কাজ করেছিলেন।
জাতটি প্রথম প্রদর্শিত ও স্বীকৃত হয় ১৯১৭ সালে। এটি প্রথমে জার্মান ব্লু ভিয়েনা নামে পরিচয় করানো হয়েছিল, যা এর পেছনে থাকা ইউরোপীয় নীল জাতগুলোর কথা মনে করিয়ে দিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে থাকায় নামটি পাল্টে আমেরিকান রাখা হয়, যা সে সময় জাতটিকে জনপ্রিয়তা পেতে সাহায্য করেছিল।
নীল রঙের প্রজাতিটি প্রথমে আসে এবং এটিই জাতের প্রথম দিকের খ্যাতি এনে দেয়, কারণ সমান স্লেট-নীল লোম তখন খুব একটা দেখা যেত না। পরবর্তীতে সাদা প্রজাতি যোগ করা হয় যাতে লোম ও মাংস উভয় উৎপাদনের জন্য জাতটির চাহিদা আরও বাড়ে। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অনেক খামারে আমেরিকান খরগোশ পালা হতো এর ঘন লোম ও ভালো মাংসের পরিমাণের জন্য।
বাণিজ্যিক খরগোশ পালন যখন দ্রুত বেড়ে ওঠা জাতগুলোর দিকে ঝুঁকতে থাকে, তখন আমেরিকান খরগোশের সংখ্যা তীব্রভাবে কমে যায়। এখন একে ঐতিহ্যবাহী জাত হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি সংরক্ষণ নজরদারি তালিকায়ও উঠে এসেছে, যার ফলে ছোট খামারিদের মধ্যে এই জাত টিকিয়ে রাখার আগ্রহ নতুন করে দেখা যাচ্ছে।
গঠন ও জাতের মানদণ্ড
আমেরিকান একটি বড় আকারের খরগোশ, যার সেমি-আর্চ, ম্যান্ডোলিন-আকৃতির শরীর এবং ঘন লোম দুটি মানসম্মত রঙে পাওয়া যায়, নীল ও সাদা।
আমেরিকান খরগোশের শরীর লম্বা, গভীর এবং সেমি-আর্চ শ্রেণির। পাশ থেকে দেখলে পিঠের রেখা কাঁধ থেকে ধীরে ধীরে উঁচু হতে থাকে এবং নিতম্বের ওপরে সবচেয়ে উঁচু বিন্দুতে পৌঁছে পেছনের দিকে গোলাকারভাবে নেমে আসে, এই গঠনের কারণেই একে ম্যান্ডোলিনের সঙ্গে তুলনা করা হয়। কান খাড়া থাকে এবং মাথা ও শরীরের অনুপাতে ঠিকঠাক দেখায়। সামগ্রিকভাবে এটি একটি নিটোল খরগোশের চেয়ে বরং বড়সড়, পেশিবহুল খরগোশের ছাপ দেয়।
| বৈশিষ্ট্য | মানদণ্ড |
|---|---|
| ওজন | বাক প্রায় ৯-১১ পাউন্ড; ডো প্রায় ১০-১২ পাউন্ড |
| শরীরের ধরন | সেমি-আর্চ (ম্যান্ডোলিন আকৃতি) |
| লোম | খাটো থেকে মাঝারি দৈর্ঘ্যের, ঘন, সূক্ষ্ম লোম |
| রং | নীল ও সাদা (দুটি মানসম্মত প্রজাতি) |
| চোখ | নীল প্রজাতিতে নীলচে-ধূসর; সাদা প্রজাতিতে গোলাপি |
লোম ও রং
লোম ঘন এবং উল্টো দিকে হাত বোলালে ধীরে ধীরে আগের জায়গায় ফিরে আসে, এই বৈশিষ্ট্যই এর লোমকে মূল্যবান করে তোলে। নীল প্রজাতিতে সারা শরীরে সমান, মাঝারি থেকে গাঢ় স্লেট-নীল রং থাকে, একই রং লোমের নিচের অংশেও দেখা যায়। সাদা প্রজাতি সম্পূর্ণ পরিষ্কার সাদা এবং চোখ গোলাপি রঙের। দুটি প্রজাতিতেই রং সমান হওয়া উচিত, কোনো এলোমেলো ভিন্ন রঙের লোম, হলদেটে আভা বা ছোপ থাকা চলবে না।
স্বভাব ও চরিত্র
আমেরিকান খরগোশ নম্র, শান্ত ও সংযত স্বভাবের, যা একে পালন ও সামলানোর দিক থেকে বড় আকারের খরগোশ জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম নির্ভরযোগ্য করে তোলে।
আমেরিকান খরগোশ তার স্থির, ভালো স্বভাবের জন্য পরিচিত। এটি সাধারণত বাধ্য এবং কোলে তুলে ধরে রাখা অনেক চঞ্চল জাতের তুলনায় ভালোভাবে সহ্য করতে পারে, তবে শর্ত হলো ধরার ধরনটা শান্ত ও সঠিকভাবে সমর্থিত হতে হবে। ডো-দের মনোযোগী, স্থির মা হিসেবে সুনাম আছে, যা জাতটির সহজ-সরল ভাবমূর্তিকে আরও পোক্ত করে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আমেরিকান খরগোশ সাধারণত শান্ত থাকে এবং চারপাশের মানুষদের ওপর আস্থা তৈরি হলে আলতো আদর উপভোগ করে। অপরিচিতদের সামনে এটি ভয় পাওয়ার বদলে সতর্ক থাকে, এবং নতুন কণ্ঠস্বর ও রুটিনের সঙ্গে পরিচিত হতে হতে সহজ হয়ে ওঠে। এটি চুপচাপ খরগোশ এবং কারণ ছাড়া খুব একটা পা ঠোকে না বা ছটফট করে না।
অন্য খরগোশের সঙ্গে আমেরিকান জোড়া বা দলে থাকতে পারে, যদি পরিচয় করানো ধাপে ধাপে হয় এবং দুটি খরগোশই বন্ধ্যাকরণ করা থাকে। যেকোনো খরগোশের ক্ষেত্রেই যেমন হয়, কুকুর ও বিড়ালের সঙ্গে সবসময় নজরদারিতে রাখা উচিত, কারণ শিকারি প্রজাতির উপস্থিতিতে বন্ধুত্বপূর্ণ খরগোশও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তে পারে। প্রথম কয়েক সপ্তাহ ধৈর্য ধরলে ফল ভালো পাওয়া যায়, কারণ একবার মানিয়ে নিলে আমেরিকান খরগোশ শান্ত ও অনুমানযোগ্য আচরণ করে।
| বৈশিষ্ট্য | মাত্রা |
|---|---|
| স্নেহপ্রবণতা | ৪ |
| শক্তি | ২ |
| প্রশিক্ষণযোগ্যতা | ৩ |
| শব্দ করার প্রবণতা | ১ |
| লোম ঝরা | ৩ |
যত্ন ও লোম পরিচর্যা
আমেরিকান খরগোশের নিয়মিত লোম পরিচর্যা, খাঁচার বাইরে প্রতিদিন ব্যায়াম এবং বড় আকারের খরগোশের উপযোগী পরিষ্কার, বাতাস চলাচলযুক্ত পরিবেশ দরকার।
আমেরিকান একটি শক্তসমর্থ জাত যার যত্ন নেওয়া মোটামুটি সহজ, তবে আকারে বড় হওয়ার কারণে ছোট খরগোশের তুলনায় এর বেশি জায়গা ও বড় ব্যবস্থাপনা দরকার হয়।
লোম পরিচর্যা
- ঢিলে হয়ে যাওয়া লোম সরাতে এবং ঘন লোম ভালো অবস্থায় রাখতে সপ্তাহে একবার ব্রাশ করুন।
- ঋতু পরিবর্তনের সময় লোম ঝরার মৌসুমে কয়েক দিন পরপর বেশি ঘন ঘন ব্রাশ করুন।
- প্রতি ৪-৬ সপ্তাহে একবার নখ পরীক্ষা করুন এবং বড় হয়ে গেলে কেটে দিন।
- কান ও পেছনের অংশ নিয়মিত পরীক্ষা করুন পরিষ্কার আছে কি না দেখতে, কারণ বড় আকারের খরগোশ নিজে সেখানে হাত পৌঁছাতে পারে না অনেক সময়।
- পুরো শরীর ধোয়ানো এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে খরগোশের ওপর চাপ পড়ে; বরং ময়লা লোম নির্দিষ্ট জায়গায় পরিষ্কার করুন।
ব্যায়াম
- প্রতিদিন খরগোশের জন্য নিরাপদ করে রাখা জায়গায় খাঁচার বাইরে কমপক্ষে ৩-৪ ঘণ্টা নজরদারিতে সময় দিন।
- লাফানো, শরীর টানটান করা ও দৌড়ানোর জন্য যথেষ্ট জায়গা দিন, বড় জাতের ফিট থাকার জন্য এটা দরকার।
- মানসিক উদ্দীপনার জন্য টানেল, কার্ডবোর্ডের বাক্স ও নিরাপদ কামড়ানোর খেলনা দিন।
- খেলার জায়গা থেকে বৈদ্যুতিক তার ও বিষাক্ত গাছপালা দূরে রাখুন।
পরিবেশ
আমেরিকান খরগোশকে প্রশস্ত, শুকনো খাঁচায় রাখুন, যেখানে সরাসরি বাতাসের ঝাপটা বা রোদ পৌঁছায় না। খরগোশ গরমের তুলনায় ঠান্ডা অনেক ভালোভাবে সহ্য করতে পারে, তাই ঢাকার মতো গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ছায়া ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। শক্ত মেঝে বা বিশ্রামের বোর্ড দিন, কারণ তারের মেঝেতে ভারী খরগোশের পায়ের তলায় ঘা হয়ে যেতে পারে।
খাদ্য ও খাওয়ানোর নিয়ম
আমেরিকান খরগোশ ভালো থাকে সীমাহীন ঘাসের খড়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি খাদ্যতালিকায়, সঙ্গে পরিমাপ করা পেলেট ও তাজা সবুজ শাক তার বড় আকারের সঙ্গে মিলিয়ে।
খাদ্যতালিকার বড় অংশ জুড়ে থাকা উচিত ঘাসের খড়, যা সবসময় হাতের কাছে রাখা দরকার। টিমোথি, অর্চার্ড বা মেডো খড় পেট সচল রাখে এবং ক্রমাগত বেড়ে চলা দাঁত ক্ষয় করতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে পরিমাপ করা ভালো মানের পেলেট এবং প্রতিদিন তাজা সবুজ শাকের একটি অংশ খাদ্যতালিকা সম্পূর্ণ করে। খাবার পানি সবসময় হাতের কাছে থাকা জরুরি, ভারী বাটি বা পরিষ্কার বোতলে দেওয়া যেতে পারে।
| জীবনের ধাপ | প্রতিদিনের পরিমাণ | খাবারের সংখ্যা |
|---|---|---|
| বাচ্চা খরগোশ (৬ মাসের কম) | সীমাহীন খড় এবং ইচ্ছেমতো অ্যালফালফা-ভিত্তিক পেলেট | সবসময় হাতের কাছে |
| প্রাপ্তবয়স্ক (৬ মাসের বেশি) | সীমাহীন ঘাসের খড় এবং প্রায় ১/৪-১/২ কাপ পেলেট | পেলেট ২ বেলায় ভাগ করে |
| বয়স্ক (৫ বছরের বেশি) | সীমাহীন ঘাসের খড়, ওজন অনুযায়ী পেলেট ঠিক করা | ২ বেলা, নজরদারিতে |
খাবার হিসেবে পুরস্কার ও সম্পূরক
পুরস্কার হিসেবে দেওয়া খাবার অল্প ও মাঝেমধ্যে রাখুন। কয়েক টুকরা গাজর, বীজ ছাড়া আপেল, বা পার্সলে-ধনেপাতার মতো ভেষজ উপযুক্ত পুরস্কার। কোনো নতুন সবুজ শাক কয়েক দিন ধরে ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন, নয়তো পাতলা পায়খানা হতে পারে। সীমাহীন খড় ও তাজা শাকের ওপর থাকা খরগোশের সাধারণত আলাদা ভিটামিন সম্পূরক লাগে না।
স্বাস্থ্য ও সাধারণ সমস্যা
আমেরিকান খরগোশ সাধারণত শক্তসমর্থ একটি জাত যার আয়ুষ্কাল ৫-৮ বছর, তবে সব খরগোশের মতোই এরও দাঁত ও হজমের সমস্যা হতে পারে, যা নজরে রাখা দরকার।
আমেরিকান একটি মজবুত ঐতিহ্যবাহী জাত, যার নিজস্ব বড় কোনো জিনগত ত্রুটি নেই। ভালো যত্নে এটি সাধারণত ৫-৮ বছর বাঁচে। এই জাতের বেশিরভাগ স্বাস্থ্য সমস্যা খরগোশদের মধ্যে সাধারণভাবে দেখা যায় এমন সমস্যাই, এবং এগুলোর বেশিরভাগ খাদ্য, দাঁতের ক্ষয় ও পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে জড়িত।
| সমস্যা | লক্ষণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল স্ট্যাসিস (পেট বন্ধ হয়ে যাওয়া) | না খাওয়া, পায়খানা না হওয়া, কুঁজো হয়ে বসে থাকা | জরুরি অবস্থা; খড়-নির্ভর খাদ্য ঝুঁকি কমায় |
| দাঁতের অসম গঠন (ম্যালোক্লুশন) | মুখ দিয়ে লালা পড়া, খাবার ফেলে দেওয়া, ওজন কমা | খড় ও কামড়ানোর জিনিস দাঁত ক্ষয় রাখতে সাহায্য করে |
| পায়ের তলায় ঘা (পোডোডার্মাটাইটিস) | পায়ের তলায় টাক পড়া, লাল হওয়া বা খোসা ওঠা | ভারী খরগোশের জন্য শক্ত বিশ্রামের জায়গা দিন |
| কান ও লোমের মাইট | কানে খোসা পড়া, চুলকানো, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া | চিকিৎসাযোগ্য; নিজে লোম পরিষ্কার করতে না পারা বড় খরগোশদের পরীক্ষা করুন |
| হিট স্ট্রেস | দ্রুত শ্বাস নেওয়া, নিস্তেজ ভাব, ভেজা নাক | ছায়া ও বাতাস চলাচল দিয়ে প্রায় ৮৫ ফারেনহাইট (২৯ সেলসিয়াস)-এর নিচে রাখুন |
প্রতিরোধমূলক যত্ন
- পেট ও দাঁত সুরক্ষিত রাখতে সীমাহীন ঘাসের খড় খাওয়ান।
- বছরে একবার চেকআপ করান, দাঁত ও ওজন পরীক্ষাসহ।
- পশুচিকিৎসক পরামর্শ দিলে এলাকাভিত্তিক খরগোশের রোগের বিরুদ্ধে টিকা দিন।
- প্রজনন-সংক্রান্ত ক্যান্সার ঠেকাতে ও হরমোনজনিত আচরণ কমাতে বন্ধ্যাকরণ করান।
- ত্বক ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা এড়াতে খাঁচা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
বাসস্থান ও খাঁচা ব্যবস্থাপনা
আমেরিকান খরগোশের জন্য দরকার প্রশস্ত, শুকনো, বাতাসের ঝাপটামুক্ত খাঁচা, শক্ত মেঝে এবং ব্যায়ামের জন্য আলাদা জায়গা, যা বড় আকারের খরগোশের উপযোগী।
আমেরিকান যেহেতু একটি বড় আকারের জাত, তাই এর থাকার ব্যবস্থাও প্রশস্ত হতে হবে। খাঁচা এমন হতে হবে যেন খরগোশ পুরোপুরি শরীর টানটান করে শুয়ে থাকতে পারে, কান ছাদে না ঠেকিয়ে সোজা হয়ে বসতে পারে, এবং একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে বেশ কয়েকবার লাফাতে পারে। বড় খরগোশের জন্য সাধারণ নির্দেশনা হলো কমপক্ষে ১২ বর্গফুটের খাঁচা, সঙ্গে প্রায় ২৪-৩২ বর্গফুটের একটি ব্যায়ামের জায়গা যুক্ত থাকা। শক্ত মেঝে, আর মেঝে তারের হলে একটি বিশ্রামের বোর্ড, পায়ের তলায় ঘা হওয়া থেকে রক্ষা করে।
| বিষয় | সুপারিশ |
|---|---|
| খাঁচার আকার | একটি বড় খরগোশের জন্য কমপক্ষে ১২ বর্গফুট |
| ব্যায়ামের জায়গা | যুক্ত বা প্রতিদিনের জন্য ২৪-৩২ বর্গফুট জায়গা |
| মেঝে | শক্ত মেঝে বা বিশ্রামের বোর্ড, খালি তার নয় |
| তাপমাত্রা | প্রায় ৫০-৭৫ ফারেনহাইট (১০-২৪ সেলসিয়াস) আরামদায়ক |
| বিছানা | কাগজ-ভিত্তিক বা খড়ের বিছানা, প্রতিদিন প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার করা |
প্রস্তুতির তালিকা
- শক্ত বিশ্রামের জায়গাসহ একটি প্রশস্ত খাঁচা।
- একটি ভারী পানির বাটি বা ড্রিপ বোতল, প্রতিদিন পরীক্ষা করা।
- সবসময় ভরা রাখা একটি খড়ের র্যাক বা স্তূপ।
- এক কোণে খরগোশের জন্য নিরাপদ লিটারসহ একটি লিটার ট্রে।
- নিরাপত্তার জন্য একটি লুকানোর বাক্স বা ঢাকা কোণ।
- বিনোদনের জন্য কামড়ানোর খেলনা ও খোঁড়াখুঁড়ির বাক্স।
আমেরিকান খরগোশের প্রজনন
আমেরিকান খরগোশ কয়েক মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয়ে ওঠে, প্রায় এক মাস গর্ভধারণ করে এবং মাঝারি থেকে বড় আকারের বাচ্চার দল জন্ম দেয়, যা ডো ভালোভাবে লালনপালন করে।
সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেও আংশিকভাবে পালিত একটি ঐতিহ্যবাহী জাত হিসেবে, আমেরিকান খরগোশের প্রজনন করানো হয় এর শরীরের গড়ন ও দুটি মানসম্মত রং টিকিয়ে রাখার জন্য। বড় জাতের বাক ও ডো ছোট খরগোশের তুলনায় একটু দেরিতে পূর্ণবয়স্ক হয়, তাই প্রজননকারীরা সাধারণত প্রথম মিলনের আগে খরগোশ শারীরিকভাবে পূর্ণবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, যা প্রায়ই ৬-৮ মাস বয়সে হয়। ডোকে বাকের খাঁচায় নিয়ে যাওয়া হয়, উল্টোটা নয়, কারণ ডো এলাকাসচেতন হতে পারে।
গর্ভধারণকাল প্রায় ৩১ দিন স্থায়ী হয়। প্রসবের নির্ধারিত তারিখের কয়েক দিন আগে পরিষ্কার খড়সহ একটি বাসা বাক্স দিতে হবে, এবং ডো নিজের শরীর থেকে টেনে তোলা লোম দিয়ে সেটি বিছিয়ে দেবে। আমেরিকান ডো ভালো, শান্ত মা হিসেবে পরিচিত, যা জাতটির নম্র সুনামের সঙ্গে মিলে যায়। বাচ্চারা অন্ধ ও লোমহীন অবস্থায় জন্মায় এবং প্রায় ১০ দিন বয়সে চোখ খোলে।
বাচ্চা খরগোশ প্রায় ৩ সপ্তাহ বয়স থেকে খড় ও পেলেট খেতে শুরু করে এবং সাধারণত ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে দুধ ছাড়ানো হয়। শুরু থেকেই বাচ্চাদের আলতোভাবে ধরা তাদের সেই নম্র প্রাপ্তবয়স্ক খরগোশে বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে, যার জন্য জাতটি পরিচিত। এই দুর্লভ জাত নিয়ে কাজ করা প্রজননকারীরা প্রায়ই একসঙ্গে সমন্বয় করেন যাতে রক্তরেখায় বৈচিত্র্য বজায় থাকে এবং জাতটি টিকিয়ে রাখা যায়।
| পরিমাপ | মান |
|---|---|
| প্রজননক্ষম বয়স | প্রায় ৬-৮ মাস (বড় জাত) |
| গর্ভধারণকাল | প্রায় ৩১ দিন |
| গড় বাচ্চার সংখ্যা | ৬-৮টি |
| চোখ খোলার বয়স | প্রায় ১০ দিন |
| দুধ ছাড়ানোর বয়স | ৬-৮ সপ্তাহ |
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
আমেরিকান খরগোশের আকার, স্বভাব, যত্নের প্রয়োজনীয়তা, আয়ুষ্কাল, উপযোগিতা এবং প্রাপ্যতা নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন।
আমেরিকান খরগোশ কতটা বড় হয়?
এটি একটি বড় আকারের জাত। পূর্ণবয়স্ক খরগোশের ওজন সাধারণত ৯-১২ পাউন্ড হয়, ডো সাধারণত বাকের চেয়ে একটু ভারী হয়।
আমেরিকান খরগোশ কি বন্ধুত্বপূর্ণ?
হ্যাঁ। এই জাত নম্র, শান্ত ও সংযত স্বভাবের জন্য পরিচিত এবং অনেক বড় জাতের তুলনায় সতর্কভাবে ধরা-ছোঁয়া ভালোভাবে সহ্য করে।
আমেরিকান খরগোশের যত্ন নেওয়া কি কঠিন?
এর যত্ন মোটামুটি সহজ, তবে ছোট জাতের তুলনায় এর বেশি জায়গা ও খাবার প্রয়োজন। সপ্তাহে লোম পরিচর্যা, প্রতিদিন ব্যায়াম এবং খড়-নির্ভর খাদ্যতালিকা আশা করা উচিত।
আমেরিকান খরগোশ কতদিন বাঁচে?
ভালো যত্নে বেশিরভাগ খরগোশ ৫-৮ বছর বাঁচে।
নতুন মালিকদের জন্য আমেরিকান কি ভালো খরগোশ?
যারা বড় খাঁচা ও প্রতিদিনের যত্ন দিতে পারবেন, তাদের জন্য এটি ভালো হতে পারে। শান্ত স্বভাবের কারণে অনেক চঞ্চল জাতের চেয়ে একে সামলানো সহজ।
আমেরিকান খরগোশ কি সহজে পাওয়া যায়?
না। আমেরিকান একটি দুর্লভ ঐতিহ্যবাহী জাত এবং এটি সংরক্ষণ নজরদারি তালিকায় উঠে এসেছে, তাই ক্রেতাদের সাধারণত নির্দিষ্ট প্রজননকারীদের খুঁজে বের করতে হয়।
আমেরিকান খরগোশ কোন কোন রঙে পাওয়া যায়?
দুটি মানসম্মত প্রজাতি আছে: গাঢ় স্লেট-নীল এবং গোলাপি চোখওয়ালা খাঁটি সাদা।
From the community
Ask about the আমেরিকানNo questions about the আমেরিকান yet. Be the first to ask.