
জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার হলো এক নিষ্ঠাবান, সর্বকর্মা শিকার-সঙ্গী, যা তার রুক্ষ লোম এবং অক্লান্ত কর্মনিষ্ঠার জন্য পরিচিত।
- Size
- বড়
- Lifespan
- 12–14 years
- Origin
- জার্মানি
- Temperament
- অনুরক্ত
- Standard colors
- কালো, সাদা এবং লিভার
Characteristics
Coat and grooming
How the জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার coat is built, and what that means when you groom it.
- লোমের স্তর
- দ্বিস্তর লোম
- লোমের গড়ন
- খসখসে
- লোমের দৈর্ঘ্য
- মাঝারি
- লোম ঝরা
- মাঝারি ঝরা
Grooming guidance
গুরুতর: A জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার should not be shaved.
নিচের স্তর তাপ ঠিক ততটাই বাইরে রাখে যতটা ঠান্ডা, আর উপরের লোম চামড়াকে রোদ ও পোকার কামড় থেকে বাঁচায়। পুরো লোম ছেঁটে ফেললে দুটোই চলে যায়। প্রায়ই তা ছোপ ছোপ হয়ে, নরম বা অন্য রঙে ফিরে আসে, আর কিছু প্রাণীতে উপরের লোম আর কখনও ঠিকমতো ফেরে না। নিচের স্তর কেটে ফেলার বদলে ব্রাশ করে বের করুন।
সতর্কতা: A জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার coat should be hand-stripped rather than clipped.
খসখসে লোম এমনভাবে তৈরি যে লোম পেকে আলগা হওয়ার মুখে এলে গোড়া থেকে টেনে তুলতে হয়। মেশিন তার বদলে মাঝখান থেকে কেটে দেয় আর নিচে নরম স্তর রেখে যায়। ফল হলো এমন লোম যা নেতিয়ে ও ফ্যাকাশে হয়ে গজায়, আর আবহাওয়া-প্রতিরোধী গড়ন নতুন করে টেনে তোলার পরেই ফেরে।
জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার colors and patterns
What each club's breed standard says about every জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.
Breed standards describe the জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার in কালো, সাদা এবং লিভার. Standard patterns: একরঙা, দুইরঙা, রোন এবং ফুটকিদার.
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| কালো | মানসম্মত (“Black roan, with or without patches”) | ত্রুটি (“Black & White”) | মানসম্মত (“Solid black”) | মানসম্মত (“black and white”) | মানসম্মত (“Black roan, with or without patches”) |
| সাদা | মানসম্মত (“Light roan”) | মানসম্মত (“Liver & White”) | মানসম্মত (“liver and white ticked”) | মানসম্মত (“Liver and white”) | মানসম্মত (“Light roan”) |
| লিভার | মানসম্মত (“Brown with or without white chest patch”) | মানসম্মত (“Liver”) | মানসম্মত (“Solid liver”) | মানসম্মত (“solid liver”) | মানসম্মত (“Brown with or without white chest patch”) |
| অ্যালবিনো | স্বীকৃত নয় | No ruling | অযোগ্যকারী (“Albinism”) | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় |
| Patterns | |||||
| একরঙা | মানসম্মত (“Brown with or without white chest patch”) | মানসম্মত (“solid liver”) | মানসম্মত (“Solid liver”) | মানসম্মত (“solid liver”) | মানসম্মত (“Brown with or without white chest patch”) |
| দুইরঙা | No ruling | মানসম্মত (“The coat is liver and white”) | মানসম্মত (“liver and white”) | মানসম্মত (“Liver and white”) | No ruling |
| রোন | মানসম্মত (“Brown roan with or without patches”) | মানসম্মত (“Roan”) | মানসম্মত (“liver and white ticked”) | মানসম্মত (“Liver & White Ticked”) | মানসম্মত (“Brown roan with or without patches”) |
| ফুটকিদার | মানসম্মত (“Brown roan with or without patches”) | মানসম্মত (“Spotted”) | মানসম্মত (“liver and white spotted”) | স্বীকৃত নয় | মানসম্মত (“Brown roan with or without patches”) |
| তিনরঙা | No ruling | No ruling | No ruling | ত্রুটি (“Solid black and tricoloured highly undesirable”) | No ruling |
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| বাদামি | No ruling | মানসম্মত (“Eyes are brown”) | No ruling | মানসম্মত (“hazel or darker”) | No ruling |
| গাঢ় বাদামি | মানসম্মত (“As dark as possible”) | No ruling | মানসম্মত (“as dark as possible”) | মানসম্মত (“hazel or darker”) | মানসম্মত (“As dark as possible”) |
| হেজেল | No ruling | No ruling | No ruling | মানসম্মত (“hazel or darker”) | No ruling |
| হলুদ | No ruling | ত্রুটি (“Yellow eyes are not desirable”) | No ruling | No ruling | No ruling |
| Patterns | |||||
| দুই রঙের চোখ | অযোগ্যকারী (“differently coloured eyes”) | No ruling | No ruling | No ruling | অযোগ্যকারী (“differently coloured eyes”) |
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| কালো | মানসম্মত (“Strongly pigmented corresponding to the colour of the coat”) | No ruling | মানসম্মত (“black in black dogs”) | মানসম্মত (“Nose liver or black”) | মানসম্মত (“Strongly pigmented corresponding to the colour of the coat”) |
| লিভার | মানসম্মত (“Strongly pigmented corresponding to the colour of the coat”) | মানসম্মত (“The nose is dark brown”) | মানসম্মত (“Dark brown in liver dogs”) | মানসম্মত (“Nose liver or black”) | মানসম্মত (“Strongly pigmented corresponding to the colour of the coat”) |
| গোলাপি | No ruling | ত্রুটি (“A spotted or flesh colored nose is to be penalized”) | No ruling | No ruling | No ruling |
| Patterns | |||||
| প্রজাপতি নাক | No ruling | ত্রুটি (“A spotted or flesh colored nose is to be penalized”) | No ruling | No ruling | No ruling |
What the rulings mean
- মানসম্মত
- Described by the club's breed standard.
- ত্রুটি
- Named by the club's breed standard as a fault: the animal can be shown but is penalized.
- অযোগ্যকারী
- The club's breed standard disqualifies an animal of this color or pattern.
- স্বীকৃত নয়
- The club does not accept this color or pattern for the breed.
Color changes
How a জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার's colors can change over its life.
কালোchanges toমরিচা
লোম · শারীরিক অবস্থার সঙ্গে · can change back
কালোchanges toধূসর
লোম · ক্রমাগত
কালোchanges toবাদামি
লোম · রোদে · can change back
সাদাchanges toরোন
লোম · বয়সের সঙ্গে · from 2 weeks
কালোchanges toশীতের নাক
নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back
কালোchanges toগোলাপি
নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back
Sources
Each ruling comes from the club's published breed standard or color list.
Meet some of our জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার
A few of the জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার profiles members have added to United Pet Club.
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার পরিচিতি
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার জার্মানির একটি বড় শিকারি কুকুরের জাত, আয়ু ১২ থেকে ১৪ বছর এবং এটি পরিবারের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলে ও প্রতিদিন প্রচুর কাজ বা ব্যায়াম ছাড়া ভালো থাকে না।
জার্মানিতে ডয়েচ ড্রাটহার নামে পরিচিত এই কুকুর জমি ও জলে সমানভাবে শিকার খুঁজে বের করতে, পয়েন্ট করতে এবং শিকার তুলে আনতে সক্ষম। বিচিত্র পরিবেশে কাজ করার উপযোগী বলেই জাতের মানদণ্ডে মোটা, জলরোধী লোমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিবারের সঙ্গে এই কুকুরের বন্ধন শক্ত। প্রায়ই একজন নির্দিষ্ট মানুষকে ছায়ার মতো অনুসরণ করে, অপরিচিতদের সঙ্গে দূরত্ব রাখে। আক্রমণাত্মক নয়, তবে সজাগ। সারাদিন মাঠে কাজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হওয়ায় শক্তির মাত্রা অত্যন্ত বেশি। কর্মহীন থাকলে অস্থির হয়ে পড়ে।
ভালো যত্নে ১২ থেকে ১৪ বছর বাঁচে। ঢাকার মতো শহরে পালতে হলে প্রতিদিনের ব্যায়ামের কঠোর রুটিন মেনে চলতে হবে। নইলে বিধ্বংসী আচরণ দেখা দেয়।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| উৎস | জার্মানি |
| আকার | বড় |
| আয়ু | ১২ থেকে ১৪ বছর |
| দলের ধরন | শিকারি ও পয়েন্টিং গান ডগ (বহুমুখী শিকারি জাত) |
| কার সঙ্গে মানায় | পরিচিত পরিবারের সদস্য; বড় ও শান্ত শিশু; ছোটবেলা থেকে পরিচয় থাকলে অন্য কুকুরের সঙ্গেও থাকতে পারে |
কার জন্য উপযুক্ত
যারা দৌড়, সাঁতার, হাইকিং বা কুকুরের প্রশিক্ষণ-ভিত্তিক কার্যক্রমে নিয়মিত সময় দেন তাদের জন্য এই জাত মানানসই। ঢাকার অ্যাপার্টমেন্টেও রাখা সম্ভব, তবে প্রতিদিন যথেষ্ট ব্যায়ামের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক। যারা বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকেন বা কম সক্রিয় জীবন কাটান, তাদের জন্য এই জাত উপযুক্ত নয়।
উৎপত্তি ও বিকাশ
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে জার্মান শিকারিরা একটিমাত্র বহুমুখী কুকুরের প্রয়োজনে এই জাত তৈরি করেন, যা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়।
ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে জার্মান শিকারিদের একটি সমস্যা ছিল: পাখি খোঁজা, পয়েন্ট করা, ঝোপে কাজ করা এবং ঠান্ডা পানিতে সাঁতরিয়ে শিকার তুলে আনার জন্য আলাদা আলাদা বিশেষজ্ঞ কুকুর রাখতে হতো। একটিমাত্র কুকুর দিয়ে সব কাজ করানোর লক্ষ্যেই জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টারের প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
পুডেলপয়েন্টার, জার্মান শর্টহেয়ারড পয়েন্টার এবং গ্রিফন ও স্টিশেলহারের মতো রুক্ষ লোমযুক্ত জাত মিশিয়ে নতুন জাত গড়া হয়। মোটা তারের মতো লোম, তীক্ষ্ণ ঘ্রাণশক্তি, কাজের আগ্রহ এবং প্রশিক্ষণযোগ্যতা বেছে নেওয়া হয়েছিল।
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে জাতটির গঠন স্থির হয় এবং ১৯০২ সালে ডয়েচ ড্রাটহারের জন্য একটি জার্মান ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধু চেহারায় নয়, কাজের পরীক্ষার ভিত্তিতে কুকুর নিবন্ধনের রীতি সেই থেকে বজায় আছে।
কুকুরটি ১৯২০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায়। আমেরিকান কেনেল ক্লাব ১৯৫৯ সালে এই জাতকে স্বীকৃতি দেয়। উত্তর আমেরিকায় একটি আলাদা সংগঠন এখনও জার্মান ধাঁচের কার্যকর পরীক্ষার ভিত্তিতে ডয়েচ ড্রাটহার নামে কুকুর নিবন্ধন করে।
আকার ও শারীরিক গঠন
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার একটি বড় কুকুর, কাঁধের উচ্চতা ৫৬ থেকে ৬৬ সেন্টিমিটার, চেহারার সবচেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো মোটা তারের মতো রুক্ষ লোম, স্পষ্ট ভ্রু এবং মুখের দাড়ি।
মুখের দিক থেকেই এই কুকুরকে চেনা যায়: মোটা ভ্রু, মুখে দাড়ি এবং সারা গায়ে রুক্ষ তারের মতো লোম একটি গম্ভীর চেহারা তৈরি করে। শরীর দীর্ঘস্থায়ী কাজের জন্য তৈরি, ভারী গড়নের জন্য নয়। উচ্চতার চেয়ে সামান্য লম্বা, বুক গভীর, পা শক্তিশালী। যেসব দেশে চল আছে সেখানে লেজ ছেঁটে রাখা হয়।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| উচ্চতা | পুরুষ প্রায় ৬১ থেকে ৬৬ সেন্টিমিটার; মেয়ে সাধারণত ৫৬ সেন্টিমিটার বা তার বেশি |
| ওজন | প্রায় ২৩ থেকে ৩২ কেজি, পুরুষ বেশি ভারী |
| লোম | রুক্ষ, তারের মতো, জলরোধী বাইরের লোম প্রায় ২.৫ থেকে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা; নিচে ঘন আন্ডারকোট; মুখে স্পষ্ট ভ্রু ও দাড়ি |
| রং | লিভার ও সাদা, ছোপযুক্ত, টিকযুক্ত বা রোয়ান প্যাটার্নে; গাঢ় লিভারও দেখা যায়; মাথা সাধারণত গাঢ় লিভার, কখনো কপালে সাদা ছাপ |
| চোখ | ডিম্বাকার, বাদামি, মোটা ভ্রুর নিচে, সজাগ ভাব |
লোম ও রং
বাইরের লোম সরল, রুক্ষ স্পর্শের এবং গায়ের সঙ্গে চাপা থাকে। কাঁটাঝোপ ও ঠান্ডা পানি থেকে ত্বক রক্ষা করে। শীতে আন্ডারকোট ঘন হয়, গরমে পাতলা হয়। রং সাধারণত লিভার ও সাদার নানা মিশেলে দেখা যায়। কালো লোম আমেরিকান কেনেল ক্লাবের মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য নয়।
স্বভাব ও আচরণ
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার পরিবারের প্রতি অনুগত ও স্নেহশীল, তবে শক্তি ও শিকারি প্রবৃত্তি প্রবল, এবং অপরিচিতদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব রাখে।
শক্তি এই জাতের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। সারাদিন মাঠে কাজ করার জন্য তৈরি, তাই সবসময় কিছু একটা করতে চায়। পর্যাপ্ত ব্যায়াম ও মানসিক উদ্দীপনা না পেলে ঘেউ ঘেউ করা, মাটি খোঁড়া বা জিনিস চিবানো শুরু করে। বুদ্ধিমান এবং দ্রুত শেখে, কিন্তু স্বাধীনচেতা স্বভাবও আছে, তাই প্রশিক্ষণে ধারাবাহিকতা দরকার।
পরিবারের সঙ্গে স্নেহশীল ও স্থির। প্রায়ই একজন মানুষের সঙ্গে বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ হয়। অপরিচিতদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সতর্ক, যা পাহারাদার হিসেবে কাজে লাগে। ভালো প্রজনন ও সামাজিকীকরণ থাকলে এই সতর্কতা আগ্রাসনে পরিণত হয় না।
চেনা শিশুদের সঙ্গে ধৈর্যশীল, তবে এর আকার ও উৎসাহ ছোট শিশুর চেয়ে বড় শিশুর সঙ্গে বেশি মানায়। ছোটবেলায় পরিচয় থাকলে অন্য কুকুরের সঙ্গে থাকতে পারে। বিড়াল, পাখি বা খরগোশ দেখলে শিকারের প্রবৃত্তি জেগে ওঠে, তাই মিশ্র পোষা প্রাণীর পরিবারে সতর্ক থাকা দরকার।
| স্বভাব | মাত্রা |
|---|---|
| স্নেহ | ৫ |
| শক্তি | ৫ |
| প্রশিক্ষণযোগ্যতা | ৪ |
| ঘেউ ঘেউ করার প্রবণতা | ৩ |
| লোম ঝরানো | ৩ |
ব্যায়াম, লোমের যত্ন ও পরিবেশ
প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টার জোরালো ব্যায়াম এই জাতের জন্য অপরিহার্য; বাংলাদেশের বর্ষা ও আর্দ্র আবহাওয়ায় লোম ও কান শুকনো রাখা বাড়তি দায়িত্ব।
ব্যায়াম
এই জাতকে শুধু সংক্ষিপ্ত হাঁটায় সন্তুষ্ট করা যাবে না।
- প্রতিদিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ ঘণ্টার জোরালো শারীরিক কার্যক্রম দরকার।
- দৌড়, সাঁতার, বল নিয়ে খেলা এবং হাইকিং সবই উপযুক্ত।
- শরীর ক্লান্ত করার পাশাপাশি মনকেও ব্যস্ত রাখতে গন্ধ খোঁজার খেলা বা প্রশিক্ষণ সেশন যোগ করুন।
- খোলা জায়গায় সবসময় লিশে রাখুন বা বেড়া দেওয়া জায়গায় ব্যায়াম করান, কারণ শিকারি প্রবৃত্তি ডাকে সাড়া দেওয়াকে হারিয়ে দিতে পারে।
লোমের যত্ন
রুক্ষ তারের মতো লোম সপ্তাহে এক-দুইবার ব্রাশ করলেই চলে। তবে বাংলাদেশের সারা বছরের আর্দ্রতা এবং বর্ষাকালে (জুন থেকে অক্টোবর) লোমের গোড়ায় ছত্রাক সংক্রমণ ও ত্বকের সমস্যা হতে পারে।
- সপ্তাহে এক বা দুইবার ব্রাশ করুন।
- বছরে দুইবার হ্যান্ড-স্ট্রিপিং করান; শুধু কাটলে লোমের রুক্ষ বুনট নষ্ট হয়।
- খাওয়ার পর ও বৃষ্টিতে ভেজার পর দাড়ি ও মুখ মুছে শুকিয়ে দিন, না হলে ছত্রাক ও দুর্গন্ধ হতে পারে।
- বারবার গোসল করাবেন না, লোমের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হলে জলরোধী গুণ কমে যায়।
- মাসে একবার নখ কাটুন, নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করুন এবং কান পরীক্ষা করুন।
পরিবেশ
বেড়া দেওয়া উঠোনসহ বাড়ি সবচেয়ে উপযুক্ত। ঠান্ডা ও ভেজা আবহাওয়া এই কুকুর সহজে সহ্য করে, কিন্তু গরমে কষ্ট পায়। ঢাকার গ্রীষ্মে ছায়া ও পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা জরুরি। দীর্ঘ সময় একা রাখলে বা অ্যাপার্টমেন্টে যথেষ্ট ব্যায়াম ছাড়া রাখলে এই জাত ভালো থাকে না।
খাওয়ানো ও পুষ্টি
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টারকে সক্রিয় ও বড় কুকুরের উপযোগী সম্পূর্ণ খাবার দিন, দিনে দুইবার ভাগ করে এবং কর্মক্ষমতা ও শরীরের অবস্থা বুঝে পরিমাণ ঠিক করুন।
সক্রিয় বা স্পোর্টিং জাতের কুকুরের জন্য তৈরি সম্পূর্ণ ও সুষম কুকুরের খাবার এই জাতের জন্য উপযুক্ত। প্রোটিন ও চর্বি কর্মশক্তি ও শরীর বজায় রাখে। বয়স, ওজন ও দৈনিক কার্যক্রম অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করুন। সবসময় তাজা পানি দিন, বিশেষ করে ব্যায়ামের পর।
এই জাতের বুক গভীর বলে পেট ফুলে যাওয়ার (ব্লোট) ঝুঁকি থাকে। দিনে দুইবার খাওয়ানো এবং খাওয়ার আগে ও পরে জোরালো ব্যায়াম এড়ানো এই ঝুঁকি কমায়।
| বয়সের ধাপ | দৈনিক পরিমাণ | দিনে কতবার |
|---|---|---|
| বাচ্চা (২ থেকে ৬ মাস) | প্রত্যাশিত প্রাপ্তবয়স্ক ওজন অনুযায়ী প্যাকেটের নির্দেশনা মেনে ভাগ করুন | ৩ থেকে ৪ বার |
| কিশোর (৬ থেকে ১২ মাস) | প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী, ধীরে ধীরে প্রাপ্তবয়স্ক পরিমাণে আনুন | ২ থেকে ৩ বার |
| প্রাপ্তবয়স্ক (১ থেকে ৭ বছর) | শুকনো খাবার প্রায় ২.৫ থেকে ৩.৫ কাপ, সক্রিয় কুকুরের জন্য বেশি | ২ বার |
| বয়স্ক (৭ বছরের বেশি) | কার্যক্রম কমলে ক্যালরি কমান, ওজনের দিকে নজর রাখুন | ২ বার |
ট্রিট ও সাপ্লিমেন্ট
ট্রিট দৈনিক ক্যালরির প্রায় দশ শতাংশের মধ্যে রাখুন। প্রশিক্ষণে ছোট, কম ক্যালরির পুরস্কার ব্যবহার করুন। সম্পূর্ণ সুষম খাবার খেলে সাধারণত আলাদা সাপ্লিমেন্ট দরকার হয় না। জয়েন্ট, ত্বক বা মাছের তেলের সাপ্লিমেন্ট যোগ করার আগে পশুচিকিৎসকের মতামত নিন, কারণ অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট ক্ষতি করতে পারে।
স্বাস্থ্য ও সাধারণ সমস্যা
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার সাধারণত সুস্থ জাত, আয়ু ১২ থেকে ১৪ বছর, তবে হিপ ডিসপ্লেসিয়া, চোখের সমস্যা, কানের সংক্রমণ ও পেট ফুলে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
এই জাত শক্তিশালী এবং ভালো যত্নে ১২ থেকে ১৪ বছর বাঁচে। দায়িত্বশীল প্রজননকারীরা বাবা-মা কুকুরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান, তাই কুকুর নেওয়ার আগে সেই পরীক্ষার তথ্য জানতে চাওয়া উচিত। নিচের তালিকায় এই জাতে দেখা যাওয়া সমস্যার কথা আছে, সব কুকুরে এগুলো হবে এমন নয়।
বাংলাদেশে পথকুকুরের সংখ্যা বেশি বলে জলাতঙ্ক একটি বাস্তব ঝুঁকি। পোষা কুকুরের জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন এবং পথকুকুরের সংস্পর্শ এড়ানোর চেষ্টা করুন।
| সমস্যা | লক্ষণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| হিপ ডিসপ্লেসিয়া | শরীর শক্ত হওয়া, খোঁড়ানো, উঠতে কষ্ট, লাফ দিতে না চাওয়া | বংশগত জয়েন্টের সমস্যা; প্রজননকারীরা স্ক্রিনিং করেন |
| এলবো ডিসপ্লেসিয়া | সামনের পায়ে খোঁড়ানো, বিশেষত ব্যায়ামের পর | প্রজনন কুকুরেও পরীক্ষা করা হয় |
| চোখের সমস্যা (ছানি ও রেটিনার রোগ) | চোখ ঘোলাটে হওয়া, জিনিসে ধাক্কা খাওয়া, দৃষ্টির পরিবর্তন | নিয়মিত চোখ পরীক্ষায় আগে ধরা পড়ে |
| কানের সংক্রমণ | মাথা নাড়ানো, চুলকানো, দুর্গন্ধ, কান থেকে রস পড়া | ঝুলন্ত কান ও বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় ঝুঁকি বেশি; ভেজার পর কান শুকান |
| পেট ফুলে যাওয়া (গ্যাস্ট্রিক ডিলেটেশন-ভলভুলাস) | পেট ফুলে শক্ত হওয়া, বমির চেষ্টা কিন্তু কিছু আসছে না, অস্থিরতা, কষ্ট | গভীর বুকের জাতে ঝুঁকি বেশি; জরুরি চিকিৎসা দরকার |
প্রতিরোধমূলক যত্ন
- মূল টিকা সময়মতো দিন। জলাতঙ্কের টিকা অবশ্যই নিশ্চিত করুন।
- সারা বছর মাছি, টিক ও হার্টওয়ার্মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করুন; মাঠে ও পানিতে কাজ করলে এটি আরও জরুরি।
- বার্ষিক পশুচিকিৎসা পরীক্ষা করান; বয়স্ক কুকুরের জন্য বছরে দুইবার। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে চিকিৎসা সেবা সীমিত, তাই নিয়মিত পরীক্ষার অভ্যাস জরুরি।
- কুকুরকে সুস্থ ওজনে রাখুন, অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টে চাপ বাড়ায়।
- দাঁত ব্রাশ করুন এবং নিয়মিত দাঁতের যত্ন নিন।
- সাঁতার বা বৃষ্টিতে ভেজার পর কান পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
প্রশিক্ষণযোগ্যতা ও প্রশিক্ষণের মূল বিষয়
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার বুদ্ধিমান ও মালিকের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী, তবে স্বাধীনচেতা স্বভাব ও উচ্চ শক্তির কারণে শুরু থেকেই ধারাবাহিক পুরস্কারভিত্তিক প্রশিক্ষণ দরকার।
স্বাধীনচেতা স্বভাব এই জাতের প্রশিক্ষণকে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। বিরক্ত হলে নিজে বিনোদন খোঁজে নেয়, যা সাধারণত বাড়িতে সমস্যা তৈরি করে। একঘেয়ে ও দীর্ঘ সেশনে মনোযোগ কমে যায়। সংক্ষিপ্ত, বৈচিত্র্যময় সেশন বেশি কার্যকর। কঠোর শাস্তি উল্টো ফল দেয়। বুদ্ধিমান ও সংবেদনশীল এই কুকুরের সঙ্গে স্পষ্ট নিয়ম ও পুরস্কার ভালো কাজ করে।
অপরিচিতদের সঙ্গে স্বাভাবিক দূরত্ব এবং শক্ত শিকারি প্রবৃত্তির কারণে ছোটবেলা থেকে নতুন মানুষ, পরিবেশ ও অন্য প্রাণীর সঙ্গে পরিচয় করানো জরুরি।
মূল পদক্ষেপ
- বাচ্চা বয়স থেকে সামাজিকীকরণ শুরু করুন: নতুন মানুষ, কুকুর, শব্দ ও পরিবেশের সঙ্গে পরিচয়।
- প্রথমে মূল আদেশ শেখান: নাম ধরে ডাক, বসো, শোও, থামো এবং আসো।
- ডাকলে আসার অভ্যাস শুরু থেকেই গড়ুন এবং বারবার অনুশীলন করুন, কারণ শিকারি প্রবৃত্তি এই আদেশকে ছাপিয়ে যেতে পারে।
- প্রতিটি সেশন ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে রাখুন এবং সফলতায় শেষ করুন।
- ছেড়ে দাও ও অপেক্ষা করো আদেশ শেখান, ছোট প্রাণীর পাশে থাকলে কাজে লাগবে।
- কুকুর বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রিট্রিভ, গন্ধ খোঁজা বা ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণে কাজের প্রবৃত্তি খরচ করান।
- বাড়ির পরিবেশের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ও বাধার মধ্যে প্রতিটি আদেশ পাকা করুন।
প্রজনন ও বাচ্চার যত্ন
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টারের গর্ভকাল প্রায় ৬৩ দিন এবং সাধারণত ৭ থেকে ৯টি বাচ্চা হয়; দায়িত্বশীল প্রজনন পরিপক্কতা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই হওয়া উচিত।
গর্ভকাল প্রায় ৬৩ দিন এবং সাধারণত ৭ থেকে ৯টি বাচ্চা হয়, তবে কমবেশি হতে পারে। মেয়ে কুকুর ৬ থেকে ১২ মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয়, কিন্তু দায়িত্বশীল প্রজননকারীরা শারীরিক ও মানসিক পরিপক্কতা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, সাধারণত দ্বিতীয় বছরের কাছাকাছি।
নবজাতক বাচ্চা অন্ধ ও বধির এবং উষ্ণতা ও দুধের জন্য মায়ের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। ১০ থেকে ১৪ দিনে চোখ খোলে। প্রায় ৩ থেকে ৪ সপ্তাহে শক্ত খাবার খাওয়া শুরু হয় এবং ৭ থেকে ৮ সপ্তাহে দুধ ছাড়ানো শেষ হয়। প্রথম কয়েক সপ্তাহে মানুষের স্পর্শ ও দৈনন্দিন শব্দ ও দৃশ্যের সঙ্গে পরিচয় পরে স্থিরচিত্ত প্রাপ্তবয়স্ক তৈরিতে সাহায্য করে। সাধারণত ৮ সপ্তাহ বা তার পরে বাচ্চা নতুন বাড়িতে দেওয়া হয়। এই কর্মশীল জাতের নৈতিক প্রজননকারীরা মিলনের আগে হিপ, চোখ ও স্বভাব পরীক্ষা করে দেখেন।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| যৌন পরিপক্কতা | ৬ থেকে ১২ মাস (প্রজনন ২ বছরের পর করানো ভালো) |
| গর্ভকাল | প্রায় ৬৩ দিন |
| গড় বাচ্চার সংখ্যা | ৭ থেকে ৯টি |
| চোখ খোলে | প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিনে |
| দুধ ছাড়ানো | প্রায় ৭ থেকে ৮ সপ্তাহে |
| নতুন বাড়িতে যাওয়ার বয়স | ৮ সপ্তাহ বা তার পরে |
জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুর ও তার মাইক্রোচিপ নিবন্ধন
United Pet Club-এ আপনার জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।
বাংলাদেশে জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুর নিবন্ধনের উপায়
বাংলাদেশে পোষা কুকুরের কোনো জাতীয় নিবন্ধন খাতা নেই, তাই হারিয়ে যাওয়া জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুর আর আপনার মাঝে সেতু গড়ার দায়িত্বটা আপনারই। United Pet Club-এর বিনামূল্যের প্রোফাইল আপনার ফোন নম্বর ও ঠিকানা কুকুরের পরিচয়ের সঙ্গে বেঁধে রাখে; ঢাকার ক্লিনিকে বা বিদেশের শেল্টারে স্ক্যান হলেই খোঁজ পৌঁছে যায় আপনার কাছে। কুকুর নিবন্ধন করুন।
জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুরের চামড়ার নিচের পনেরোটা সংখ্যা তখনই আপনার কাছে পৌঁছায় যখন কোনো খাতা সেটা বলে। United Pet Club-কে বিনামূল্যে বলতে দিন: নিবন্ধনের মেয়াদ ফুরায় না, সব ব্র্যান্ড চলে, আর তথ্য বদলানো সব সময় ফ্রি। আগে চিপ নিবন্ধন, পরে অ্যাকাউন্ট।
বাংলাদেশে আমার জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুর কীভাবে নিবন্ধন করব?
United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।
আমার জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুরের মাইক্রোচিপ কীভাবে নিবন্ধন করব?
পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।
বাংলাদেশে জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুরের জন্য চিপ কি বাধ্যতামূলক?
জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।
জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার জাতের কুকুর নিবন্ধনে খরচ কত?
কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার নিয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলো এর আকার, স্বভাব, যত্নের চাহিদা, আয়ু, অন্য প্রাণীর সঙ্গে মিলেমিশে থাকা এবং বাংলাদেশে পাওয়ার সুযোগ নিয়ে।
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার কতটা বড় হয়?
এটি বড় জাত। পুরুষ কুকুর কাঁধে প্রায় ৬১ থেকে ৬৬ সেন্টিমিটার উঁচু হয়, মেয়ে কুকুর সাধারণত একটু ছোট। বেশিরভাগ কুকুরের ওজন ২৩ থেকে ৩২ কেজির মধ্যে।
এই জাত কি পারিবারিক কুকুর হিসেবে উপযুক্ত?
সক্রিয় পরিবারের জন্য হ্যাঁ। পরিবারের প্রতি অনুগত এবং চেনা শিশুদের সঙ্গে ধৈর্যশীল, তবে এর আকার ও উদ্দামতা ছোট শিশুর চেয়ে বড় শিশুর সঙ্গে বেশি মানানসই। অপরিচিতদের সঙ্গে দূরত্ব রাখে বলে ছোটবেলা থেকে সামাজিকীকরণ জরুরি।
এই কুকুর পালতে কি কঠিন?
লোমের যত্ন মোটামুটি সহজ, সপ্তাহে এক-দুইবার ব্রাশ ও মাঝে মাঝে স্ট্রিপিং দরকার। কঠিন দিকটি হলো ব্যায়াম। প্রতিদিন ১ থেকে ২ ঘণ্টার জোরালো কার্যক্রম দরকার, তাই যারা বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকেন বা কম সক্রিয়, তাদের জন্য পালা কঠিন। ঢাকার আর্দ্র আবহাওয়ায় বর্ষায় লোম ও কান শুকনো রাখার বাড়তি দায়িত্বও আছে।
জার্মান ওয়্যারহেয়ারড পয়েন্টার কতদিন বাঁচে?
সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পশুচিকিৎসার যত্নে বেশিরভাগ কুকুর ১২ থেকে ১৪ বছর বাঁচে।
অন্য পোষা প্রাণীর সঙ্গে কি মিলতে পারে?
ছোটবেলা থেকে পরিচয় থাকলে অন্য কুকুরের সঙ্গে ভালো থাকে। শক্ত শিকারি প্রবৃত্তির কারণে বিড়াল ও ছোট প্রাণী তাড়া করার সম্ভাবনা থাকে। মিশ্র পোষা প্রাণীর পরিবারে সতর্ক পরিচয় ও নিয়মিত নজরদারি দরকার।
এই জাতে লোম কি অনেক ঝরে?
লোম ঝরানো মাঝারি। ঋতু পরিবর্তনে বেশি ঝরে। সপ্তাহে নিয়মিত ব্রাশ করলে ঘরে লোম ছড়ানো নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
বাংলাদেশে কি এই জাতের কুকুর পাওয়া যায়?
এই জাত বাংলাদেশে বেশ বিরল। কেনেল ক্লাব অব বাংলাদেশ বা বিশ্বস্ত প্রজননকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং অপেক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকুন। বিদেশ থেকে আনার ক্ষেত্রে সরকারি আমদানি বিধি ও কোয়ারেন্টাইন নিয়ম সম্পর্কে আগে জেনে নিন।
From the community
Ask about the জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টারNo questions about the জার্মান ওয়্যারহেয়ার্ড পয়েন্টার yet. Be the first to ask.
Browse Dog breeds










