
মিনিয়েচার শ্নাউজার একটি প্রাণবন্ত, বুদ্ধিমান জার্মান জাত, যা তার খসখসে দাড়ি, বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব এবং সতর্ক পাহারাদার প্রবৃত্তির জন্য প্রিয়।
মিনিয়েচার শ্নাউজার-এর লোম কীভাবে গঠিত এবং পরিচর্যায় তার মানে কী।
সতর্কতা: মিনিয়েচার শ্নাউজার-এর লোম মেশিনে না কেটে হাতে টেনে তোলা উচিত।
খসখসে লোম এমনভাবে তৈরি যে লোম পেকে আলগা হওয়ার মুখে এলে গোড়া থেকে টেনে তুলতে হয়। মেশিন তার বদলে মাঝখান থেকে কেটে দেয় আর নিচে নরম স্তর রেখে যায়। ফল হলো এমন লোম যা নেতিয়ে ও ফ্যাকাশে হয়ে গজায়, আর আবহাওয়া-প্রতিরোধী গড়ন নতুন করে টেনে তোলার পরেই ফেরে।
A few of the মিনিয়েচার শ্নাউজার profiles members have added to United Pet Club.
মিনিয়েচার শনাউজার একটি ছোট, প্রাণবন্ত জার্মান কুকুর, যার রুক্ষ লোম, ঘন দাড়ি-ভ্রু এবং সতর্ক, বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব সুপরিচিত।
মিনিয়েচার শনাউজার জার্মানিতে তৈরি একটি ছোট জাতের কুকুর, যা স্ট্যান্ডার্ড শনাউজারের ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছিল। এর রুক্ষ লোম, স্পষ্ট দাড়ি ও বাঁকা ভ্রু একে সহজে চেনা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক কুকুরের ওজন সাধারণত ৫-৯ কেজি এবং কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা ৩০-৩৬ সেমি হয়।
এই জাতটি বুদ্ধিমান ও সতর্ক, খামারে ইঁদুর তাড়ানোর কাজ থেকে পাওয়া প্রখর প্রহরী প্রবৃত্তি এখনও বজায় রেখেছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সহজে মিশে যায় এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। অচেনা শব্দ শুনলেই দ্রুত ঘেউ ঘেউ করে, যা একে কার্যকর সতর্কতাকারী কুকুরে পরিণত করে।
কম লোম ঝরা এবং ফ্ল্যাট বা বাড়ি উভয় পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার জন্য অনেকে এই জাত পছন্দ করেন। ছোট আকার, শেখার আগ্রহ ও প্রাণবন্ত স্বভাবের কারণে এটি বিশ্বের জনপ্রিয় ছোট জাতগুলোর একটি।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| উৎপত্তি | জার্মানি |
| আকার | ছোট (৫-৯ কেজি) |
| আয়ুষ্কাল | ১২-১৫ বছর |
| দল/ভূমিকা | খামারের ইঁদুর তাড়ানোর কুকুর ও সঙ্গী; কিছু সংস্থা টেরিয়ার গ্রুপে, কিছু ইউটিলিটি গ্রুপে রাখে |
| উপযোগী | পরিবার, শিশু ও সামাজিকীকরণ করা হলে অন্য কুকুরের সঙ্গে; ছোট প্রাণীর ক্ষেত্রে তদারকি প্রয়োজন |
এই জাত এমন মালিকদের জন্য উপযুক্ত, যারা ছোট, প্রশিক্ষণযোগ্য ও সতর্ক স্বভাবের কুকুর চান। নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক উদ্দীপনা পেলে এটি ফ্ল্যাট ও বাড়ি উভয় জায়গায় ভালো থাকে। শান্ত কুকুর চাইলে এই জাত কম উপযুক্ত, কারণ বাইরের কার্যকলাপে এরা সহজেই ঘেউ ঘেউ করে।
মিনিয়েচার শনাউজার জার্মানিতে ঊনবিংশ শতকের শেষে স্ট্যান্ডার্ড শনাউজার ও ছোট জাতের সংকরায়নে তৈরি খামারের ইঁদুর তাড়ানোর কুকুর।
দক্ষিণ জার্মানির খামারে রুক্ষ লোমের মাঝারি আকারের শনাউজার জাতীয় কুকুর দীর্ঘদিন ধরে ইঁদুর তাড়ানো ও পাহারার কাজ করত। জার্মান ভাষায় 'শনাউজার' শব্দের অর্থ থুতনি বা মুখ, যা এই কুকুরের দাড়িওয়ালা মুখের দিকে ইঙ্গিত করে।
ঊনবিংশ শতকের শেষ দিকে জার্মান প্রজননকারীরা এমন ছোট শনাউজার তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যা বাড়ির ভেতরে থেকেও ইঁদুর তাড়াতে পারবে। স্ট্যান্ডার্ড শনাউজারের সঙ্গে অ্যাফেনপিনশারসহ কিছু ছোট জাতের সংকরায়ন করা হয়েছিল।
১৮৯০-এর দশকের মধ্যেই জার্মানিতে মিনিয়েচার শনাউজারকে আলাদা জাত হিসেবে প্রদর্শন করা হতো। বিংশ শতকের গোড়ার দিকে এটি যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায় এবং ১৯২৬ সালে আমেরিকান কেনেল ক্লাব একে টেরিয়ার গ্রুপে স্বীকৃতি দেয়।
বিংশ শতক জুড়ে এই জাত খামারের কাজ ছেড়ে মূলত গৃহপালিত সঙ্গী কুকুরে পরিণত হয়। ছোট আকার, শেখার আগ্রহ ও কম লোম ঝরার গুণে এটি শহরাঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
মিনিয়েচার শনাউজার ছোট, চতুষ্কোণাকার দেহের কুকুর, রুক্ষ দ্বিস্তর লোম, স্পষ্ট দাড়ি-ভ্রু এবং মজবুত গড়নের অধিকারী।
মিনিয়েচার শনাউজারের দেহ প্রায় চতুষ্কোণাকার, অর্থাৎ শরীরের দৈর্ঘ্য কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতার প্রায় সমান। হাড়ের গঠন মজবুত, যা এর খামারের কাজের ঐতিহ্য বহন করে। মাথা আয়তাকার, শক্তিশালী মুখের চারপাশে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ দাড়ি এবং গাঢ় ডিম্বাকার চোখের ওপর বাঁকা ভ্রু থাকে। কান স্বাভাবিকভাবে ভাঁজ করা থাকতে পারে, কিছু দেশে কেটে সোজা করা হয়, যদিও এই প্রথা অনেক জায়গায় নিষিদ্ধ।
| বৈশিষ্ট্য | মান |
|---|---|
| উচ্চতা | ৩০-৩৬ সেমি (কাঁধ পর্যন্ত) |
| ওজন | ৫-৯ কেজি |
| লোম | রুক্ষ বাইরের স্তর ও নরম ভেতরের স্তরযুক্ত দ্বিস্তর লোম |
| রং | সল্ট অ্যান্ড পেপার, কালো-রূপালি, নিরেট কালো ও সাদা |
| চোখ | ছোট, ডিম্বাকার, গাঢ় বাদামি, ভেতরে বসানো |
বাইরের লোম শক্ত ও রুক্ষ, যা ময়লা ঝরাতে সাহায্য করে ও আবহাওয়া প্রতিরোধী করে তোলে। ভেতরের লোম নরম ও ঘন। সল্ট অ্যান্ড পেপার সবচেয়ে সাধারণ রং, হালকা ও গাঢ় লোমের মিশ্রণে তৈরি ধূসর প্যাটার্ন। কালো-রূপালি রঙে কালো শরীরের ওপর ভ্রু, মুখ, বুক ও পায়ে রূপালি চিহ্ন দেখা যায়। নিরেট কালো ও সাদা রংও স্বীকৃত, যদিও সব সংস্থা সাদা রং মেনে নেয় না। দেখানোর কুকুরদের সাধারণত হাতে-স্ট্রিপ করা হয়, আর পোষা কুকুরদের ক্লিপ করা হয়, যাতে সময়ের সঙ্গে লোম নরম হয়ে যায়।
মিনিয়েচার শনাউজার বন্ধুত্বপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও বুদ্ধিমান, পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কিন্তু অচেনাদের প্রতি সতর্ক ও ঘেউ ঘেউপ্রবণ।
মিনিয়েচার শনাউজার মিশুক ও প্রাণবন্ত কুকুর, যে পরিবারের দৈনন্দিন কাজে জড়িত থাকতে পছন্দ করে। দীর্ঘ সময় একা রাখলে এরা অস্বস্তি বোধ করে, তাই মনোযোগ ও কাজ পেলে ভালো সাড়া দেয়।
অচেনা মানুষের প্রতি এরা সতর্ক ও অনুসন্ধিৎসু। অতিথি বা অস্বাভাবিক শব্দে দ্রুত ঘেউ ঘেউ করে, তাই এই স্বভাব নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হয়।
শৈশবেই সামাজিকীকরণ করলে অন্য কুকুরের সঙ্গে সাধারণত মিলেমিশে থাকে। টেরিয়ার-সুলভ শিকারি প্রবৃত্তির কারণে ছোট পোষা প্রাণীর সঙ্গে পরিচয় করানোর সময় সতর্ক তদারকি দরকার।
| বৈশিষ্ট্য | রেটিং |
|---|---|
| স্নেহপ্রবণতা | ৪ |
| কর্মশক্তি | ৪ |
| প্রশিক্ষণযোগ্যতা | ৪ |
| ঘেউ ঘেউ প্রবণতা | ৪ |
| লোম ঝরা | ১ |
মিনিয়েচার শনাউজারের নিয়মিত লোমের যত্ন, প্রতিদিনের ব্যায়াম ও মানসিক উদ্দীপনা প্রয়োজন; ফ্ল্যাট ও বাড়ি উভয়ে মানিয়ে নেয়।
মিনিয়েচার শনাউজার ফ্ল্যাট ও বাড়ি উভয় পরিবেশে মানিয়ে নেয়, যদি ব্যায়ামের চাহিদা পূরণ হয়। দীর্ঘ সময় একা থাকলে এরা একঘেয়ে বা বেশি ঘেউ ঘেউপ্রবণ হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের গরম, আর্দ্র আবহাওয়া ও বর্ষাকালে লোম ও ত্বক ভেজা থাকার ঝুঁকি বাড়ে, তাই গোসলের পর ভালোভাবে শুকানো জরুরি।
মিনিয়েচার শনাউজারের জন্য পরিমাপ করা সুষম খাবার দরকার; অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ এড়াতে বেশি চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
মিনিয়েচার শনাউজারকে বয়স ও কর্মক্ষমতা অনুযায়ী সম্পূর্ণ ও সুষম খাবার দেওয়া উচিত। এই জাত সহজেই ওজন বাড়ায়, তাই খাবার মেপে দেওয়া এবং ট্রিটও দৈনিক ক্যালরির হিসাবে রাখা জরুরি। রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি হওয়ার প্রবণতা থাকায় কম চর্বিযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া এবং চর্বিযুক্ত টেবিল-খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।
| বয়সের ধাপ | দৈনিক পরিমাণ | বেলা |
|---|---|---|
| পাপি (২-৬ মাস) | ওজন অনুযায়ী প্যাকেটের নির্দেশ মেনে | ৩-৪ |
| জুনিয়র (৬-১২ মাস) | ওজন অনুযায়ী প্যাকেটের নির্দেশ মেনে | ২-৩ |
| প্রাপ্তবয়স্ক | প্রায় ৭০-১৩০ গ্রাম শুকনো খাবার | ২ |
| বয়স্ক | কর্মক্ষমতা অনুযায়ী কম ক্যালরি | ২ |
ট্রিট দৈনিক ক্যালরির প্রায় ১০ শতাংশের বেশি দেবেন না, এবং কম চর্বিযুক্ত ট্রিট বেছে নিন। সবসময় বিশুদ্ধ পানি রাখুন। সাধারণত সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক খাবার খেলে বাড়তি সাপ্লিমেন্ট লাগে না, তবে জয়েন্টের জন্য বা রক্তে চর্বি বেশি থাকলে পশুচিকিৎসক বিশেষ খাবার পরামর্শ দিতে পারেন।
মিনিয়েচার শনাউজার সাধারণত ১২-১৫ বছর বাঁচে; অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ, রক্তে চর্বি বেশি ও কিছু চোখ-মূত্রনালির সমস্যার প্রবণতা থাকে।
মিনিয়েচার শনাউজার সাধারণত সুস্থ ছোট জাত, আয়ুষ্কাল ১২ থেকে ১৫ বছর। অন্য সব জাতের মতো এরও কিছু বংশগত ও অর্জিত সমস্যা দেখা যায়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রজননকারীর কাছ থেকে কেনা এবং সুস্থ ওজন বজায় রাখলে অনেক ঝুঁকি কমে।
| সমস্যা | লক্ষণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ | বমি, পেটে ব্যথা, খাওয়ায় অনীহা, নিস্তেজতা | চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে যুক্ত; জরুরি চিকিৎসা দরকার |
| হাইপারলিপিডেমিয়া (রক্তে বেশি চর্বি) | প্রায়ই কোনো লক্ষণ থাকে না, রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে | এই জাতে সাধারণ; কম চর্বির খাবারে নিয়ন্ত্রণ হয় |
| মূত্রথলি ও কিডনির পাথর | প্রস্রাবে কষ্ট, রক্ত, ঘন ঘন প্রস্রাব | ঝুঁকি বেশি; খাদ্য ও পানি সাহায্য করে |
| চোখের রোগ (ছানি, প্রোগ্রেসিভ রেটিনাল অ্যাট্রফি) | চোখ ঘোলা, রাতে দেখতে অসুবিধা, জিনিসে ধাক্কা লাগা | প্রজনন কুকুরের পরীক্ষায় ঝুঁকি কমে |
| পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট | বৃদ্ধি কম, খাওয়ার পর বিভ্রান্তি, ওজন না বাড়া | জন্মগত লিভারের রক্তনালির ত্রুটি; কিছু বংশে দেখা যায় |
মিনিয়েচার শনাউজার বুদ্ধিমান ও শিখতে আগ্রহী; পুরস্কারভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণে ভালো সাড়া দেয় এবং ঘেউ ঘেউ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
মিনিয়েচার শনাউজার দ্রুত শেখে এবং হ্যান্ডলারের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করে, তাই ছোট জাতগুলোর মধ্যে এটি সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য। ওবিডিয়েন্স, ট্রিক এবং অ্যাজিলিটি বা সেন্ট ওয়ার্কের মতো খেলাও সহজে শেখে। একই বুদ্ধিমত্তার কারণে বিরক্ত কুকুর নিজের মতো দুষ্টুমি খুঁজে নেয়, তাই নিয়মিত প্রশিক্ষণ মনকে ব্যস্ত রাখে। ইঁদুর তাড়ানোর ঐতিহ্য থেকে পাওয়া স্বাধীনচেতা স্বভাব থাকায় জোরের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি কাজে দেয়।
মিনিয়েচার শনাউজার প্রায় ১৮ মাসে পূর্ণবয়স্ক হয়, গর্ভধারণ প্রায় ৬৩ দিন, এবং গড় বাচ্চার সংখ্যা তিন থেকে ছয়টি।
মিনিয়েচার শনাউজার ছয় থেকে বারো মাসের মধ্যে যৌন পরিপক্ব হয়, তবে দায়িত্বশীল প্রজননকারীরা শারীরিক ও আচরণগত পূর্ণতার জন্য সাধারণত ১৮-২৪ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। উভয় বাবা-মায়ের চোখসহ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এই জাতে প্রচলিত রীতি।
গর্ভধারণ প্রায় ৬৩ দিন স্থায়ী হয়। সাধারণত তিন থেকে ছয়টি বাচ্চা জন্ম নেয়, যদিও কম বা বেশি হতে পারে; স্বাভাবিকভাবে প্রসব হলেও পশুচিকিৎসক প্রস্তুত রাখা ভালো।
বাচ্চারা কানে শোনে না ও দেখতে পায় না, প্রায় ১০-১৪ দিনে চোখ খোলে। চার সপ্তাহ থেকে দুধ ছাড়ানো শুরু হয় এবং সাত-আট সপ্তাহে শেষ হয়। প্রথম কয়েক সপ্তাহে আলতো হাতে ধরা ও পরিচিতির অভিজ্ঞতা প্রাপ্তবয়স্ক স্বভাব গড়ে তোলে, তাই ভালো প্রজননকারীরা আট সপ্তাহ বা তার পরেই নতুন বাড়িতে পাঠান।
| মাপকাঠি | মান |
|---|---|
| যৌন পরিপক্বতা | ৬-১২ মাস |
| প্রজননের উপযুক্ত বয়স | ১৮-২৪ মাস |
| গর্ভধারণকাল | প্রায় ৬৩ দিন |
| গড় বাচ্চার সংখ্যা | ৩-৬টি |
| চোখ খোলে | ১০-১৪ দিনে |
| দুধ ছাড়ানো | প্রায় ৭-৮ সপ্তাহে |
| নতুন বাড়িতে পাঠানোর বয়স | ৮ সপ্তাহ বা তার পরে |
United Pet Club-এ আপনার মিনিয়েচার শ্নাউজার জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।
বাংলাদেশে পোষা কুকুরের কোনো জাতীয় নিবন্ধন খাতা নেই, তাই হারিয়ে যাওয়া মিনিয়েচার শ্নাউজার জাতের কুকুর আর আপনার মাঝে সেতু গড়ার দায়িত্বটা আপনারই। United Pet Club-এর বিনামূল্যের প্রোফাইল আপনার ফোন নম্বর ও ঠিকানা কুকুরের পরিচয়ের সঙ্গে বেঁধে রাখে; ঢাকার ক্লিনিকে বা বিদেশের শেল্টারে স্ক্যান হলেই খোঁজ পৌঁছে যায় আপনার কাছে। কুকুর নিবন্ধন করুন।
মিনিয়েচার শ্নাউজার জাতের কুকুরের চামড়ার নিচের পনেরোটা সংখ্যা তখনই আপনার কাছে পৌঁছায় যখন কোনো খাতা সেটা বলে। United Pet Club-কে বিনামূল্যে বলতে দিন: নিবন্ধনের মেয়াদ ফুরায় না, সব ব্র্যান্ড চলে, আর তথ্য বদলানো সব সময় ফ্রি। আগে চিপ নিবন্ধন, পরে অ্যাকাউন্ট।
United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, মিনিয়েচার শ্নাউজার জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।
পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।
জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।
কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।
মিনিয়েচার শনাউজারের আকার, স্বভাব, গ্রুমিং, আয়ুষ্কাল ও প্রাপ্যতা নিয়ে সাধারণ প্রশ্নের উত্তর।
এটি ছোট জাত, কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৩০-৩৬ সেমি এবং পূর্ণবয়স্ক ওজন ৫-৯ কেজি।
হ্যাঁ। এরা পরিবারের সঙ্গে স্নেহশীল এবং সাধারণত শিশুদের সঙ্গে খেলাপ্রিয়। অচেনাদের প্রতি সতর্ক থাকায় ভালো পাহারাদার, তবে ছোট পোষা প্রাণীর সঙ্গে তদারকি দরকার।
যত্ন মাঝারি মাত্রার। মূল দাবি লোমের, যা সপ্তাহে কয়েকবার ব্রাশ ও ছয়-আট সপ্তাহে ক্লিপ করতে হয়। প্রতিদিন ব্যায়াম দরকার হলেও লোম খুব কম ঝরে।
বেশিরভাগ ১২-১৫ বছর বাঁচে। সুস্থ ওজন, কম চর্বির খাবার ও নিয়মিত পশুচিকিৎসক পরীক্ষা দীর্ঘ জীবনে সাহায্য করে।
স্বভাবতই এরা সরব এবং শব্দ বা অতিথিতে দ্রুত সাড়া দেয়। প্রথম দিকে 'চুপ' নির্দেশসহ প্রশিক্ষণ দিলে ঘেউ ঘেউ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
হ্যাঁ, ব্যায়াম ও মানসিক চাহিদা পূরণ হলে ফ্ল্যাটে ভালো মানিয়ে নেয়। ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় সতর্ক ঘেউ ঘেউ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হতে পারে।
হ্যাঁ। জাতটি জনপ্রিয় ও অনেক দেশে সহজলভ্য, তবে ক্রেতাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রজননকারী বা জাত-নির্দিষ্ট রেসকিউ সংস্থা খোঁজা উচিত।