
ওয়েলশ টেরিয়ার
ওয়েলশ টেরিয়ার হলো একটি তেজস্বী, বন্ধুত্বপূর্ণ ওয়েলশ জাত যার লোম শক্ত-আঁশযুক্ত কালো-ও-বাদামি, এবং যা তার প্রফুল্ল উদ্যম ও বুদ্ধিমত্তার জন্য পরিচিত।
- Size
- ছোট
- Lifespan
- 12–15 years
- Origin
- ওয়েলস
- Temperament
- প্রাণবন্ত
- Standard colors
- কালো এবং ট্যান
Characteristics
Coat and grooming
How the ওয়েলশ টেরিয়ার coat is built, and what that means when you groom it.
- লোমের স্তর
- দ্বিস্তর লোম
- লোমের গড়ন
- খসখসে
- লোমের দৈর্ঘ্য
- মাঝারি
- লোম ঝরা
- কম ঝরা
Grooming guidance
সতর্কতা: A ওয়েলশ টেরিয়ার coat should be hand-stripped rather than clipped.
খসখসে লোম এমনভাবে তৈরি যে লোম পেকে আলগা হওয়ার মুখে এলে গোড়া থেকে টেনে তুলতে হয়। মেশিন তার বদলে মাঝখান থেকে কেটে দেয় আর নিচে নরম স্তর রেখে যায়। ফল হলো এমন লোম যা নেতিয়ে ও ফ্যাকাশে হয়ে গজায়, আর আবহাওয়া-প্রতিরোধী গড়ন নতুন করে টেনে তোলার পরেই ফেরে।
ওয়েলশ টেরিয়ার colors and patterns
What each club's breed standard says about every ওয়েলশ টেরিয়ার color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.
Breed standards describe the ওয়েলশ টেরিয়ার in কালো এবং ট্যান. Standard patterns: গ্রিজল এবং ট্যান পয়েন্ট.
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| কালো | মানসম্মত (“black and tan for preference”) | মানসম্মত (“Black & Tan”) | মানসম্মত (“the black jacket”) | মানসম্মত (“black and tan for preference”) | মানসম্মত (“black and tan for preference”) |
| ট্যান | মানসম্মত (“black and tan for preference”) | মানসম্মত (“Black & Tan”) | মানসম্মত (“a clear tan”) | মানসম্মত (“black and tan for preference”) | মানসম্মত (“black and tan for preference”) |
| অ্যালবিনো | No ruling | No ruling | অযোগ্যকারী (“albinism”) | স্বীকৃত নয় | No ruling |
| Patterns | |||||
| গ্রিজল | মানসম্মত (“black grizzle and tan”) | মানসম্মত (“Grizzle & Tan”) | মানসম্মত (“a black grizzle jacket is also acceptable”) | মানসম্মত (“black grizzle and tan”) | মানসম্মত (“black grizzle and tan”) |
| ট্যান পয়েন্ট | মানসম্মত (“black and tan”) | মানসম্মত (“Black & Tan”) | মানসম্মত (“the legs, quarters and head are a clear tan”) | মানসম্মত (“black and tan”) | মানসম্মত (“black and tan”) |
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| গাঢ় বাদামি | মানসম্মত (“dark”) | মানসম্মত (“dark brown”) | মানসম্মত (“dark”) | মানসম্মত (“dark”) | মানসম্মত (“dark”) |
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| কালো | মানসম্মত (“black”) | মানসম্মত (“black”) | মানসম্মত (“black in color”) | মানসম্মত (“nose black”) | মানসম্মত (“black”) |
What the rulings mean
- মানসম্মত
- Described by the club's breed standard.
- অযোগ্যকারী
- The club's breed standard disqualifies an animal of this color or pattern.
- স্বীকৃত নয়
- The club does not accept this color or pattern for the breed.
Color changes
How a ওয়েলশ টেরিয়ার's colors can change over its life.
কালোchanges toমরিচা
লোম · শারীরিক অবস্থার সঙ্গে · can change back
কালোchanges toধূসর
লোম · ক্রমাগত
কালোchanges toবাদামি
লোম · রোদে · can change back
ট্যান পয়েন্টchanges toজিন নকশা
লোম · বয়সের সঙ্গে · from 6 to 156 weeks
কালোchanges toশীতের নাক
নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back
কালোchanges toগোলাপি
নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back
Sources
Each ruling comes from the club's published breed standard or color list.
Meet some of our ওয়েলশ টেরিয়ার
A few of the ওয়েলশ টেরিয়ার profiles members have added to United Pet Club.
ওয়েলশ টেরিয়ার সম্পর্কে
ওয়েলশ টেরিয়ার ওয়েলসের একটি ছোট, উদ্যমী কুকুর, যার শক্ত তারের মতো কালো-বাদামি পশম, বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব আর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তার জন্য পরিচিত।
ওয়েলশ টেরিয়ার ওয়েলসে উদ্ভূত একটি ছোট আকারের কর্মঠ টেরিয়ার জাত। উচ্চতায় এটি মোটামুটি হাঁটু সমান, গড়ন চৌকো ও মজবুত, আর গায়ে রয়েছে টেরিয়ার গোষ্ঠীর পরিচিত সেই কালো-বাদামি রঙের রুক্ষ পশমের আবরণ। শিয়াল, ব্যাজার আর ইঁদুরজাতীয় প্রাণী শিকারের জন্য এই জাতটি তৈরি হয়েছিল, তাই শরীরটা নাজুক নয়, বরং পোক্ত ও ক্ষিপ্র।
স্বভাবের দিক থেকে ওয়েলশ টেরিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রাণবন্ত, তবে অনেক টেরিয়ারে যে অস্থির ও নার্ভাস ভাব দেখা যায় তা এর মধ্যে নেই। এটি সজাগ, কৌতূহলী ও আত্মবিশ্বাসী, আর বয়স বাড়লেও খেলাধুলার আগ্রহ কমে না। মালিকেরা প্রায়ই বলেন যে এই জাতটি হাসিখুশি এবং যেকোনো কাজে অংশ নিতে প্রস্তুত, সঙ্গে থাকে এমন খানিকটা স্বাধীনচেতা মনোভাব যা পুরো বাড়িকে মাতিয়ে রাখতে পারে।
পশম এই জাতের সবচেয়ে চেনার মতো বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি। বাইরের রুক্ষ স্তরটি থেকে লোম প্রায় ঝরেই না, তাই যারা কম লোম ঝরায় এমন কুকুর পছন্দ করেন, তাদের জন্য ওয়েলশ টেরিয়ার একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। তবে পশমের গঠন ঠিক রাখতে নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| উৎপত্তিস্থল | ওয়েলস |
| আকার | ছোট (প্রায় ৯ থেকে ৯.৫ কেজি) |
| আয়ুষ্কাল | ১২ থেকে ১৫ বছর |
| গোষ্ঠী/ভূমিকা | টেরিয়ার; মূলত শিকার ও ইঁদুর দমনের কুকুর |
| যাদের সঙ্গে ভালো মানায় | পরিবার ও সক্রিয় মালিক; ছোট পোষা প্রাণীর কাছে নজরদারি জরুরি |
কাদের জন্য উপযুক্ত
ওয়েলশ টেরিয়ার তাদের জন্য মানানসই যারা সক্রিয় এবং প্রতিদিন ব্যায়াম করানোর পাশাপাশি ধৈর্য ধরে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। যেসব বাড়িতে বড় বয়সের শিশু আছে, যারা একটি প্রাণবন্ত কুকুরকে কীভাবে সামলাতে হয় তা বোঝে, সেখানে এই জাতটি ভালো মানিয়ে নেয়। খরগোশ বা ইঁদুরজাতীয় ছোট প্রাণী থাকা বাড়িতে সতর্ক থাকা দরকার, কারণ এই জাতের শিকারি প্রবৃত্তি এখনও প্রবল। যারা শান্ত, কম শক্তির একটি কোলের কুকুর খুঁজছেন, তাদের কাছে এই টেরিয়ারকে বেশি চঞ্চল মনে হতে পারে।
ওয়েলশ টেরিয়ারের ইতিহাস ও উৎপত্তি
শিয়াল, ব্যাজার আর ইঁদুরজাতীয় প্রাণী শিকারের জন্য ওয়েলসে গড়ে ওঠা এই কর্মঠ টেরিয়ার জাতটি স্বীকৃত পুরনো টেরিয়ার জাতগুলোর একটি।
ওয়েলশ টেরিয়ারের উৎপত্তি ওয়েলসে, যেখানে স্থানীয় কর্মঠ টেরিয়ারদের পালা হতো শিয়াল, ব্যাজার আর ভোঁদড় শিকারের জন্য, এবং খামারে ইঁদুরজাতীয় প্রাণী দমনের কাজেও। এই কুকুরগুলোকে এত ছোট হতে হতো যাতে শিকারকে গর্তের ভেতর পর্যন্ত তাড়া করতে পারে, আবার এত সাহসী ও শক্তসমর্থ হতে হতো যাতে মুখোমুখি লড়াইয়েও পিছপা না হয়। ওয়েলসের এই কালো-বাদামি তারের মতো পশমওয়ালা টেরিয়াররাই আধুনিক জাতটির ভিত্তি তৈরি করে।
উনিশ শতক জুড়ে প্রজননকারীরা একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ চেহারা ও কর্মক্ষমতার দিকে কাজ করার সাথে সাথে এই জাতটি ক্রমেই পরিমার্জিত ও মানসম্মত হয়ে ওঠে। ব্রিটেনের পুরনো কালো-বাদামি টেরিয়ার জাতগুলোর সাথে ওয়েলশ টেরিয়ারের পূর্বপুরুষ ও চেহারার মিল রয়েছে, আর পশমের রং ও নকশায় একে এয়ারডেল টেরিয়ারের একটি ছোট সংস্করণের মতোও মনে হয়।
ব্রিটেনে কুকুর প্রদর্শনী যত জনপ্রিয় হতে থাকে, ওয়েলশ টেরিয়ার শুধু কাজের কুকুর থেকে ধীরে ধীরে প্রদর্শনীর মঞ্চ আর পারিবারিক বাড়িতেও জায়গা করে নেয়। উনিশ শতকের শেষের দিকে স্বীকৃতি পাওয়া টেরিয়ার জাতগুলোর মধ্যে এটি ছিল অন্যতম, আর যারা এর আকার ও স্থির স্বভাবকে মূল্য দিতেন তাদের মধ্যে এটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
পরবর্তীতে এই জাতটি ওয়েলস ছাড়িয়ে ব্রিটেনের বাকি অংশে এবং সমুদ্রপারেও ছড়িয়ে পড়ে। আজকাল একে মূলত সঙ্গী ও প্রদর্শনীর কুকুর হিসেবে পালা হয়, যদিও এর শরীরের গড়ন আর সহজাত প্রবৃত্তিতে এখনও তার কর্মজীবনের অতীতের ছাপ স্পষ্ট।
ওয়েলশ টেরিয়ারের গঠন ও জাতের মান
ওয়েলশ টেরিয়ার ছোট আকারের চৌকো গড়নের কুকুর, তারের মতো কালো-বাদামি পশম, লম্বাটে মাথা আর মজবুত, সুষম শরীর নিয়ে গঠিত।
ওয়েলশ টেরিয়ার ছোট আকারের একটি কুকুর, যার শরীরের রূপরেখা চৌকো ও সুষম, অর্থাৎ কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় শরীরের দৈর্ঘ্যের সমান। মাথা লম্বাটে ও আয়তাকার, খুলি সমতল, কান ছোট এবং সামনের দিকে ভাঁজ হয়ে ঝুলে থাকে, আর গাঢ় রঙের চোখে থাকে একধরনের সজাগ দৃষ্টি। শরীরের গড়ন মজবুত ও কাজের উপযোগী, পা সোজা এবং পিঠ সমতল।
| বৈশিষ্ট্য | মান |
|---|---|
| উচ্চতা | কাঁধ পর্যন্ত সর্বোচ্চ প্রায় ৩৯ সেমি (১৫.৫ ইঞ্চি) |
| ওজন | প্রায় ৯ থেকে ৯.৫ কেজি (২০ থেকে ২১ পাউন্ড) |
| পশম | ঘন দ্বিস্তর তারের মতো পশম, বাইরের স্তর শক্ত |
| রং | কালো-বাদামি, অথবা গ্রিজল ও বাদামি |
| চোখ | ছোট, গাঢ় রং, মাথার ভেতরের দিকে বসানো |
পশম ও রং
এই জাতের সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ দিক হলো এর কর্কশ, তারের মতো দ্বিস্তর পশম। ভেতরের স্তর নরম, আর বাইরের স্তর ঘন এবং স্পর্শে শক্ত, যা কুকুরটিকে আবহাওয়া আর রুক্ষ ভূখণ্ড থেকে রক্ষা করত। প্রচলিত রং কালো-বাদামি, পিঠের ওপর কালো বা গাঢ় গ্রিজল রঙের একটি চাদরের মতো অংশ থাকে, আর মাথা, পা ও পেটের দিকে থাকে বাদামি রং। পাপিরা সাধারণত জন্মায় প্রায় পুরো কালো রঙে, আর বড় হওয়ার সাথে সাথে বাদামি ছোপ ফুটে ওঠে। পশমের সঠিক গঠন ও রং বজায় রাখতে সাধারণত একে কাঁচি দিয়ে ছাঁটার বদলে হাতে টেনে তোলা হয় (হ্যান্ড স্ট্রিপিং)।
ওয়েলশ টেরিয়ারের স্বভাব ও চরিত্র
ওয়েলশ টেরিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও বুদ্ধিমান, পরিবারের সঙ্গে সাধারণত ভালোভাবে মানিয়ে নেয়, তবে ছোট প্রাণীর প্রতি এর শিকারি প্রবৃত্তি এখনও প্রবল থাকে।
ওয়েলশ টেরিয়ার তার বন্ধুত্বপূর্ণ, হাসিখুশি স্বভাব আর টেরিয়ার জাতের চিরচেনা প্রাণশক্তির জন্য পরিচিত। এটি আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী, আর বছরের পর বছর ধরে খেলাধুলাপ্রিয় ও পাপির মতো চঞ্চল থেকে যায়। জাতটি বুদ্ধিমান ও কৌতূহলী, যা একে আকর্ষণীয় সঙ্গী করে তোলে, তবে একই সাথে মানসিক উদ্দীপনা না পেলে এটি সন্তুষ্ট থাকে না।
পরিবারের সদস্যদের সাথে ওয়েলশ টেরিয়ার স্নেহপ্রবণ এবং মানুষের সঙ্গ পছন্দ করে। সাধারণত শিশুদের সাথে ভালো মানিয়ে নেয়, বিশেষ করে যারা একটু বড় এবং এর কর্মচঞ্চলতার সাথে তাল মিলিয়ে আলতোভাবে সামলাতে পারে। অপরিচিত মানুষের ক্ষেত্রে এটি সজাগ থাকে এবং কেউ এলে জানান দেয়, তবে সাধারণত নার্ভাস বা আক্রমণাত্মক আচরণ করে না।
অন্য কুকুরের সাথে এই জাতটি মিশুক হতে পারে, তবে কিছুটা দাপুটে স্বভাবও দেখাতে পারে, আর কোনো কোনো ব্যক্তি কুকুর সহজে পিছু হটে না। শিকারি পূর্বপুরুষের কারণে এর শিকারি প্রবৃত্তি বেশ প্রবল, তাই ইঁদুরজাতীয় প্রাণী, খরগোশ, কখনো কখনো বিড়ালও তাড়া খাওয়ার শিকার হতে পারে। ছোটবেলা থেকে সামাজিকীকরণ করালে অন্য প্রাণীর সাথে সঠিক আচরণ শিখতে সাহায্য করে।
| বৈশিষ্ট্য | মাত্রা |
|---|---|
| স্নেহপ্রবণতা | ৪ |
| শক্তি | ৪ |
| প্রশিক্ষণযোগ্যতা | ৪ |
| ঘেউ ঘেউ করার প্রবণতা | ৩ |
| লোম ঝরা | ১ |
ওয়েলশ টেরিয়ারের যত্ন ও পরিচর্যা
ওয়েলশ টেরিয়ারের নিয়মিত পশমের যত্ন, প্রতিদিনের ব্যায়াম আর এমন একটি বাড়ি দরকার যেখানে একটি চঞ্চল, বুদ্ধিমান কুকুরকে সামলানো সম্ভব।
পশমের যত্ন
- আলগা লোম সরাতে ও জট বাঁধা ঠেকাতে সপ্তাহে এক বা দুইবার তারের মতো পশমটি ব্রাশ করুন।
- পশমের সঠিক শক্ত গঠন ও রং বজায় রাখতে বছরে কয়েকবার হাতে পশম টেনে তুলুন (হ্যান্ড স্ট্রিপিং); কাঁচি দিয়ে ছাঁটলে পশম সময়ের সাথে নরম হয়ে যায়।
- ছিমছাম চেহারা বজায় রাখতে চোখ, কান আর পায়ের চারপাশের পশম ছেঁটে দিন।
- ভাঁজ হয়ে থাকা কান নিয়মিত পরীক্ষা করে পরিষ্কার রাখুন, আর কয়েক সপ্তাহ পরপর নখ ছেঁটে দিন।
ব্যায়াম
- হাঁটা আর খেলাধুলার মাধ্যমে দিনে অন্তত ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট সক্রিয় রাখুন।
- ঘেরা জায়গায় লিশ ছাড়া কিছুটা সময় দিন, কারণ প্রবল শিকারি প্রবৃত্তির কারণে কুকুরটি ছোট প্রাণীর পিছু ছুটে পালিয়ে যেতে পারে।
- টেরিয়ারের সহজাত প্রবৃত্তি মেটাতে গন্ধ শোঁকার খেলা, বল আনা-নেওয়ার খেলা আর মাটি খোঁড়ার সুযোগ রাখুন।
- শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি মস্তিষ্কের কাজের জন্য প্রশিক্ষণ সেশন আর পাজল খেলনা যোগ করুন।
পরিবেশ
পর্যাপ্ত দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড পেলে ওয়েলশ টেরিয়ার বাড়ি কিংবা অ্যাপার্টমেন্ট, দুই পরিবেশেই মানিয়ে নিতে পারে। ভালোভাবে ঘেরা একটি উঠান বাড়তি সুবিধা দেয়, কারণ এই জাতটি ঘুরে বেড়াতে ও মাটি খুঁড়তে ভালোবাসে। এটি তার মানুষের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে এবং দীর্ঘ সময় একা রেখে দিলে একঘেয়েমিতে ভুগতে পারে বা ঘেউ ঘেউ করতে পারে।
ওয়েলশ টেরিয়ারের পুষ্টি ও খাদ্য
ওয়েলশ টেরিয়ারের ছোট, সক্রিয় গড়ন অনুযায়ী পরিমাণমতো সম্পূর্ণ খাদ্য দিলে এটি ভালো থাকে, আর ওজন বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে ট্রিট নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
ওয়েলশ টেরিয়ারের জন্য দরকার একটি ছোট, সক্রিয় কুকুরের উপযোগী সম্পূর্ণ ও সুষম খাদ্য। পর্যাপ্ত প্রোটিনযুক্ত মানসম্পন্ন খাবার এর পেশি ও শক্তির চাহিদা পূরণে সহায়ক। যেহেতু জাতটি উদ্যমী কিন্তু আকারে ছোট, তাই খাবারের পরিমাণ তার আকার আর কর্মক্ষমতার সাথে মিলিয়ে ঠিক করা উচিত, যাতে ওজন বেড়ে না যায়। সবসময় খাবার সামনে রাখার বদলে মেপে খাওয়ান, আর শরীরের অবস্থা বুঝে পরিমাণ সমন্বয় করুন।
| জীবনপর্যায় | দৈনিক পরিমাণ | বেলার সংখ্যা |
|---|---|---|
| পাপি (২ থেকে ৬ মাস) | বৃদ্ধির জন্য পণ্যের নির্দেশিকা অনুযায়ী | ৩ থেকে ৪ |
| প্রাপ্তবয়স্ক | প্রায় ৩/৪ থেকে ১ কাপ শুকনো খাবার | ২ |
| বয়স্ক / কম সক্রিয় | ওজন ধরে রাখতে কিছুটা কমিয়ে | ২ |
ট্রিট ও সাপ্লিমেন্ট
ট্রিট দৈনিক ক্যালরির প্রায় দশ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখুন, কারণ বেশি খাওয়ালে এই জাতের ওজন সহজেই বেড়ে যায়। প্রশিক্ষণের পুরস্কার হিসেবে ছোট, কম-ক্যালরির ট্রিট ভালো কাজ করে। সম্পূর্ণ খাদ্য পেলে বেশিরভাগ ওয়েলশ টেরিয়ারের আলাদা সাপ্লিমেন্টের দরকার হয় না; জয়েন্ট বা ত্বকের সাপ্লিমেন্টসহ যেকোনো কিছু যোগ করার আগে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ওয়েলশ টেরিয়ারের স্বাস্থ্য ও সাধারণ সমস্যা
ওয়েলশ টেরিয়ার সাধারণত একটি সুঠাম জাত, আয়ুষ্কাল ১২ থেকে ১৫ বছর, তবে কিছু বংশগত ও ত্বকজনিত সমস্যার দিকে নজর রাখা দরকার।
ওয়েলশ টেরিয়ার সাধারণভাবে সুস্থ ও সুঠাম একটি জাত, সাধারণত আয়ুষ্কাল ১২ থেকে ১৫ বছর। সব জাতের মতোই এর মধ্যেও কিছু সমস্যা সাধারণ কুকুরের তুলনায় বেশি দেখা যায়, যেমন চোখের সমস্যা, ত্বকের অ্যালার্জি এবং কিছু বংশগত রোগ। যেসব প্রজননকারী তাদের কুকুরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তাদের কাছ থেকে কেনা আর নিয়মিত পশুচিকিৎসা করানো এসব সমস্যার ঝুঁকি কমায়।
| সমস্যা | লক্ষণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ত্বকের অ্যালার্জি | চুলকানি, লালচে ভাব, বারবার কান বা ত্বকের সংক্রমণ | এই জাতে সাধারণ; খাদ্য ও পশুচিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় |
| গ্লকোমা / লেন্স স্থানচ্যুতি | চোখ ঘোলাটে বা ব্যথাযুক্ত হওয়া, লালচে ভাব, দৃষ্টির পরিবর্তন | চোখের পরীক্ষা করালে আগেভাগে ধরা পড়ে |
| হাইপোথাইরয়ডিজম | ওজন বৃদ্ধি, কম শক্তি, পশমে পরিবর্তন | রক্ত পরীক্ষায় নির্ণয় করা হয়, ওষুধে চিকিৎসা হয় |
| প্যাটেলার লাক্সেশন (হাঁটুর কাপ সরে যাওয়া) | লাফিয়ে চলা বা পেছনের পায়ে মাঝেমধ্যে খোঁড়ানো | তীব্রতা ভিন্ন হয়; কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় |
প্রতিরোধমূলক যত্ন
- টিকা আর পরজীবী প্রতিরোধ সবসময় হালনাগাদ রাখুন।
- বছরে একবার পশুচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান, বয়স্ক কুকুরের ক্ষেত্রে বছরে দুইবার।
- ব্রাশ করা আর পেশাদার পরিষ্কারের মাধ্যমে দাঁতের যত্ন বজায় রাখুন।
- শরীরের ওজনের দিকে নজর রাখুন আর কুকুরকে ছিপছিপে রাখতে খাবার সমন্বয় করুন।
- দুই ভিজিটের মাঝে নিয়মিত ত্বক, কান আর চোখ পরীক্ষা করুন।
ওয়েলশ টেরিয়ারের প্রশিক্ষণ
বুদ্ধিমান, উৎসাহী ওয়েলশ টেরিয়ার দ্রুত শেখে, তবে কিছুটা স্বাধীনচেতা স্বভাবের কারণে ছোটবেলা থেকে শুরু করা ধারাবাহিক, পুরস্কারভিত্তিক প্রশিক্ষণে সবচেয়ে ভালো সাড়া দেয়।
ওয়েলশ টেরিয়ার বুদ্ধিমান এবং কাজ করতে আগ্রহী, তাই বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ ও কৌশল শেখার ক্ষমতা রাখে। একই সাথে এর মধ্যে টেরিয়ারদের সেই চিরচেনা স্বাধীনচেতা, মাঝেমধ্যে একগুঁয়ে স্বভাবও রয়েছে, তাই প্রশিক্ষণে ধারাবাহিকতা আর ধৈর্যের দরকার হয়। লম্বা, পুনরাবৃত্তিমূলক অনুশীলনের চেয়ে ছোট ছোট বৈচিত্র্যময় সেশন এর মনোযোগ ধরে রাখতে বেশি কার্যকর। মানুষ, অন্য কুকুর আর দৈনন্দিন পরিস্থিতির সাথে ছোটবেলা থেকে সামাজিকীকরণ একে বড় হয়ে স্থির স্বভাবের কুকুর হয়ে উঠতে সাহায্য করে, আর শুরু থেকেই প্রশিক্ষণের অংশ হওয়া উচিত ছোট প্রাণীর প্রতি শিকারি প্রবৃত্তি সামলানো।
প্রাথমিক বিষয়
- পাপি বয়স থেকেই সামাজিকীকরণ আর আলতোভাবে সামলানো শুরু করুন।
- শিকারি প্রবৃত্তি প্রবল বলে নাম চেনা আর নির্ভরযোগ্য রিকল (ডাকলে ফিরে আসা) দ্রুত শেখান।
- মূল নির্দেশগুলো নিয়ে কাজ করুন: বসো, থামো, শোও, আর ছেড়ে দাও।
- মনোযোগ সরানো জিনিসের দিকে টান দেওয়া সামলাতে ঢিলে লিশে হাঁটার অনুশীলন করান।
- শক্তি আর বুদ্ধিমত্তাকে সঠিক পথে চালিত করতে গঠনমূলক খেলা আর কৌশল-প্রশিক্ষণ যোগ করুন।
ওয়েলশ টেরিয়ারের প্রজনন
ওয়েলশ টেরিয়ারের প্রজনন ছোট জাতের কুকুরের প্রচলিত নিয়ম মেনে হয়, বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সাধারণত তিন থেকে ছয়টি পাপির লিটার নিয়ে।
ওয়েলশ টেরিয়ার জীবনের প্রথম বছরেই যৌন পরিপক্বতা পায়, তবে দায়িত্বশীল প্রজননকারীরা কুকুরটি শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, সাধারণত প্রায় দুই বছর বয়স পর্যন্ত। যেকোনো মিলনের আগে বাবা-মা দুজনেরই চোখের সমস্যার মতো এই জাতের পরিচিত ঝুঁকিগুলোর জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, আর দুজনেরই স্বভাব যাচাই করে নেওয়া উচিত, কারণ স্বাস্থ্য আর স্বভাব দুটোই বংশগতভাবে বাহিত হয়।
কুকুরের গর্ভধারণকাল প্রায় ৬৩ দিন। ওয়েলশ টেরিয়ার সাধারণত একবারে তিন থেকে ছয়টি পাপির জন্ম দেয়। পাপিরা সাধারণত জন্মায় প্রায় পুরো কালো রঙে, আর বড় হওয়ার সাথে সাথে বাদামি ছোপ ফুটে ওঠে।
পাপি বড় করার সময় মা কুকুরকে ভালোভাবে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া, উষ্ণ ও পরিষ্কার হেলপিং জায়গা তৈরি করা, আর পাপিদের বয়স কয়েক সপ্তাহ হলে আলতো করে সামাজিকীকরণ শুরু করা জরুরি। পাপিরা সাধারণত সাত থেকে আট সপ্তাহ বয়সে দুধ ছাড়ে, আর নতুন বাড়িতে যাওয়ার আগে যথেষ্ট সময় লিটারের সাথে থেকে সামাজিক দক্ষতা শিখে নেওয়া উচিত।
| সূচক | মান |
|---|---|
| যৌন পরিপক্বতা | প্রায় ৬ থেকে ১২ মাস |
| প্রজননের উপযুক্ত বয়স | প্রায় ২ বছর |
| গর্ভধারণকাল | প্রায় ৬৩ দিন |
| গড় লিটারের আকার | ৩ থেকে ৬টি পাপি |
| দুধ ছাড়ানোর বয়স | ৭ থেকে ৮ সপ্তাহ |
ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুর ও তার মাইক্রোচিপ নিবন্ধন
United Pet Club-এ আপনার ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।
বাংলাদেশে ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুর নিবন্ধনের উপায়
বাংলাদেশে পোষা কুকুরের কোনো জাতীয় নিবন্ধন খাতা নেই, তাই হারিয়ে যাওয়া ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুর আর আপনার মাঝে সেতু গড়ার দায়িত্বটা আপনারই। United Pet Club-এর বিনামূল্যের প্রোফাইল আপনার ফোন নম্বর ও ঠিকানা কুকুরের পরিচয়ের সঙ্গে বেঁধে রাখে; ঢাকার ক্লিনিকে বা বিদেশের শেল্টারে স্ক্যান হলেই খোঁজ পৌঁছে যায় আপনার কাছে। কুকুর নিবন্ধন করুন।
ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের চামড়ার নিচের পনেরোটা সংখ্যা তখনই আপনার কাছে পৌঁছায় যখন কোনো খাতা সেটা বলে। United Pet Club-কে বিনামূল্যে বলতে দিন: নিবন্ধনের মেয়াদ ফুরায় না, সব ব্র্যান্ড চলে, আর তথ্য বদলানো সব সময় ফ্রি। আগে চিপ নিবন্ধন, পরে অ্যাকাউন্ট।
বাংলাদেশে আমার ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুর কীভাবে নিবন্ধন করব?
United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।
আমার ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের মাইক্রোচিপ কীভাবে নিবন্ধন করব?
পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।
বাংলাদেশে ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের জন্য চিপ কি বাধ্যতামূলক?
জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।
ওয়েলশ টেরিয়ার জাতের কুকুর নিবন্ধনে খরচ কত?
কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।
ওয়েলশ টেরিয়ার নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ওয়েলশ টেরিয়ারের আকার, স্বভাব, যত্নের চাহিদা, আয়ুষ্কাল আর পোষা প্রাণী হিসেবে উপযুক্ততা নিয়ে সাধারণ প্রশ্নোত্তর।
ওয়েলশ টেরিয়ার কতটা বড় হয়?
ওয়েলশ টেরিয়ার একটি ছোট আকারের কুকুর, কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা সর্বোচ্চ প্রায় ৩৯ সেমি (১৫.৫ ইঞ্চি) আর ওজন প্রায় ৯ থেকে ৯.৫ কেজি (২০ থেকে ২১ পাউন্ড)।
ওয়েলশ টেরিয়ারের স্বভাব কেমন?
এটি বন্ধুত্বপূর্ণ, প্রাণবন্ত, বুদ্ধিমান আর উদ্যমী। জাতটি পরিবারের প্রতি স্নেহপ্রবণ আর অপরিচিতদের প্রতি সজাগ, তবে ছোট প্রাণীর প্রতি এর টেরিয়ারসুলভ শিকারি প্রবৃত্তি প্রবল থেকে যায়।
ওয়েলশ টেরিয়ারের যত্ন নেওয়া কি কঠিন?
যত্নের মাত্রা মাঝারি। কুকুরটির প্রতিদিন ব্যায়াম, মানসিক উদ্দীপনা আর পশমের নিয়মিত যত্ন দরকার, যার মধ্যে তারের মতো পশমটি সঠিক অবস্থায় রাখতে বছরে কয়েকবার হ্যান্ড স্ট্রিপিংও রয়েছে।
ওয়েলশ টেরিয়ার কতদিন বাঁচে?
সাধারণ আয়ুষ্কাল ১২ থেকে ১৫ বছর, আর নিয়মিত পশুচিকিৎসা আর সুস্থ ওজন বজায় রাখলে জাতটি সাধারণত বেশ সুঠাম থাকে।
ওয়েলশ টেরিয়ার কি শিশু আর অন্যান্য পোষা প্রাণীর সাথে ভালো মানায়?
যেসব বড় শিশু একটি সক্রিয় কুকুরকে সামলাতে পারে, তাদের সাথে সাধারণত ভালো মানিয়ে নেয়। অন্য কুকুরের সাথে থাকতে পারে, তবে কিছুটা দাপুটে হতে পারে, আর এর শিকারি প্রবৃত্তির কারণে ইঁদুরজাতীয় প্রাণী বা খরগোশের মতো ছোট পোষা প্রাণীর ক্ষেত্রে নজরদারি প্রয়োজন।
ওয়েলশ টেরিয়ারের লোম কি বেশি ঝরে?
না। তারের মতো পশম থেকে লোম প্রায় ঝরেই না, যা কম লোম ঝরায় এমন কুকুর পছন্দ করা মানুষদের জন্য উপযোগী, তবে এর গঠন ঠিক রাখতে নিয়মিত ব্রাশ আর হ্যান্ড স্ট্রিপিং দরকার।
ওয়েলশ টেরিয়ারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া কি সহজ?
এরা বুদ্ধিমান আর দ্রুত শেখে, তবে কিছুটা স্বাধীনচেতা স্বভাবও রয়েছে। ছোটবেলা থেকে শুরু করা ধারাবাহিক, পুরস্কারভিত্তিক প্রশিক্ষণে সেরা ফল পাওয়া যায়।
From the community
Ask about the ওয়েলশ টেরিয়ারNo questions about the ওয়েলশ টেরিয়ার yet. Be the first to ask.
Browse Dog breeds










