United Pet Club
কুভাস — a বড়, অনুরক্ত কুকুর breed originating in হাঙ্গেরি

কুভাস

কুভাজ একটি নিষ্ঠাবান, মর্যাদাপূর্ণ হাঙ্গেরিয়ান রক্ষক কুকুর, যা তার আনুগত্য, স্বাধীন চিন্তা এবং সাহসী রক্ষাকারী স্বভাবের জন্য পরিচিত।

Size
বড়
Lifespan
10–12 years
Origin
হাঙ্গেরি
Temperament
অনুরক্ত
Standard colors
সাদা এবং ক্রিম
Key Traits
অনুরক্তরক্ষণশীলবিশ্বস্তস্বাধীনচেতাসাহসী

Characteristics

Energy Level2
Trainability2
Good With Kids3
Good With Pets2
Grooming Needs2

Coat and grooming

How the কুভাস coat is built, and what that means when you groom it.

লোমের স্তর
দ্বিস্তর লোম
লোমের গড়ন
ঢেউখেলানো
লোমের দৈর্ঘ্য
মাঝারি
লোম ঝরা
মৌসুমি ঝরা

Grooming guidance

  • গুরুতর: A কুভাস should not be shaved.

    নিচের স্তর তাপ ঠিক ততটাই বাইরে রাখে যতটা ঠান্ডা, আর উপরের লোম চামড়াকে রোদ ও পোকার কামড় থেকে বাঁচায়। পুরো লোম ছেঁটে ফেললে দুটোই চলে যায়। প্রায়ই তা ছোপ ছোপ হয়ে, নরম বা অন্য রঙে ফিরে আসে, আর কিছু প্রাণীতে উপরের লোম আর কখনও ঠিকমতো ফেরে না। নিচের স্তর কেটে ফেলার বদলে ব্রাশ করে বের করুন।

  • সতর্কতা: A কুভাস coat mats easily.

    মিহি বা লম্বা লোম লোমের গোড়ায়, চোখের আড়ালে, জড়িয়ে যায়, যেখানে জট শক্ত হয়ে চামড়া টানে। ব্রাশ ভাগ ভাগ করে একেবারে গোড়া পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে, শুধু উপর দিয়ে চালালে হবে না।

  • তথ্য: A কুভাস drops its undercoat in heavy bursts.

    নিচের স্তর কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রবল দফায় বেরোয়। নিচের স্তরের রেক, বা গোসলের পরে ঠিকমতো বাতাসে শুকানো, রোজকার ব্রাশের চেয়ে অনেক দ্রুত তা সরায়। লোম ছোট করে ফেলা এর শর্টকাট নয়।

কুভাস colors and patterns

What each club's breed standard says about every কুভাস color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.

Breed standards describe the কুভাস in সাদা এবং ক্রিম. Standard patterns: একরঙা.

লোম: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
সাদামানসম্মত (“white”)মানসম্মত (“White”)মানসম্মত (“white, with no markings”)মানসম্মত (“pure white”)মানসম্মত (“white”)
ক্রিমমানসম্মত (“ivory colour is permitted”)স্বীকৃত নয়মানসম্মত (“ivory does occur, but is not preferred”)স্বীকৃত নয়মানসম্মত (“ivory colour is permitted”)
Patterns
একরঙামানসম্মতমানসম্মত (“white in color with no markings”)মানসম্মত (“white, with no markings”)মানসম্মত (“pure white”)মানসম্মত
চোখ: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
গাঢ় বাদামিমানসম্মত (“dark brown”)মানসম্মত (“dark brown, the darker the better”)মানসম্মত (“dark brown, the darker the better”)মানসম্মত (“dark, brown”)মানসম্মত (“dark brown”)
নাক: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKUSA
কালোমানসম্মত (“the black noseleather”)মানসম্মত (“nose large, black”)মানসম্মত (“the large, black nose”)মানসম্মত (“the black nose leather”)
গোলাপিঅযোগ্যকারী (“lack of pigment on nose leather”)No rulingNo rulingঅযোগ্যকারী (“lack of pigment on nose-leather”)

What the rulings mean

মানসম্মত
Described by the club's breed standard.
অযোগ্যকারী
The club's breed standard disqualifies an animal of this color or pattern.
স্বীকৃত নয়
The club does not accept this color or pattern for the breed.

Color changes

How a কুভাস's colors can change over its life.

  • সাদাchanges toরোন

    লোম · বয়সের সঙ্গে · from 2 weeks

  • কালোchanges toশীতের নাক

    নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back

  • কালোchanges toগোলাপি

    নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back

কুভাস সম্পর্কে

কুভাস একটি বড় হাঙ্গেরিয়ান পশুরক্ষী কুকুর, যেটি নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে এবং পরিবারের প্রতি গভীর আনুগত্য দেখায়। জায়গা ও স্পষ্ট দায়িত্ব দিতে পারেন এমন অভিজ্ঞ মালিকদের জন্য এটি উপযুক্ত।

কুভাস একটি বড় আকারের কর্মঠ কুকুর, যা হাঙ্গেরিতে গবাদি পশু ও সম্পত্তি পাহারা দেওয়ার জন্য গড়ে তোলা হয়েছিল। প্রাপ্তবয়স্ক কুভাসের কাঁধের উচ্চতা সাধারণত ২৬ থেকে ৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়, গায়ের রঙ খাঁটি সাদা এবং দুই স্তরের ঘন কোট থাকে। আকারে বড় হলেও এই জাতের গতি ও ক্ষিপ্রতা রীতিমতো অবাক করার মতো। রাখাল ছাড়া মাঠে পশুর পাল সামলানোর জন্য প্রজননের সময় থেকেই এই কুকুরকে নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তাই স্বাধীনচেতা মনোভাব ও সতর্ক দৃষ্টি তার চরিত্রের মূল অংশ।

নিজের পরিবারের সঙ্গে কুভাস স্নেহপ্রবণ ও স্থিতধী। যাদের সঙ্গে থাকে তাদের প্রতি গভীর সংযুক্তি গড়ে তোলে এবং সবসময় কোলে ওঠার বদলে দূর থেকে পাহারা দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অপরিচিতদের প্রতি সে সংরক্ষিত এবং সহজে আপন করে নেয় না, যা তার পাহারাদার অতীত থেকেই এসেছে। কাজ করার আগে ভাবে, শুধু নির্দেশ পেয়েছে বলেই মেনে নেয় না।

বড় পাহারাদার জাত সম্পর্কে ধারণা থাকা মালিকের জন্যই কুভাস উপযুক্ত। ঘুরে বেড়ানোর মতো জায়গা, করার মতো একটা কাজ এবং কুকুরছানা বয়স থেকেই ধারাবাহিক নিয়মকানুন থাকলে এই জাত সবচেয়ে ভালো থাকে। ঠিক পরিবেশে সে শান্ত ও অনুগত সঙ্গী হয়ে ওঠে। ভুল পরিবেশে তার আকার, তেজ এবং নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা সামলানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

কুভাস সম্পর্কে দ্রুত তথ্য
বৈশিষ্ট্যবিবরণ
উৎপত্তিস্থলহাঙ্গেরি
আকারবড়
আয়ুষ্কাল১০ থেকে ১২ বছর
দল/ভূমিকাকর্মঠ কুকুর, গবাদি পশু ও সম্পত্তির পাহারাদার
কাদের সঙ্গে ভালো মানায়নিজের পরিবার ও যেসব শিশুর সঙ্গে বড় হয়েছে তাদের সঙ্গে; অপরিচিতদের প্রতি সংরক্ষিত

কুভাস কাদের জন্য উপযুক্ত

আত্মবিশ্বাসী, সক্রিয় মালিক, যিনি প্রথম থেকেই সামাজিকীকরণ ও নিয়মিত প্রশিক্ষণে সময় দিতে পারবেন, তার জন্য এই জাত মানানসই। নিরাপদে বেড়া দেওয়া উঠান প্রায় অপরিহার্য শর্ত। ফ্ল্যাটে থাকা, প্রথমবার কুকুর পালন করা মানুষ, অথবা প্রতিটি অতিথির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ চাওয়া পরিবারের জন্য কুভাস উপযুক্ত নয়। যারা তাকে জায়গা, শৃঙ্খলা ও একটা উদ্দেশ্য দিতে পারেন, তারা বিনিময়ে পান গভীরভাবে অনুগত এক পাহারাদার।

ইতিহাস ও উৎপত্তি

কুভাস হাঙ্গেরির এক প্রাচীন পাহারাদার জাত, যা গবাদি পশু রক্ষা করত এবং পরবর্তী শতকে অভিজাত পরিবারের সঙ্গেও থেকেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পথ থেকে সতর্ক প্রজননে ফিরে আসে।

হাঙ্গেরির সবচেয়ে প্রাচীন কুকুরের জাতগুলোর মধ্যে কুভাস অন্যতম। এক হাজার বছরেরও বেশি আগে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কার্পেথিয়ান অববাহিকায় আসা বড় পাহারাদার কুকুরদের মধ্যেই এর পূর্বপুরুষদের খোঁজ পাওয়া যায়। এই ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় জুড়ে এই জাত মেষপালের পাহারাদার হিসেবে কাজ করেছে, পালের সঙ্গে থেকে শিকারি প্রাণী ও চোরের হাত থেকে তাদের রক্ষা করেছে।

মধ্যযুগের শেষ দিকে কুভাস হাঙ্গেরির অভিজাত সমাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে। রাজদরবার ও বড় জমিদারিতে একে রাখা হতো, পাহারাদার হিসেবে এবং বড় শিকারের সঙ্গী হিসেবেও এর কদর ছিল। সাদা রঙের কোট রাখালদের রাতের বেলা কুকুরকে শিকারি প্রাণী থেকে আলাদা করে চিনতে সাহায্য করত, আর এই বাস্তব প্রয়োজনই সময়ের সঙ্গে জাতের চেহারা গড়ে তুলেছে।

বড় জমিদারি প্রথা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কুভাস হাঙ্গেরির গ্রামাঞ্চলে আবার তার পুরনো ভূমিকায়, অর্থাৎ খামার ও পালের পাহারাদার হিসেবে ফিরে যায়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আনুষ্ঠানিক জাত মানদণ্ড তৈরি হয়, যা আজকের পরিচিত রূপটি স্থির করতে সাহায্য করেছে।

দুটি বিশ্বযুদ্ধ এই জাতের জন্য প্রায় বিপর্যয় ডেকে আনে। সংখ্যা তীব্রভাবে কমে যায়, এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় হাঙ্গেরিতে অল্প কিছু কুকুরই টিকে ছিল বলে জানা যায়। নিবেদিতপ্রাণ প্রজননকারীরা সেই বেঁচে থাকা কুকুরগুলো থেকেই আবার জনসংখ্যা গড়ে তোলেন। হাঙ্গেরির বাইরে কুভাস এখনও বিরল, তবে বেশ কয়েকটি দেশে কর্মঠ ও সঙ্গী কুকুর হিসেবে একে পালা হয়।

বাহ্যিক গঠন

কুভাস বড় আকারের, মজবুত গড়নের সাদা কুকুর, ঘন দুই স্তরের কোট, গাঢ় বাদামি চোখ এবং শক্তিশালী অথচ ক্ষিপ্র শরীর নিয়ে গঠিত। কোটের রঙ সবসময় সাদা, খাঁটি সাদা থেকে হাতির দাঁতের রঙ পর্যন্ত হতে পারে।

কুভাস একটি বড়, সুগঠিত পেশিবহুল কুকুর, যা ভারী শরীরের চেয়ে সহনশীলতার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। শরীর উচ্চতার তুলনায় সামান্য লম্বা, বুক গভীর, এবং পা শক্তিশালী ও সোজা। আকারে বড় হওয়া সত্ত্বেও এই জাত হালকা, মুক্ত চলনে দ্রুত পথ পাড়ি দিতে পারে। মাথার গঠন কীলকাকৃতি এবং এটিকে এই জাতের সবচেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি ধরা হয়, সঙ্গে থাকে কালো নাক ও গাঢ়, ভাবপ্রবণ চোখ।

জাত মানদণ্ড এক নজরে
বৈশিষ্ট্যমানদণ্ড
উচ্চতাপুরুষ কুকুর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ ইঞ্চি; স্ত্রী কুকুর প্রায় ২৬ থেকে ২৮ ইঞ্চি
ওজনপুরুষ কুকুর প্রায় ১০০ থেকে ১১৫ পাউন্ড; স্ত্রী কুকুর প্রায় ৭০ থেকে ৯০ পাউন্ড
কোটঘন দুই স্তরের কোট, মাঝারি দৈর্ঘ্যের, ঢেউখেলানো থেকে মোটামুটি সোজা পর্যন্ত
রঙসাদা, খাঁটি সাদা থেকে হাতির দাঁতের রঙ পর্যন্ত
চোখবাদামাকৃতি, গাঢ় বাদামি

কোট ও রঙ

কুভাসের গায়ে থাকে আবহাওয়া প্রতিরোধী দুই স্তরের কোট। বাইরের রুক্ষ স্তর ময়লা ও আর্দ্রতা ঝেড়ে ফেলে, আর ভেতরের নরম আন্ডারকোট ঠান্ডা ও গরম, দুই আবহাওয়াতেই কুকুরকে উত্তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। শরীরের বিভিন্ন অংশে কোটের দৈর্ঘ্য আলাদা, মাথা ও পায়ের সামনের দিকে চুল ছোট, আর গলার চারপাশে ঝালরের মতো লম্বা চুল এবং পেছনের পা ও লেজে পালকের মতো চুল দেখা যায়। একমাত্র গ্রহণযোগ্য রঙ সাদা, যদিও নিচের চামড়া গাঢ় রঙের এবং নাক, ঠোঁট ও চোখের চারপাশ কালো।

স্বভাব

কুভাস পরিবারের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ও রক্ষণশীল, চিন্তাভাবনায় স্বাধীন এবং স্বভাবতই অপরিচিতদের প্রতি সংরক্ষিত। সহজ-সরল পোষ্যের বদলে এ একজন গম্ভীর পাহারাদার।

কুভাস অনুগত, সাহসী এবং নিজের পরিবারের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। পরিবারের মধ্যে সে মৃদুস্বভাবী ও ধৈর্যশীল, এবং যেসব শিশুর সঙ্গে বড় হয়েছে তাদের প্রতি সাধারণত সতর্ক ও সহনশীল থাকে। বাড়ির ভেতরে সে সাধারণত চুপচাপ থাকে, খেলা বা মনোযোগ দাবি করার বদলে পরিবারের ওপর নজর রাখে।

অপরিচিতদের প্রতি কুভাস সতর্ক থাকে এবং নতুন মানুষকে সহজে আপন করে নেয় না। এটি স্বাভাবিক পাহারাদার আচরণ, কোনো ত্রুটি নয়, তবে এর মানে হলো অতিথিদের শান্তভাবে এবং কুকুরের নিজের সময় অনুযায়ী পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। শুরু থেকেই এবং ধারাবাহিকভাবে সামাজিকীকরণ জরুরি, যাতে কুকুরটি প্রকৃত বিপদ ও সাধারণ দৈনন্দিন ঘটনার পার্থক্য বুঝতে শেখে।

এই জাত স্বভাবতই স্বাধীনচেতা। শতাব্দীর পর শতাব্দী একা মেষপাল সামলানোর কাজ থেকেই এমন একটি কুকুর তৈরি হয়েছে, যে পরিস্থিতি বিচার করে নিজের বিবেচনায় কাজ করে। এই গুণ কুভাসকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলে, কিন্তু এর মানে এই নয় যে সে চোখ বুজে নির্দেশ মেনে চলবে। অন্যান্য কুকুর ও পোষ্যের সঙ্গে একসঙ্গে বড় হলে সে ভালোভাবেই মানিয়ে নিতে পারে, যদিও সমলিঙ্গের কুকুরের প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ এবং সম্ভাব্য অনুপ্রবেশকারী মনে হলে প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, বিশেষ করে বন্ধ্যাকরণ না করা প্রাপ্তবয়স্ক কুকুরের ক্ষেত্রে।

বৈশিষ্ট্যের রেটিং (১ = কম, ৫ = বেশি)
বৈশিষ্ট্যরেটিং
স্নেহ (পরিবারের প্রতি)৪
শক্তি/কর্মচাঞ্চল্য৩
প্রশিক্ষণযোগ্যতা৩
ডাকাডাকির প্রবণতা৩
লোম ঝরা৪

পরিচর্যা ও গ্রুমিং

কুভাসের ভারী দুই স্তরের কোটের জন্য নিয়মিত ব্রাশ, প্রতিদিন ব্যায়াম ও ঘোরাফেরার জায়গা এবং নিরাপদে বেড়া দেওয়া পরিবেশ দরকার। এটি মাঝারি পরিচর্যার জাত, তবে নির্দিষ্ট মৌসুমে প্রচুর লোম ঝরে।

কুভাস একটি শক্তসমর্থ, বাইরে থাকতে সক্ষম জাত, তবে সুস্থ ও সুশৃঙ্খল থাকতে তার এখনও নিয়মিত গ্রুমিং, ব্যায়াম এবং উপযুক্ত থাকার ব্যবস্থা প্রয়োজন।

গ্রুমিং

  • সপ্তাহে এক থেকে তিনবার কোট ব্রাশ করুন, যাতে ঝরে যাওয়া লোম সরে যায় এবং জট না বাঁধে।
  • বসন্ত ও শরৎ, এই দুই প্রধান লোম ঝরার মৌসুমে প্রতিদিন ব্রাশ করুন।
  • প্রয়োজন হলেই কেবল গোসল করান, কারণ কোট মূলত নিজে থেকেই পরিষ্কার থাকে এবং ঘনঘন গোসলে প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়।
  • কয়েক সপ্তাহ পরপর নখ পরীক্ষা করে ছেঁটে দিন এবং জমা আটকাতে নিয়মিত কান পরিষ্কার করুন।
  • দাঁতের সুস্থতার জন্য সপ্তাহে কয়েকবার দাঁত ব্রাশ করুন।

ব্যায়াম

  • হাঁটা, নিরাপদ জায়গায় মুক্তভাবে দৌড়ানো এবং পাহারা দেওয়ার সময়সহ প্রতিদিন অন্তত ৬০ থেকে ৯০ মিনিট কার্যকলাপ দিন।
  • একটা কাজ বা সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দিন, কারণ অলস পাহারাদার কুকুর ধ্বংসাত্মক বা অতিরিক্ত এলাকা-সচেতন হয়ে উঠতে পারে।
  • প্রথম বছরে জোড়ের হাড় তৈরি হতে থাকা অবস্থায় কঠোর, পুনরাবৃত্তিমূলক ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।
  • বাইরে জনসমক্ষে কুকুরকে লিডে বা বেড়া দেওয়া জায়গায় রাখুন, কারণ তার পাহারাদার প্রবৃত্তি ও স্বাধীনচেতা মনোভাব ডাক শোনার প্রবণতাকে ছাপিয়ে যেতে পারে।

পরিবেশ

কুভাস সবচেয়ে ভালো থাকে একটি বাড়িতে এবং বড়, নিরাপদে বেড়া দেওয়া উঠানে, যেখানে সে চলাফেরা করতে ও নজর রাখতে পারে। দুই স্তরের কোটের কারণে ঠান্ডা আবহাওয়া সে ভালোভাবেই সহ্য করতে পারে, তবে বাংলাদেশের মতো গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ছায়া ও পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা রাখা জরুরি। ফ্ল্যাটবাড়ি বা দীর্ঘ সময় জায়গা ও কাজ ছাড়া একা রেখে দেওয়া তার জন্য উপযুক্ত নয়। পাহারা দেওয়ার সময় এই জাত ডাকাডাকি করতে পারে, তাই প্রতিবেশী ও আশপাশের পরিবেশের কথা মাথায় রাখা দরকার।

পুষ্টি ও খাদ্য

কুভাসের শরীরের গঠন ঠিক রাখতে এবং দ্রুত বৃদ্ধি এড়াতে সম্পূর্ণ বড়-জাতের খাবার মেপে ভাগ করে খাওয়াতে হয়। প্রাপ্তবয়স্ক কুকুর সাধারণত দিনে দুই বেলায় ভাগ করা খাবার খায়।

কুভাসকে বড় জাতের জন্য তৈরি সম্পূর্ণ, সুষম খাবার দিন। কুকুরছানাদের এমন বড়-জাতের পাপি ফর্মুলা দেওয়া উচিত, যা ধীরে ও স্থিরভাবে বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, এতে গঠনরত জোড়ের সুরক্ষা মেলে। এই জাত বড় ও গভীর বুকের হওয়ায় খাবার একবারে বড় পরিমাণে না দিয়ে মেপে ভাগ করে দেওয়া উচিত। বয়স, ওজন ও কার্যকলাপের ওপর নির্ভর করে সঠিক পরিমাণ পাল্টায়, তাই নিচের সংখ্যাগুলো কেবল সাধারণ নির্দেশনা।

সাধারণ খাদ্য নির্দেশিকা
জীবনপর্যায়দৈনিক পরিমাণবেলা
কুকুরছানা (২ থেকে ৬ মাস)প্রায় ৩ থেকে ৫ কাপ, বৃদ্ধি ও ব্র্যান্ড অনুযায়ী৩ থেকে ৪
কুকুরছানা (৬ থেকে ১২ মাস)প্রায় ৪ থেকে ৬ কাপ২ থেকে ৩
প্রাপ্তবয়স্কপ্রায় ৪ থেকে ৬ কাপ২
বয়স্ক / কম সক্রিয়কম চাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ কমান২

ট্রিট ও সাপ্লিমেন্ট

দৈনিক ক্যালোরির প্রায় দশ শতাংশের বেশি ট্রিট থেকে না আসুক, যাতে কুকুরের অতিরিক্ত ওজন না বাড়ে। সবসময় বিশুদ্ধ পানি সামনে রাখা উচিত। বড় জাতের অনেক মালিক দিনে দুই বেলা খাওয়ান এবং খাওয়ার ঠিক আগে-পরে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলেন, কারণ গভীর বুকের কুকুরের ব্লোট হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। জোড়, কোট বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কোনো সাপ্লিমেন্ট নিজে থেকে যোগ না করে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্বাস্থ্য

কুভাস সাধারণত সুস্থ থাকে এবং আয়ু ১০ থেকে ১২ বছর, তবে বড় জাত হিসেবে জোড়, চোখ ও ব্লোট সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে। দায়িত্বশীল স্ক্রিনিং ও প্রতিরোধমূলক যত্নে ঝুঁকি কমে।

কুভাস একটি মজবুত কর্মঠ জাত, যা প্রায়ই বার্ধক্য পর্যন্ত সুস্থ থাকে। এর স্বাভাবিক আয়ু ১০ থেকে ১২ বছর। বেশিরভাগ বড় কুকুরের মতোই, মূল স্বাস্থ্য উদ্বেগগুলো জোড়, পরিপাকতন্ত্র এবং কয়েকটি বংশগত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। যেসব প্রজননকারী তাদের কুকুরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান, তাদের কাছ থেকে কেনা হলে বংশগত সমস্যা পরের প্রজন্মে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।

এই জাতে মাঝেমধ্যে দেখা যাওয়া সমস্যা
সমস্যালক্ষণমন্তব্য
হিপ ডিসপ্লেসিয়াশক্ত হয়ে যাওয়া, খোঁড়ানো, উঠতে কষ্টপ্রজননকারী কুকুরের স্ক্রিনিং হার কমাতে সাহায্য করে
এলবো ডিসপ্লেসিয়াসামনের পায়ে খোঁড়ানো, ব্যায়ামে অনীহাদ্রুত বেড়ে ওঠা বড় জাতে বেশি দেখা যায়
ব্লোট (গ্যাস্ট্রিক ডাইলেটেশন-ভলভুলাস)পেট ফুলে যাওয়া, কিছু না বের হয়ে বমির চেষ্টা, কষ্ট পাওয়াজরুরি চিকিৎসা অবস্থা; সঙ্গে সঙ্গে পশু চিকিৎসকের কাছে নিন
অস্টিওকন্ড্রাইটিস ডিসেকান্স (ওসিডি)অল্পবয়সী কুকুরে জোড়ে খোঁড়ানোদ্রুত বৃদ্ধি ও কুকুরছানাকে বেশি খাওয়ানোর সঙ্গে যুক্ত
প্রোগ্রেসিভ রেটিনাল অ্যাট্রফিরাতকানা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়াবংশগত চোখের রোগ; চোখ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হয়

প্রতিরোধমূলক যত্ন

  • নিয়মিত পশু চিকিৎসকের পরীক্ষা ও টিকা চালিয়ে যান।
  • জোড়ের ওপর চাপ কমাতে সুস্থ ওজন বজায় রাখুন।
  • মেপে খাবার দিন এবং খাওয়ার আশপাশে কঠোর ব্যায়াম সীমিত করুন, যাতে ব্লোটের ঝুঁকি কমে।
  • হিপ, এলবো ও চোখ পরীক্ষা করা বাবা-মায়ের কুকুরছানা বেছে নিন।
  • পরজীবী প্রতিরোধ হালনাগাদ রাখুন এবং দাঁত, কান ও নখের যত্ন নিন।

প্রশিক্ষণ

কুভাস বুদ্ধিমান কিন্তু স্বাধীনচেতা, তাই প্রশিক্ষণে জোরজবরদস্তির বদলে ধৈর্য, ধারাবাহিকতা ও সম্মান দরকার। এই পাহারাদার জাতের জন্য শুরু থেকে সামাজিকীকরণ ও স্পষ্ট সীমারেখা অপরিহার্য।

কুভাস একটি বুদ্ধিমান কুকুর, যাকে নিজে থেকে চিন্তা করার জন্যই গড়ে তোলা হয়েছে, আর এটাই তার প্রশিক্ষণের ধরন ঠিক করে দেয়। সে দ্রুত শেখে, কিন্তু অর্থহীন মনে হওয়া নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলে, এবং কঠোর বা একঘেয়ে অনুশীলনে ভালো সাড়া দেয় না। লক্ষ্য হওয়া উচিত বিশ্বাস ও স্পষ্ট নিয়মের ওপর গড়ে ওঠা একটি কর্মসম্পর্ক। যে মালিক শান্ত, ন্যায্য ও ধারাবাহিক থাকেন তিনি কুকুরের সহযোগিতা পান; জোর খাটানো মালিক সাধারণত বাধার মুখে পড়েন। কুকুরছানা বয়সেই, যখন সে ছোট ও প্রভাবিত হওয়ার মতো অবস্থায় থাকে, তখন থেকেই প্রশিক্ষণ ও সামাজিকীকরণ শুরু করুন।

মূল বিষয়সমূহ

  1. কুকুরছানাকে অনেক মানুষ, জায়গা, শব্দ ও অন্য প্রাণীর সংস্পর্শে এনে শুরু থেকেই ব্যাপকভাবে সামাজিকীকরণ করান।
  2. প্রথম দিন থেকেই ঘরের নিয়ম ও সীমারেখা ঠিক করুন এবং পুরো পরিবারে তা একইভাবে বজায় রাখুন।
  3. মূল বাধ্যতা শেখান: নাম শুনে সাড়া দেওয়া, বসা, শোয়া, থামা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে ডাকলে ফিরে আসা।
  4. শান্তভাবে অভ্যর্থনা জানানোর অভ্যাস করান, যাতে কুকুর অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে অতিথিদের মেনে নিতে শেখে।
  5. স্বাধীনচেতা এই কুকুরের মনোযোগ ধরে রাখতে সেশনগুলো ছোট, বৈচিত্র্যময় ও ইতিবাচক রাখুন।
  6. পাহারা দেওয়ার প্রবৃত্তিকে পুরোপুরি দমন করার বদলে গ্রহণযোগ্য আচরণে পরিচালিত করুন।

প্রজনন

বড় জাত হিসেবে কুভাস ধীরে প্রজননক্ষম বয়সে পৌঁছায়, প্রায় দুই মাসের গর্ভাবস্থার পর বেশ কয়েকটি কুকুরছানার জন্ম দেয়, এবং বাবা-মা উভয়ের স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং করা হলে উপকার মেলে।

বড় জাতের মতোই কুভাসও ধীরে পরিণত হয়, এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে পূর্ণ পরিণত না হওয়া পর্যন্ত, সাধারণত প্রায় দুই বছর বয়সের আগে, একে প্রজননে ব্যবহার করা হয় না। দায়িত্বশীল প্রজনন শুরু হয় বাবা-মা উভয়ের হিপ, এলবো ও চোখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সুস্থ স্বভাব যাচাই দিয়ে, কারণ এই জাতের পাহারাদার স্বভাব আংশিকভাবে বংশগত।

স্ত্রী কুকুরের গর্ভাবস্থা চলে প্রায় ৬৩ দিন। সাধারণত এক লিটারে ছয় থেকে আটটি কুকুরছানা জন্ম নেয়, যদিও সংখ্যা কমবেশি হতে পারে। এই জাত বড় ও সুরক্ষামূলক হওয়ায় মা কুকুরের জন্য শান্ত, নিরাপদ প্রসবস্থান দরকার, যেখানে সে নিরাপদ বোধ করে। কুকুরছানারা একেবারে অসহায় অবস্থায় জন্মায় এবং প্রথম কয়েক সপ্তাহ সম্পূর্ণভাবে মায়ের ওপর নির্ভরশীল থাকে।

কুভাস কুকুরছানাকে ভালোভাবে বড় করতে হলে শুরু থেকেই হাতে ধরে অভ্যস্ত করা ও নানা কিছুর সংস্পর্শে আনা জরুরি। প্রায় তিন থেকে ষোলো সপ্তাহ বয়সের মধ্যবর্তী সময়টি সামাজিকীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে মানুষ, ঘরোয়া শব্দ এবং অন্য প্রাণীর সঙ্গে মৃদু পরিচয় করানো প্রাপ্তবয়স্ক পাহারাদার হিসেবে সে কতটা স্থিতিশীল ও সামলানোর যোগ্য হবে তা অনেকাংশে ঠিক করে দেয়। কুকুরছানারা সাধারণত প্রায় আট সপ্তাহ বয়সের পর নতুন বাড়িতে যায়, ততদিনে তাদের দুধ ছাড়ানো এবং সামাজিকীকরণের শুরুটা ভালোভাবে হয়ে যাওয়া উচিত।

প্রজনন সংক্রান্ত তথ্য
মাপকাঠিমান
প্রজননক্ষম বয়সপ্রায় ২ বছর
গর্ভাবস্থার মেয়াদপ্রায় ৬৩ দিন
সাধারণ লিটার আকারপ্রায় ৬ থেকে ৮টি কুকুরছানা
দুধ ছাড়ানোর বয়সপ্রায় ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ
সামাজিকীকরণের সময়কালপ্রায় ৩ থেকে ১৬ সপ্তাহ

কুভাস জাতের কুকুর ও তার মাইক্রোচিপ নিবন্ধন

United Pet Club-এ আপনার কুভাস জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।

বাংলাদেশে কুভাস জাতের কুকুর নিবন্ধনের উপায়

যে কুকুরের রেকর্ড আছে, সে এক ফোনেই ঘরে ফেরে। আপনার কুভাস জাতের কুকুরের রেকর্ডটা বিনামূল্যে গড়ে নিন: ছবি, তথ্য আর আপনার নম্বর, এমন প্রোফাইলে যা সারা জীবন টিকে থাকে আর কখনো এক টাকাও চায় না। নিবন্ধন একবারের কাজ।

কুভাস জাতের কুকুরের চামড়ার নিচের পনেরোটা সংখ্যা তখনই আপনার কাছে পৌঁছায় যখন কোনো খাতা সেটা বলে। United Pet Club-কে বিনামূল্যে বলতে দিন: নিবন্ধনের মেয়াদ ফুরায় না, সব ব্র্যান্ড চলে, আর তথ্য বদলানো সব সময় ফ্রি। আগে চিপ নিবন্ধন, পরে অ্যাকাউন্ট।

বাংলাদেশে আমার কুভাস জাতের কুকুর কীভাবে নিবন্ধন করব?

United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, কুভাস জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।

আমার কুভাস জাতের কুকুরের মাইক্রোচিপ কীভাবে নিবন্ধন করব?

পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।

বাংলাদেশে কুভাস জাতের কুকুরের জন্য চিপ কি বাধ্যতামূলক?

জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।

কুভাস জাতের কুকুর নিবন্ধনে খরচ কত?

কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

কুভাস সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্নগুলোতে থাকে এর আকার, স্বভাব, পরিচর্যার চাহিদা, আয়ুষ্কাল, পোষ্য হিসেবে উপযুক্ততা এবং কতটা সহজে এটি খুঁজে পাওয়া যায়, সে বিষয়গুলো।

কুভাস কতটা বড় হয়?

এটি একটি বড় জাত। পুরুষ কুকুরের উচ্চতা প্রায় ২৮ থেকে ৩০ ইঞ্চি এবং ওজন প্রায় ১০০ থেকে ১১৫ পাউন্ড, আর স্ত্রী কুকুরের উচ্চতা প্রায় ২৬ থেকে ২৮ ইঞ্চি এবং ওজন প্রায় ৭০ থেকে ৯০ পাউন্ড।

কুভাসের সঙ্গে থাকা কেমন অভিজ্ঞতা?

নিজের পরিবারের প্রতি সে নিবেদিতপ্রাণ ও কোমল, স্বভাবতই সুরক্ষামূলক এবং অপরিচিতদের প্রতি সংরক্ষিত। সে স্বাধীনচেতা এবং নিজে থেকে চিন্তা করে, তাই এটি সহজ-সরল সঙ্গীর বদলে একজন গম্ভীর পাহারাদার।

কুভাসের পরিচর্যা কি কঠিন?

এটি মাঝারি থেকে চাহিদাসম্পন্ন। দুই স্তরের কোটে নিয়মিত ব্রাশ দরকার এবং নির্দিষ্ট মৌসুমে প্রচুর লোম ঝরে, কুকুরটির প্রতিদিন ব্যায়াম ও জায়গা দরকার, আর তার স্বাধীনচেতা পাহারাদার প্রবৃত্তির জন্য শুরু থেকেই সামাজিকীকরণ ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।

কুভাস কতদিন বাঁচে?

বেশিরভাগ কুভাস প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর বাঁচে, যা একটি বড় জাতের জন্য স্বাভাবিক।

কুভাস কি ভালো পারিবারিক কুকুর?

জায়গা ও নিরাপদে বেড়া দেওয়া উঠান থাকা অভিজ্ঞ মালিকদের জন্য এটি চমৎকার পারিবারিক পাহারাদার হতে পারে। যেসব শিশুর সঙ্গে বড় হয়েছে তাদের প্রতি সে সাধারণত সতর্ক থাকে, তবে প্রথমবার কুকুর পালনকারী বা প্রতিটি অতিথির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ চাওয়া পরিবারের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।

কুভাস কুকুর কি সহজে পাওয়া যায়?

হাঙ্গেরির বাইরে এই জাত বিরল। ভালো বংশের কুকুরছানা খুঁজতে সাধারণত বাংলাদেশ কেনেল ক্লাব বা এফসিআই-অনুমোদিত সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্রিড ক্লাব ও নিবেদিতপ্রাণ প্রজননকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, এবং অপেক্ষা করার বা ভ্রমণ করার প্রস্তুতি রাখতে হয়।

No questions about the কুভাস yet. Be the first to ask.

Browse Dog breeds