United Pet Club
আইরিশ টেরিয়ার — a মাঝারি, প্রাণবন্ত কুকুর breed originating in আয়ারল্যান্ড

আইরিশ টেরিয়ার

আইরিশ টেরিয়ার একটি অগ্নিময়, সাহসী জাত, যা টেরিয়ারদের দুঃসাহসী হিসেবে পরিচিত, এবং তার পরিবারের প্রতি প্রবলভাবে অনুগত ও সাহসী-হৃদয়।

Size
মাঝারি
Lifespan
13–15 years
Origin
আয়ারল্যান্ড
Temperament
প্রাণবন্ত
Standard colors
লাল, মরিচা এবং গমরঙা
Key Traits
প্রাণবন্তসাহসীবিশ্বস্তবুদ্ধিমানআত্মবিশ্বাসী

Characteristics

Energy Level4
Trainability4
Good With Kids3
Good With Pets4
Grooming Needs4

Coat and grooming

How the আইরিশ টেরিয়ার coat is built, and what that means when you groom it.

লোমের স্তর
দ্বিস্তর লোম
লোমের গড়ন
খসখসে
লোমের দৈর্ঘ্য
মাঝারি
লোম ঝরা
কম ঝরা

Grooming guidance

  • সতর্কতা: A আইরিশ টেরিয়ার coat should be hand-stripped rather than clipped.

    খসখসে লোম এমনভাবে তৈরি যে লোম পেকে আলগা হওয়ার মুখে এলে গোড়া থেকে টেনে তুলতে হয়। মেশিন তার বদলে মাঝখান থেকে কেটে দেয় আর নিচে নরম স্তর রেখে যায়। ফল হলো এমন লোম যা নেতিয়ে ও ফ্যাকাশে হয়ে গজায়, আর আবহাওয়া-প্রতিরোধী গড়ন নতুন করে টেনে তোলার পরেই ফেরে।

আইরিশ টেরিয়ার colors and patterns

What each club's breed standard says about every আইরিশ টেরিয়ার color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.

Breed standards describe the আইরিশ টেরিয়ার in লাল, মরিচা এবং গমরঙা. Standard patterns: একরঙা এবং সেবল.

লোম: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
লালমানসম্মত (“red ... or yellow-red”)মানসম্মত (“Red”)মানসম্মত (“Red ... or yellow-red”)মানসম্মত (“red ... to yellow/red”)মানসম্মত (“red ... or yellow/red”)
মরিচাঅযোগ্যকারীস্বীকৃত নয়স্বীকৃত নয়মানসম্মত (“Rust”)স্বীকৃত নয়
গমরঙামানসম্মত (“red-wheaten”)মানসম্মত (“Wheaten”)মানসম্মত (“red wheaten”)মানসম্মত (“red/wheaten”)মানসম্মত (“red/wheaten”)
অ্যালবিনোঅযোগ্যকারীস্বীকৃত নয়অযোগ্যকারী (“Albinism”)স্বীকৃত নয়স্বীকৃত নয়
Patterns
একরঙামানসম্মত (“whole coloured”)মানসম্মত (“whole-colored”)মানসম্মত (“whole-colored (of one color)”)মানসম্মত (“Whole-coloured”)মানসম্মত (“Whole-coloured”)
সেবলNo rulingমানসম্মত (“Puppies sometimes have black hair at birth, which should disappear”)No rulingত্রুটি (“Black shading highly undesirable”)ত্রুটি (“Black shading highly undesirable”)
চোখ: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
গাঢ় বাদামিমানসম্মত (“Should be dark in colour”)মানসম্মত (“Dark brown in color”)মানসম্মত (“dark brown in color”)মানসম্মত (“Dark”)মানসম্মত (“Dark”)
হালকা বাদামিত্রুটি (“A yellow or light eye is most objectionable”)ত্রুটি (“The light or yellow eye is most objectionable, and is a bad fault”)ত্রুটি (“Light or yellow eyes”)ত্রুটি (“A light or yellow eye undesirable”)ত্রুটি (“A light or yellow eye undesirable”)
হলুদত্রুটি (“A yellow or light eye is most objectionable”)ত্রুটি (“The light or yellow eye is most objectionable, and is a bad fault”)ত্রুটি (“Light or yellow eyes”)ত্রুটি (“A light or yellow eye undesirable”)ত্রুটি (“A light or yellow eye undesirable”)
নাক: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
কালোমানসম্মত (“Must be black”)মানসম্মত (“Must be black”)মানসম্মত (“The nose must be black”)মানসম্মত (“Nose black”)মানসম্মত (“Nose black”)

What the rulings mean

মানসম্মত
Described by the club's breed standard.
ত্রুটি
Named by the club's breed standard as a fault: the animal can be shown but is penalized.
অযোগ্যকারী
The club's breed standard disqualifies an animal of this color or pattern.
স্বীকৃত নয়
The club does not accept this color or pattern for the breed.

Color changes

How a আইরিশ টেরিয়ার's colors can change over its life.

  • কালোchanges toশীতের নাক

    নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back

  • কালোchanges toগোলাপি

    নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back

আইরিশ টেরিয়ার সম্পর্কে

আইরিশ টেরিয়ার আয়ারল্যান্ডের একটি মাঝারি আকারের কর্মঠ টেরিয়ার জাত, লালচে রুক্ষ লোম আর ১৩ থেকে ১৫ বছর আয়ুষ্কাল নিয়ে সাহসী ও বিশ্বস্ত স্বভাবের জন্য পরিচিত।

আইরিশ টেরিয়ার একটি মাঝারি আকারের কুকুর, যার উদ্ভব হয়েছে আয়ারল্যান্ডে, একসময় খামারে কাজ করা এবং ইঁদুর-ছুঁচো তাড়ানোর কুকুর হিসেবে। টেরিয়ার জাতগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রাচীন এবং একরঙা লালচে লোম আর লম্বা, লিকলিকে গড়নের জন্য সহজেই চেনা যায়। শুরুর দিকেই এই জাতের গায়ে "ডেয়ারডেভিল" ডাকনাম জুড়ে যায়, যা বড় প্রাণীর সামনেও তার নির্ভীক স্বভাবকে বোঝায়।

এটি একটি চটপটে, সজাগ কুকুর যে নিজের পরিবারের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হয়ে পড়ে। আইরিশ টেরিয়ারকে বিশ্বস্ত, প্রাণবন্ত, বুদ্ধিমান, সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী বলে বর্ণনা করা হয়। ইঁদুর ও অন্যান্য ক্ষতিকর প্রাণীর বিরুদ্ধে একা লড়ার জন্য একে গড়ে তোলা হয়েছিল, তাই এর মধ্যে নিজের বুদ্ধিতে কাজ করার প্রবল প্রবণতা রয়ে গেছে। পরিচিত মানুষের সাথে এরা স্নেহপ্রবণ ও স্থির স্বভাবের।

সক্রিয় জীবনযাপন করেন এবং প্রতিদিন ব্যায়াম, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সঙ্গ দিতে পারেন, এমন মালিকদের জন্যই এই জাত মানানসই। অচেনা কুকুরের সামনে আইরিশ টেরিয়ার সংকোচবোধ করতে পারে অথবা মারমুখী হয়ে উঠতে পারে, আর শিকারের প্রবৃত্তি তার মধ্যে প্রবলভাবে থেকে যায়, তাই নিরাপদ বেড়া আর ছোট প্রাণীর আশেপাশে নজরদারি জরুরি। নিয়মশৃঙ্খলা আর মনোযোগ পেলে এরা পারিবারিক জীবনের সাথে সহজেই মানিয়ে নেয়।

আইরিশ টেরিয়ার সংক্ষিপ্ত তথ্য
বৈশিষ্ট্যবিবরণ
উৎপত্তিআয়ারল্যান্ড
আকারমাঝারি
আয়ুষ্কাল১৩ থেকে ১৫ বছর
শ্রেণি / ভূমিকাটেরিয়ার; খামারে পোকামাকড়-ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ ও সহচর কুকুর
মানিয়ে নেয়পরিবারের সদস্যদের সাথে; অন্য কুকুর ও ছোট পোষা প্রাণীর আশেপাশে নজরদারি প্রয়োজন

কাদের জন্য উপযুক্ত

যে সক্রিয় ব্যক্তি বা পরিবার একটি কষ্টসহিষ্ণু, অনুগত কুকুর চান এবং প্রশিক্ষণ ও প্রতিদিনের কর্মকাণ্ডে সময় দিতে পারবেন, আইরিশ টেরিয়ার তাদের জন্য মানানসই। যারা দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকেন বা খাঁচায় রাখা ছোট পোষা প্রাণী আলাদা না করেই পালেন, তাদের জন্য এটি ভালো পছন্দ নয়। ছোটবেলা থেকে সামাজিকীকরণ করালে অচেনা কুকুরের প্রতি তার সতর্কতা কিছুটা কমে আসে।

ইতিহাস ও উৎপত্তি

আইরিশ টেরিয়ারের উদ্ভব আয়ারল্যান্ডের খামারে ইঁদুর তাড়ানোর কুকুর হিসেবে, আর ঊনবিংশ শতকের শেষভাগে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া প্রথম দিককার টেরিয়ার জাতগুলোর একটি এটি।

আইরিশ টেরিয়ারের শেকড় আয়ারল্যান্ডে, যেখানে কৃষকরা ইঁদুর ও অন্যান্য ক্ষতিকর প্রাণী দমন এবং বাড়িঘর পাহারা দেওয়ার জন্য কষ্টসহিষ্ণু লালচে টেরিয়ার পালন করতেন। জাতটির প্রথম দিককার বংশপরিচয় বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত নেই, তবে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে পুরনো টেরিয়ার জাতগুলোর মধ্যে একে গণ্য করা হয়। চেহারা নয়, কাজের সক্ষমতাই এর শুরুর দিকের বিকাশের মূল কারণ ছিল।

ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে সংগঠিত আগ্রহ বাড়তে থাকে। ১৮৭০-এর দশকে আয়ারল্যান্ডের ডগ শোতে এই জাতের জন্য আলাদা বিভাগ চালু হয়, যা প্রজননকারীদের অভিন্ন একটি রূপের দিকে ঠেলে দেয়। ১৮৭৯ সালে ডাবলিনে একটি প্রজনন ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেই সময়েই আকার, লোম ও রঙের মানদণ্ড নির্ধারিত হয়। একরঙা লাল লোম এই সময়েই এমন এক বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠে যা একে অন্য টেরিয়ার থেকে আলাদা করে।

উনিশ শতকের শেষভাগে আইরিশ টেরিয়ার আয়ারল্যান্ডের সীমানা ছাড়িয়ে ব্রিটেনে, তারপর উত্তর আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। সাহস ও লড়াকু মনোভাবের জন্য এটি সুনাম অর্জন করে, আর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই জাতের কুকুরদের বার্তাবাহক ও প্রহরী হিসেবে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যা এর মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেয়।

বর্তমান সময়ে আইরিশ টেরিয়ারকে মূলত সহচর ও প্রদর্শনী কুকুর হিসেবে রাখা হয়, যদিও তার মধ্যে পুরনো কর্মদক্ষতার প্রবণতা এখনও রয়ে গেছে। অন্য কিছু টেরিয়ারের তুলনায় এটি কম দেখা যায়, তবে যারা এর চরিত্র ও ইতিহাসকে মূল্য দেন, তাদের মধ্যে এর একটি অনুগামী গোষ্ঠী স্থিরভাবে টিকে আছে।

গঠন ও জাতের মানদণ্ড

আইরিশ টেরিয়ার মাঝারি আকারের লিকলিকে গড়নের কুকুর, ঘন রুক্ষ লালচে লোম, লম্বা চ্যাপ্টা মাথার খুলি এবং কালচে চোখবিশিষ্ট।

আইরিশ টেরিয়ারের গড়ন ক্ষিপ্র ও সুষম, শরীর কিছুটা লম্বাটে, সামনের পা সোজা, আর বুক গভীর কিন্তু চওড়া নয়। সামগ্রিক ছাপটা এমন এক সক্রিয় কুকুরের, যা মোটাসোটা গড়নের বদলে গতি ও সহনশীলতার জন্য তৈরি। মাথা লম্বা ও খুলি চ্যাপ্টা, কান ছোট ও ভি-আকৃতির, যা মাথার পাশের দিকে সামনের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে। লেজ সামান্য ওপরের দিকে বাঁকিয়ে রাখা হয়।

আইরিশ টেরিয়ার জাতের মানদণ্ড
বৈশিষ্ট্যমানদণ্ড
উচ্চতাকাঁধ পর্যন্ত প্রায় ৪৬ থেকে ৪৮ সেন্টিমিটার (১৮ থেকে ১৯ ইঞ্চি)
ওজনপ্রায় ১১ থেকে ১২ কেজি (২৫ থেকে ২৭ পাউন্ড)
লোমঘন, রুক্ষ, কড়া বহিরাবরণ, নিচে নরম আন্ডারকোট
রংএকরঙা লাল, লাল-গমরঙা, অথবা সোনালি লাল
চোখছোট, কালচে, কাছাকাছি বসানো

লোম ও রং

লোমই এই জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ছুঁলে এটি শক্ত ও রুক্ষ মনে হয়, শরীরের সাথে লেপ্টে থাকে, আর আবহাওয়ার প্রকোপ সহ্য করতে পারে। বুকে সামান্য সাদা রং মাঝেমধ্যে দেখা যায় এবং সাধারণত মেনে নেওয়া হয়, তবে কাঙ্ক্ষিত রং হলো শরীরজুড়ে স্বচ্ছ, সমান লাল। বাচ্চা কুকুরের গায়ে কিছুটা গাঢ় ছোপ দেখা দিতে পারে, যা বড় হওয়ার সাথে সাথে মিলিয়ে যায়। লোমের রুক্ষ গঠন বজায় রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হাত দিয়ে স্ট্রিপিং করা, কাঁচি দিয়ে ছাঁটা নয়, কারণ কাঁচি সময়ের সাথে লোমের রং ও কড়া ভাব দুটোই নরম করে দেয়।

স্বভাব ও আচরণ

আইরিশ টেরিয়ার বিশ্বস্ত, সাহসী ও বুদ্ধিমান, পরিবারের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ কিন্তু অচেনা কুকুরের সাথে প্রায়ই আক্রমণাত্মক এবং ছোট প্রাণী তাড়া করার প্রবণতাসম্পন্ন।

আইরিশ টেরিয়ার প্রাণবন্ত ও সাহসী, নিজের পরিবারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। পরিবারের সাথে এটি স্নেহপ্রবণ, খেলাধুলাপ্রিয় ও রক্ষণশীল, আর প্রায়ই নিজেকেই বাড়ির পাহারাদার বানিয়ে নেয়। জাতটি বুদ্ধিমান এবং পরিস্থিতি দ্রুত বুঝে নিতে পারে, যা একে ভালো সঙ্গী বানায়, কিন্তু হ্যান্ডলারের সাথে মতের অমিল হলে একরোখা আচরণও করতে পারে।

অচেনা মানুষের সামনে আইরিশ টেরিয়ার সজাগ থাকে এবং শুরুতে খানিকটা রাখঢাক করতে পারে, তবে অতিথিকে ঠিকঠাক মনে হলে ধীরে ধীরে সহজ হয়ে ওঠে। অন্য কুকুরের সাথে এটি মারমুখী বা খিটখিটে হতে পারে, বিশেষত একই লিঙ্গের কুকুরের সাথে, আর এই স্বভাবই জাতটিকে সাহসী বলে পরিচিতি দিয়েছে। ছোটবেলা থেকে চলমান সামাজিকীকরণ সংঘাত কমায়, তবে নিজের অবস্থান আঁকড়ে থাকার এই প্রবণতা পুরোপুরি দূর হয় না।

শিকারের প্রবৃত্তি প্রবল। বিড়াল, ইঁদুর ও অন্য ছোট প্রাণী দেখলে তাড়া করার প্রবণতা জেগে উঠতে পারে, তাই যে বাড়িতে ছোট পোষা প্রাণী আছে সেখানে সতর্ক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। শিশুদের সাথে বেড়ে উঠলে এই জাত সাধারণত ভালো ব্যবহার করে, যদিও এর শক্তির কারণে খুব ছোট শিশুর আশেপাশে নজরদারি রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। এই কুকুরের একটা কাজ, মানসিক ব্যস্ততা আর আত্মবিশ্বাসী মালিক দরকার।

আইরিশ টেরিয়ারের স্বভাবগত মূল্যায়ন (১ = কম, ৫ = বেশি)
বৈশিষ্ট্যমাত্রা
স্নেহ৪
শক্তি৫
প্রশিক্ষণযোগ্যতা৩
ডাকাডাকির প্রবণতা৩
লোম ঝরা২

যত্ন ও গ্রুমিং

আইরিশ টেরিয়ারের রুক্ষ লোমে নিয়মিত হাত-স্ট্রিপিং, প্রতিদিন জোরালো ব্যায়াম এবং শিকারের প্রবৃত্তি মাথায় রেখে নিরাপদ পরিবেশ প্রয়োজন।

গ্রুমিং

  • আলগা লোম সরাতে ও জট এড়াতে সপ্তাহে একবার বা দুবার লোম আঁচড়ান।
  • লোমের রুক্ষ গঠন ও লাল রং ধরে রাখতে বছরে মোটামুটি দুই থেকে তিনবার হাতে স্ট্রিপিং করুন।
  • প্রয়োজন হলেই গোসল করান, কারণ ঘন ঘন ধোয়া কড়া লোমকে নরম করে দেয়।
  • নিয়মিত কান পরীক্ষা করে পরিষ্কার রাখুন, প্রতি কয়েক সপ্তাহে নখ কাটুন, আর সপ্তাহে কয়েকবার দাঁত মাজুন।

ব্যায়াম

  • প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট শারীরিক কর্মকাণ্ড দিন, হাঁটা ও খেলার মধ্যে ভাগ করে।
  • নিরাপদ, ঘেরা জায়গায় লিশ ছাড়া দৌড়ানোর সুযোগ রাখুন, যেখানে শিকারের প্রবৃত্তি সমস্যা তৈরি করতে পারবে না।
  • গন্ধ শনাক্তকরণ খেলা, প্রশিক্ষণ অনুশীলন বা পাজল ফিডারের মতো মানসিক কাজ যোগ করুন।
  • রাস্তা ও ছোট প্রাণীর কাছাকাছি লিশ বা বেড়ার মধ্যে রাখুন।

পরিবেশ

ভালোভাবে ব্যায়াম করালে আইরিশ টেরিয়ার বাড়ি বা ফ্ল্যাটের জীবনযাত্রার সাথে মানিয়ে নেয়, তবে নিরাপদভাবে ঘেরা একটি উঠান থাকলে সবচেয়ে ভালো থাকে। বেড়া মজবুত এবং মাটি খুঁড়ে বের হওয়া রোধ করার মতো হতে হবে, কারণ এই জাত মাটি খোঁড়ে আর তাড়া করে। ঘন লোমের কারণে এটি ঠান্ডা ও ভেজা আবহাওয়া সহ্য করতে পারে। দীর্ঘ সময় একা রাখা উচিত নয়, কারণ একঘেয়েমি থেকে ঘেউ ঘেউ করা আর মাটি খোঁড়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

পুষ্টি ও খাওয়ানো

আইরিশ টেরিয়ারকে বয়স অনুযায়ী সম্পূর্ণ খাদ্য মেপে কয়েক বেলায় ভাগ করে দিন, আর এই সক্রিয় কুকুরকে ছিপছিপে রাখতে পরিমাণ সমন্বয় করুন।

আইরিশ টেরিয়ার বয়স ও কর্মচঞ্চলতার সাথে মানানসই একটি সম্পূর্ণ, সুষম কুকুরের খাবারে ভালো থাকে। সক্রিয় মাঝারি আকারের জাত হিসেবে একে শক্তি জোগাতে পর্যাপ্ত আমিষ ও চর্বি লাগে, তবে ওজন বৃদ্ধি ঠেকাতে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, কারণ বাড়তি ওজন জয়েন্টের ওপর চাপ ফেলে। শুধু প্যাকেটের নির্দেশিকার ওপর নির্ভর না করে কুকুরের বয়স অনুযায়ী উপযুক্ত খাবার বেছে নিন আর শরীরের গঠন লক্ষ রাখুন। সবসময় বিশুদ্ধ পানি হাতের নাগালে রাখা উচিত।

সাধারণ খাওয়ানোর নির্দেশিকা (নির্দিষ্ট কুকুর অনুযায়ী সমন্বয় করুন)
বয়সপর্যায়দৈনিক পরিমাণবেলা
বাচ্চা কুকুর (২ থেকে ৬ মাস)পাপি-ফুডের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভাগ করে৩ থেকে ৪
কিশোর (৬ থেকে ১২ মাস)প্রায় ১ থেকে ১.৫ কাপ২ থেকে ৩
পূর্ণবয়স্কপ্রায় ১.২৫ থেকে ১.৭৫ কাপ২
বয়স্কসামান্য কমিয়ে, ওজন লক্ষ রেখে২

খাদ্য-বহির্ভূত খাবার ও সাপ্লিমেন্ট

ট্রিট দৈনিক ক্যালরির প্রায় ১০ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখুন এবং খাবারের পরিমাণ হিসাব করার সময় এটাও যোগ করুন। সম্পূর্ণ খাদ্য পাওয়া বেশিরভাগ আইরিশ টেরিয়ারের অতিরিক্ত কোনো সাপ্লিমেন্ট লাগে না। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে পশুচিকিৎসক জয়েন্ট বা ত্বকের জন্য সহায়ক কিছু সাজেস্ট করতে পারেন, তবে সাপ্লিমেন্ট শুধু পেশাদার পরামর্শেই দেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য ও আয়ুষ্কাল

আইরিশ টেরিয়ার সাধারণত সুস্থ-সবল, আয়ুষ্কাল ১৩ থেকে ১৫ বছর, তবে নিয়মিত পশুচিকিৎসা তদারকিতে নজরে রাখার মতো কয়েকটি বংশগত সমস্যা রয়েছে।

আইরিশ টেরিয়ারকে একটি দৃঢ়, সুস্থ জাত হিসেবে গণ্য করা হয়, যার স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ১৩ থেকে ১৫ বছর। দায়িত্বশীল প্রজনন আর নিয়মিত পশুচিকিৎসা যত্ন বেশিরভাগ কুকুরকে বার্ধক্য পর্যন্ত সুস্থ রাখে। যেকোনো জাতের মতোই, কিছু বংশগত ও অর্জিত সমস্যা সাধারণ কুকুর জনগোষ্ঠীর তুলনায় এখানে একটু বেশি দেখা যায়, আর এ বিষয়ে সচেতনতা থাকলে আগেভাগে ধরা পড়ে।

জাতটিতে নথিভুক্ত সমস্যা
সমস্যালক্ষণমন্তব্য
হাইপারকেরাটোসিস (শক্ত পায়ের তালু)পায়ের তালু ঘন হয়ে ফেটে যাওয়াজাতটিতে নথিভুক্ত একটি বংশগত সমস্যা; সারানো যায় না, তবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়
হাইপোথাইরয়ডিজমওজন বেড়ে যাওয়া, দুর্বলতা, লোমের পরিবর্তনরক্ত পরীক্ষায় নির্ণয় করা হয়, ওষুধে নিয়ন্ত্রণ করা যায়
সিস্টিনুরিয়ামূত্রথলিতে পাথর, প্রস্রাবে কষ্টএকটি মূত্রনালির পাথরজনিত সমস্যা; পশুচিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন
চোখের সমস্যাঘোলাটে ভাব, দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তননিয়মিত চোখ পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়

প্রতিরোধমূলক যত্ন

  • টিকা ও পরজীবী প্রতিরোধ ব্যবস্থা হালনাগাদ রাখুন।
  • বছরে একবার পশুচিকিৎসা পরীক্ষার সময়সূচি রাখুন, বয়স্ক কুকুরের জন্য আরও ঘন ঘন।
  • মাড়ির রোগ কমাতে দাঁতের যত্ন বজায় রাখুন।
  • শরীরের গঠন লক্ষ রাখুন এবং কুকুরকে ছিপছিপে রাখুন।
  • এমন প্রজননকারীর কাছ থেকে কুকুর নিন যারা পরিচিত বংশগত সমস্যার জন্য পরীক্ষা করান।

প্রশিক্ষণ

আইরিশ টেরিয়ার বুদ্ধিমান ও দক্ষ কিন্তু স্বাধীনচেতা ও একরোখা, তাই ছোটবেলা থেকে শুরু করা নিয়মিত, পুরস্কারভিত্তিক প্রশিক্ষণে সবচেয়ে ভালো সাড়া দেয়।

আইরিশ টেরিয়ার বুদ্ধিমান এবং দ্রুত শেখে, তবে একে নিজের বিচারবুদ্ধিতে কাজ করার জন্য গড়ে তোলা হয়েছিল, তাই এটি একরোখা হতে পারে এবং কথা শোনার ব্যাপারে বাছবিচার করতে পারে। শুরু থেকেই স্পষ্ট নিয়ম রেখে ধারাবাহিক, দৃঢ় ও ন্যায্য প্রশিক্ষণ সবচেয়ে ভালো কাজ করে। কঠোর পদ্ধতি সাধারণত উল্টো ফল দেয় আর কুকুরকে সহযোগিতার বদলে বাধা দেওয়ার দিকে ঠেলে দেয়। দীর্ঘ, একঘেয়ে অনুশীলনের চেয়ে ছোট ছোট বৈচিত্র্যময় সেশন এই জাতের মনোযোগ বেশি ভালোভাবে ধরে রাখে।

আনুগত্য শেখানোর মতোই সামাজিকীকরণও গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চা বয়স থেকেই অন্য কুকুর, মানুষ ও নানা পরিস্থিতির সাথে পরিচয় করালে কুকুরকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার প্রবণতা কমে। প্রবল শিকারের প্রবৃত্তির কারণে রিকল শেখানো কঠিন, তাই এটি নিয়মিত অনুশীলন করুন এবং ছোট প্রাণী বা যানবাহন থাকা জায়গায় কুকুরকে লিশে বেঁধে রাখুন।

মৌলিক বিষয়

  1. বাচ্চা বয়স থেকেই সামাজিকীকরণ ও কোমল হ্যান্ডলিং শুরু করুন।
  2. নাম শুনে সাড়া দেওয়া এবং নির্ভরযোগ্য বসা ও শোয়া শেখান।
  3. মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করার মতো কিছু ছাড়া পরিবেশে আগে রিকল গড়ে তুলুন, তারপর বিক্ষেপ যোগ করুন।
  4. জাতটির প্রবৃত্তি সামলাতে ঢিলা লিশে হাঁটার অনুশীলন করান।
  5. শক্তি ও বুদ্ধিকে সঠিক পথে চালিত করতে গঠনমূলক খেলা ও কাজ যোগ করুন।

প্রজনন

আইরিশ টেরিয়ার সাধারণত দ্বিতীয় বছরে প্রজননের উপযুক্ত পরিণত বয়সে পৌঁছায়, প্রায় নয় সপ্তাহ গর্ভধারণ করে এবং মাঝারি আকারের লিটার জন্ম দেয় যাদের যত্নসহকারে সামাজিকীকরণ প্রয়োজন।

আইরিশ টেরিয়ারের দায়িত্বশীল প্রজনন স্বভাব, শারীরিক গঠন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়। প্রজননের জন্য কুকুর শারীরিকভাবে পরিণত হওয়া প্রয়োজন, যার অর্থ সাধারণত প্রথম এক বা দুই হিটের বদলে দ্বিতীয় বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা। মিলনের আগে উভয় বাবা-মাকে জাতটিতে পরিচিত বংশগত সমস্যার জন্য পরীক্ষা করানো উচিত।

গর্ভধারণের পর থেকে প্রসব পর্যন্ত সময় লাগে প্রায় ৬৩ দিন। লিটারের আকার সাধারণত মাঝারি হয়। মা কুকুর সাধারণত বড় কোনো জটিলতা ছাড়াই বাচ্চা প্রসব করে, তবে একটি শান্ত প্রসবস্থান আর হাতের কাছে পশুচিকিৎসা সহায়তা রাখা বিচক্ষণতার কাজ। বাচ্চারা কালা ও অন্ধ অবস্থায় জন্মায় এবং প্রথম কয়েক সপ্তাহ পুরোপুরি মায়ের ওপর নির্ভরশীল থাকে।

এই জাতের স্বভাব গড়ে ওঠে প্রথম দিককার হ্যান্ডলিং ও সামাজিকীকরণের মধ্য দিয়ে। বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই কোমল হ্যান্ডলিং, ঘরোয়া শব্দ আর বিভিন্ন ধরনের মেঝের সংস্পর্শে আনা উচিত, আর যতদিন না তারা ছেড়ে যাওয়ার মতো বয়সে পৌঁছায়, সাধারণত প্রায় আট সপ্তাহ, ততদিন মা ও ভাইবোনদের সাথেই থাকা উচিত। এই জাতের প্রবৃত্তি ও কুকুরের প্রতি আক্রমণাত্মক মনোভাবের কথা মাথায় রাখলে, ছোটবেলার এই সামাজিক অভিজ্ঞতা সারাজীবন কাজে লাগে।

প্রজনন সংক্রান্ত তথ্য
পরিমাপমান
প্রজনন-উপযুক্ত পরিণত বয়সসাধারণত প্রায় ১৮ থেকে ২৪ মাস পর
গর্ভধারণকালপ্রায় ৬৩ দিন
গড় লিটারের আকারমোটামুটি ৪ থেকে ৭টি বাচ্চা
দুধ ছাড়ানোর বয়সপ্রায় ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ
মায়ের কাছ থেকে ছাড়ার প্রস্তাবিত বয়সপ্রায় ৮ সপ্তাহ

আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুর ও তার মাইক্রোচিপ নিবন্ধন

United Pet Club-এ আপনার আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।

বাংলাদেশে আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুর নিবন্ধনের উপায়

যে কুকুরের রেকর্ড আছে, সে এক ফোনেই ঘরে ফেরে। আপনার আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের রেকর্ডটা বিনামূল্যে গড়ে নিন: ছবি, তথ্য আর আপনার নম্বর, এমন প্রোফাইলে যা সারা জীবন টিকে থাকে আর কখনো এক টাকাও চায় না। নিবন্ধন একবারের কাজ।

আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের চামড়ার নিচের পনেরোটা সংখ্যা তখনই আপনার কাছে পৌঁছায় যখন কোনো খাতা সেটা বলে। United Pet Club-কে বিনামূল্যে বলতে দিন: নিবন্ধনের মেয়াদ ফুরায় না, সব ব্র্যান্ড চলে, আর তথ্য বদলানো সব সময় ফ্রি। আগে চিপ নিবন্ধন, পরে অ্যাকাউন্ট।

বাংলাদেশে আমার আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুর কীভাবে নিবন্ধন করব?

United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।

আমার আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের মাইক্রোচিপ কীভাবে নিবন্ধন করব?

পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।

বাংলাদেশে আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুরের জন্য চিপ কি বাধ্যতামূলক?

জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।

আইরিশ টেরিয়ার জাতের কুকুর নিবন্ধনে খরচ কত?

কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

আইরিশ টেরিয়ার নিয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলো তার আকার, স্বভাব, যত্নের প্রয়োজন, আয়ুষ্কাল, উপযুক্ততা ও প্রাপ্যতা নিয়ে।

আইরিশ টেরিয়ার কতটা বড় হয়?

এটি একটি মাঝারি আকারের কুকুর, কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৪৬ থেকে ৪৮ সেন্টিমিটার (১৮ থেকে ১৯ ইঞ্চি) এবং ওজন মোটামুটি ১১ থেকে ১২ কেজি (২৫ থেকে ২৭ পাউন্ড)।

আইরিশ টেরিয়ারের স্বভাব কেমন?

এটি বিশ্বস্ত, প্রাণবন্ত, বুদ্ধিমান ও সাহসী। পরিবারের সাথে স্নেহপ্রবণ, অচেনা মানুষের সামনে সজাগ, আর প্রায়ই অন্য কুকুরের সাথে আক্রমণাত্মক, সাথে ছোট প্রাণী তাড়া করার প্রবল প্রবৃত্তি নিয়ে।

আইরিশ টেরিয়ারের যত্ন নেওয়া কি কঠিন?

যত্নের চাহিদা মাঝারি মানের। রুক্ষ লোমে বছরে কয়েকবার হাত-স্ট্রিপিং আর সাপ্তাহিক আঁচড়ানো লাগে, আর কুকুরটির প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা ব্যায়ামের পাশাপাশি মানসিক কাজও দরকার। এটি কম যত্নে চলার মতো জাত নয়।

আইরিশ টেরিয়ার কতদিন বাঁচে?

স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ১৩ থেকে ১৫ বছর, আর নিয়মিত পশুচিকিৎসা যত্ন পেলে এই জাত সাধারণত সুস্থ-সবল থাকে।

আইরিশ টেরিয়ার কি পরিবারের জন্য ভালো?

হ্যাঁ, সক্রিয় পরিবারের জন্য যারা ব্যায়াম আর নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন। যেসব শিশুর সাথে সে বেড়ে ওঠে তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করে, তবে ছোট পোষা প্রাণী ও অন্য কুকুরের আশেপাশে নজরদারি প্রয়োজন।

আইরিশ টেরিয়ার কি সহজে পাওয়া যায়?

অনেক অন্য টেরিয়ারের তুলনায় এটি কম দেখা যায়, তাই আগ্রহী মালিকদের বাংলাদেশ কেনেল ক্লাব বা এফসিআই-সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করতে হতে পারে অথবা কোনো নির্ভরযোগ্য প্রজননকারীর কাছ থেকে লিটারের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।

আইরিশ টেরিয়ারের লোম কি অনেক ঝরে?

না। রুক্ষ লোম খুব একটা ঝরে না, বিশেষত হাতে স্ট্রিপিং করালে, আর যারা ঝরে পড়া লোমে সংবেদনশীল, তাদের কাছে এটি এই জাতের একটি আকর্ষণীয় দিক।

No questions about the আইরিশ টেরিয়ার yet. Be the first to ask.

Browse Dog breeds