
ডয়চার ভাখটেলহুন্ড হলো এক কঠোরসহিষ্ণু জার্মান ফ্লাশিং স্প্যানিয়েল, যা তার বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব, বহুমুখিতা এবং শিকারের প্রতি নিষ্ঠার জন্য পরিচিত।
How the ডয়েচার ভাখটেলহুন্ড coat is built, and what that means when you groom it.
সতর্কতা: A ডয়েচার ভাখটেলহুন্ড coat mats easily.
মিহি বা লম্বা লোম লোমের গোড়ায়, চোখের আড়ালে, জড়িয়ে যায়, যেখানে জট শক্ত হয়ে চামড়া টানে। ব্রাশ ভাগ ভাগ করে একেবারে গোড়া পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে, শুধু উপর দিয়ে চালালে হবে না।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট জার্মানির মাঝারি আকারের একটি বহুমুখী শিকারি স্প্যানিয়েল, বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব এবং হ্যান্ডলারের সঙ্গে কাছাকাছি থেকে কাজ করার প্রবল প্রবণতার জন্য পরিচিত।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট, যাকে মাঝেমধ্যে জার্মান স্প্যানিয়েলও বলা হয়, জার্মানিতে গড়ে ওঠা একটি মাঝারি আকারের শিকারি কুকুর। বন, মাঠ ও পানিতে শিকার খুঁজে বের করা, তাড়িয়ে তোলা এবং আনার কাজে এই ফ্লাশিং ও ট্র্যাকিং স্প্যানিয়েল ব্যবহৃত হয়। কর্মজীবী শিকারিদের কাছে এই জাত তার ঘ্রাণশক্তি, সহনশীলতা এবং আহত শিকারের গন্ধ ধরে বহুদূর পর্যন্ত অনুসরণ করার ইচ্ছার জন্য সমাদৃত।
এটি মূলত একটি কর্মী কুকুর। পরিবার ও হ্যান্ডলারের প্রতি এর স্বভাব বন্ধুত্বপূর্ণ ও বাধ্যগত, তবে এই জাত সারাদিনের শারীরিক পরিশ্রমের জন্য তৈরি এবং সেই শক্তি খরচ করার একটা পথ তার দরকার হয়। উপযুক্ত পরিবারে ব্যায়ামের পর এটি ঘরে শান্ত ও স্নেহশীল থাকে, মনোযোগী থাকে এবং দ্রুত শেখে।
সক্রিয় মালিক, শিকারি এবং গ্রামীণ পরিবার, যারা প্রতিদিন ব্যায়াম করানোর ও কাজ দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে, তাদের জন্য ভাখটেলহুন্ট মানানসই। যথেষ্ট কার্যক্রম ছাড়া নিষ্ক্রিয় ফ্ল্যাটবাসী জীবনের সঙ্গে এটি ততটা খাপ খায় না, কারণ কাজ না পেলে এই ধরনের কুকুর অস্থির হয়ে উঠতে পারে।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| উৎপত্তি | জার্মানি |
| আকার | মাঝারি |
| গড় আয়ু | ১২ থেকে ১৪ বছর |
| শ্রেণি/ভূমিকা | ফ্লাশিং ও ট্র্যাকিং স্প্যানিয়েল (বহুমুখী গানডগ) |
| উপযোগী | সক্রিয় পরিবার, অভিজ্ঞ ও নতুন শিকারি, গ্রামীণ পরিবার |
যারা শিকার করেন বা যারা শিকারের কাজের বদলে প্রতিদিন দীর্ঘ ব্যায়াম ও ঘ্রাণ-ট্র্যাকিং খেলা দিতে পারেন, এই জাত তাদের জন্য মানানসই। এটি হ্যান্ডলারের সঙ্গে গভীর বন্ধন গড়ে তোলে এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সঙ্গ পেলে সবচেয়ে ভালো থাকে। যেসব পরিবার দীর্ঘ সময় বাইরে থাকে বা এর কার্যক্রমের চাহিদা মেটাতে পারে না, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে জার্মানিতে পুরনো জার্মান শিকারি স্প্যানিয়েল থেকে ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট গড়ে তোলা হয়, উদ্দেশ্য ছিল একজন কর্মজীবী শিকারির জন্য বহুমুখী গানডগ তৈরি করা।
এই জাতের শিকড় পুরনো জার্মান ল্যান্ড স্প্যানিয়েলদের মধ্যে, যেসব কুকুর শতাব্দীর পর শতাব্দী মধ্য ইউরোপে শিকারিদের সঙ্গে থেকে শিকার খুঁজে বের করার কাজ করত। ঊনবিংশ শতাব্দীতে যখন নির্দিষ্ট পয়েন্টিং ও রিট্রিভিং জাতের প্রসার ঘটছিল, তখন প্রজননকারীরা পায়ে হেঁটে শিকার করা মানুষদের জন্য কাছাকাছি থেকে কাজ করা একটি ফ্লাশিং ও ট্র্যাকিং স্প্যানিয়েলকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন।
আধুনিক জাতটি ১৮৯০-এর দশকে জার্মানিতে রূপ নেয়। অবশিষ্ট স্প্যানিয়েল বংশ থেকে ধরন ও কাজের সক্ষমতা একত্র করার প্রাথমিক কাজের বেশিরভাগ কৃতিত্ব ফ্রেডেরিক রবার্টকে দেওয়া হয়। এরপর একটি প্রজনন রেজিস্ট্রি ও ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং জাতটির নামের বাংলা অর্থ দাঁড়ায় মোটামুটি "জার্মান কোয়েল কুকুর", যা পাখি শিকারে এর প্রাথমিক ব্যবহারের প্রতিফলন।
বিংশ শতাব্দী জুড়ে ভাখটেলহুন্ট মূলত শোয়ের মঞ্চের জন্য নয়, বরং শিকারিদের দ্বারা ও শিকারিদের জন্যই প্রজনন করা হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব পেয়েছে ঘ্রাণশক্তি, আহত শিকারের পথ অনুসরণ করার ক্ষমতা, পানিতে কাজ করার দক্ষতা এবং সহযোগিতামূলক স্বভাব। কাজের প্রতি এই মনোযোগ জাতটিকে তার মূল উদ্দেশ্যের কাছাকাছি রেখে দিয়েছে।
জার্মানি ও জার্মান-ভাষী অঞ্চলের বাইরে ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট এখনো তুলনামূলকভাবে বিরল, বাংলাদেশেও এই জাতের দেখা মেলা কঠিন। যেখানেই এটি পাওয়া যায়, সেখানে মূলত একটি কর্মজীবী গানডগ হিসেবেই একে রাখা হয়, এবং সেসব এলাকার প্রজননকারীরা প্রায়ই জার্মান কর্মী বংশধারার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট মাঝারি আকারের একটি মজবুত স্প্যানিয়েল, লম্বা ঢেউ খেলানো কোট, লম্বা লোমশ কান এবং ঘন জঙ্গল ও পানিতে কাজের উপযোগী পেশিবহুল গড়ন নিয়ে।
ভাখটেলহুন্ট শক্তপোক্ত গড়নের এবং উচ্চতার তুলনায় সামান্য বেশি লম্বা, হাড় মজবুত ও পেশি সুগঠিত। গতির চেয়ে সহনশীলতার জন্যই এর শরীর তৈরি, বুক গভীর এবং পেছনের অংশ শক্তিশালী। মাথা মাঝারি লম্বা ও স্পষ্ট স্টপযুক্ত, আর লম্বা কান উঁচুতে বসানো এবং মাথার কাছ ঘেঁষে ঝুলে থাকে। সব মিলিয়ে এটিকে দেখলে মনে হয় এমন একটি কর্মী স্প্যানিয়েল, যে সারাদিন ঘন জঙ্গল ঠেলে এগিয়ে যেতে পারে।
| বৈশিষ্ট্য | মান |
|---|---|
| উচ্চতা | কাঁধ পর্যন্ত আনুমানিক ৪৫-৫৪ সেমি (১৮-২১ ইঞ্চি) |
| ওজন | আনুমানিক ১৮-৩০ কেজি (৪০-৬৬ পাউন্ড) |
| কোট | লম্বা, ঘন, ঢেউ খেলানো থেকে সামান্য কোঁকড়ানো, কান, পা ও লেজে পালকের মতো লোম |
| রং | নিরেট বাদামি (কখনো সাদা দাগসহ) এবং বাদামি রোয়ান বা শিমেল (ছিটছিট দাগযুক্ত) |
| চোখ | গাঢ় বাদামি, মাঝারি আকারের, সতর্ক দৃষ্টি |
এই ডাবল কোট পানি প্রতিরোধী এবং ঘন জঙ্গলে সুরক্ষা দেয়। দুটি প্রধান রং-প্যাটার্ন দেখা যায়, প্রথমটি নিরেট বাদামি, যাতে বুক ও পায়ের আঙুলে ছোট সাদা দাগ থাকতে পারে, আর দ্বিতীয়টি রোয়ান বা শিমেল প্যাটার্ন, যেখানে বাদামি ও সাদা ছিটছিট রং কোট জুড়ে মিশে থাকে, প্রায়ই বড় বড় বাদামি ছোপসহ। কর্মী বংশধারায় দুটি প্যাটার্নই সঠিক এবং সাধারণ। কান, পা ও পেটের নিচের ঘন লোমে নিয়মিত যত্ন দরকার, যাতে কাঁটাঝোপের কাঁটা ও জট না জমে। বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় এই লোম শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে বাড়তি মনোযোগ প্রয়োজন হতে পারে।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট বন্ধুত্বপূর্ণ, বুদ্ধিমান এবং হ্যান্ডলারের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত, উচ্চ শক্তি ও শিকার-ট্র্যাকিংয়ের প্রবল প্রবণতাসহ।
নিজের পরিবারের কাছে ভাখটেলহুন্ট সুস্থির ও স্নেহপ্রবণ। হ্যান্ডলারের সঙ্গে এটি ঘনিষ্ঠ বন্ধন গড়ে তোলে এবং দলের অংশ হয়ে কাজ করতেই সবচেয়ে খুশি থাকে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এটি নম্র ও নির্ভরযোগ্য, এবং শিশুদের সঙ্গে বড় হলে ও পর্যাপ্ত ব্যায়াম পেলে সাধারণত ভালোভাবে মানিয়ে নেয়।
অপরিচিতদের সঙ্গে এই জাত সাধারণত সতর্ক না হয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করে, যদিও প্রতিটি কুকুরের ক্ষেত্রে তারতম্য থাকে। কেউ এলে এটি খেয়াল করে, তবে এটি নিবেদিতপ্রাণ পাহারাদার কুকুর নয়। অন্য কুকুরের সঙ্গে এটি সাধারণত মিশুক, বিশেষ করে চেনা কুকুরের সঙ্গে।
শিকারের প্রবণতাই এই জাতের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। ছোট পোষা প্রাণী, বিড়াল ও গবাদি পশু দেখলে তীব্র শিকার-তাড়া প্রতিক্রিয়া জেগে উঠতে পারে, আর কোনো গন্ধ পেলে ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রশিক্ষণও পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে। ছোটবেলা থেকে অন্য প্রাণীর সঙ্গে পরিচয় করালে সাহায্য হয়, তবে এই সহজাত প্রবৃত্তি গভীরে প্রোথিত এবং তা সামলে রাখতে হয়। এটি চিন্তাশীল, উচ্চ-প্রবণতার কুকুর যার একটি কাজ দরকার, তা না পেলে সে বিরক্ত হয়ে নিজের মতো করে সময় কাটানোর পথ খুঁজে নেয়।
| বৈশিষ্ট্য | মাত্রা |
|---|---|
| স্নেহ | ৪ |
| শক্তি | ৫ |
| প্রশিক্ষণযোগ্যতা | ৪ |
| ডাকাডাকির প্রবণতা | ৩ |
| লোম ঝরা | ৩ |
ডয়েচার ভাখটেলহুন্টের প্রয়োজন প্রচুর দৈনিক ব্যায়াম, নিয়মিত কোটের যত্ন এবং ভারসাম্যপূর্ণ ও সন্তুষ্ট থাকার জন্য একটি কাজ বা কার্যক্রম।
বেড়া দেওয়া নিরাপদ উঠান আর বাইরে সক্রিয় থাকা একজন মালিকসহ গ্রামীণ বা শহরতলির বাড়িতে ভাখটেলহুন্ট সবচেয়ে ভালো থাকে। ব্যায়ামের চাহিদা মিটে গেলে এটি ঘরের ভেতরেও স্বচ্ছন্দে থাকতে পারে, এবং দীর্ঘ সময় একা খাঁচায় থাকার চেয়ে পরিবারের কাছাকাছি থাকতেই এটি পছন্দ করে। ফ্ল্যাটে থাকা সম্ভব, তবে কেবল নিয়মিত দৈনিক ব্যায়াম ও মানসিক উদ্দীপনার প্রতিশ্রুতি থাকলেই।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্টের উচ্চ কর্মক্ষমতার সঙ্গে মানানসই সুষম খাদ্য দরকার, কাজের ও বিশ্রামের সময়ের ভিত্তিতে খাবারের পরিমাণ সমন্বয় করে একে ছিপছিপে রাখতে হয়।
একটি সক্রিয় কর্মী জাত হিসেবে ভাখটেলহুন্টের জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন ও চর্বিযুক্ত একটি সম্পূর্ণ, ভালো মানের খাদ্য উপকারী, যা দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমের শক্তি জোগায়। শিকার বা ভারী প্রশিক্ষণের সময় শক্তির চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায় এবং অফ-সিজনে কমে যায়, তাই সারা বছর একই পরিমাণ খাওয়ানোর বদলে কুকুরকে কর্মক্ষম ও ছিপছিপে রাখতে খাবারের পরিমাণ সমন্বয় করা উচিত। খাবার সারাক্ষণ পাত্রে রেখে না দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে মেপে খাওয়ান, এবং সবসময় তাজা পানি সরবরাহ রাখুন।
| জীবনপর্যায় | দৈনিক পরিমাণ | খাবারের সংখ্যা |
|---|---|---|
| পাপি (২ থেকে ৬ মাস) | খাদ্যের লেবেল অনুযায়ী, ভাগ করে | ৩ থেকে ৪ |
| কিশোর (৬ থেকে ১২ মাস) | খাদ্যের লেবেল অনুযায়ী, ভাগ করে | ২ থেকে ৩ |
| প্রাপ্তবয়স্ক (কর্মরত) | আনুমানিক ৩০০-৪৫০ গ্রাম শুকনো খাবার | ২ |
| প্রাপ্তবয়স্ক (কম সক্রিয়) | আনুমানিক ২০০-৩২০ গ্রাম শুকনো খাবার | ২ |
| বয়স্ক | কম ক্যালরি, প্রোটিন বজায় রেখে | ২ |
প্রশিক্ষণের পুরস্কার হিসেবে ট্রিট মেপে দিন এবং ওজন বেড়ে যাওয়া এড়াতে এটিকে দৈনিক ক্যালরির হিসাবে ধরুন। সম্পূর্ণ খাদ্য পাওয়া বেশিরভাগ সুস্থ কুকুরের আলাদা সাপ্লিমেন্টের দরকার হয় না। ভারী কাজের পর পরের খাবারের আগে কুকুরকে পানি পান করিয়ে ও বিশ্রাম নিয়ে সেরে উঠতে দিন। জয়েন্ট, ত্বক বা অন্য কোনো সাপ্লিমেন্ট যোগ করার আগে, এবং কোনো পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকা কুকুরের খাদ্য পরিবর্তনের আগে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট সাধারণত হৃষ্টপুষ্ট, গড় আয়ু ১২ থেকে ১৪ বছর, তবে কানের সংক্রমণ, হিপ ডিসপ্লেসিয়াসহ আরও কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অনেক পিওরব্রেড কুকুরের তুলনায় ভাখটেলহুন্টে বংশগত সমস্যা তুলনামূলক কম, একটি মজবুত কর্মী জাত, যার একটি কারণ হলো একে চেহারার বদলে কাজের সক্ষমতার জন্য প্রজনন করা হয়েছে। সাধারণ আয়ু ১২ থেকে ১৪ বছর। যেকোনো সক্রিয় কুকুরের মতোই, কান, জয়েন্ট ও ওজনের প্রতি নজর দিলে দীর্ঘ কর্মজীবন সহজ হয়। দায়িত্বশীল প্রজননকারীরা প্রজননের কুকুরদের পরিচিত সমস্যার জন্য পরীক্ষা করান।
| সমস্যা | লক্ষণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| কানের সংক্রমণ (ওটাইটিস) | মাথা ঝাঁকানো, দুর্গন্ধ, কান চুলকানো | লম্বা ঝুলে থাকা কানের কারণে বেশি হয়; নিয়মিত পরীক্ষা ও পরিষ্কার রাখুন |
| হিপ ডিসপ্লেসিয়া | শক্ত হয়ে যাওয়া, লাফাতে অনীহা, চলনে পরিবর্তন | প্রজননের কুকুর পরীক্ষা করান; জয়েন্টের চাপ কমাতে কুকুরকে ছিপছিপে রাখুন |
| ত্বক ও লোমের সমস্যা | চুলকানি, হট স্পট, জ্বালাপোড়া | প্রায়ই কোটে আটকে থাকা আর্দ্রতা বা ময়লার সঙ্গে জড়িত |
| চোখের সমস্যা | ঘোলাটে ভাব, দৃষ্টিতে পরিবর্তন | কম দেখা যায়; কোনো পরিবর্তন হলে পশুচিকিৎসককে জানান |
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট বুদ্ধিমান এবং হ্যান্ডলারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী, ধারাবাহিক পুরস্কার-ভিত্তিক নির্দেশনা ও স্পষ্ট একটি কাজ পেলে এটি সহজেই প্রশিক্ষণযোগ্য হয়ে ওঠে।
ভাখটেলহুন্ট দ্রুত শেখে এবং হ্যান্ডলারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে চায়, এই বৈশিষ্ট্যগুলোই একজন ধারাবাহিক মালিকের জন্য প্রশিক্ষণকে ফলপ্রসূ করে তোলে। কাঠামো ও একটি লক্ষ্যের অনুভূতিতেই এই জাত সবচেয়ে ভালো বেড়ে ওঠে। শিকারের প্রবণতা প্রবল বলে ডাকে সাড়া দেওয়া ও নিজেকে সংযত রাখা শেখানোর কাজ শুরু থেকেই এবং ধারাবাহিকভাবে করা দরকার, আর নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ ঘেরা জায়গা বা লম্বা দড়ি ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বাধ্যতার মতোই মানসিক চ্যালেঞ্জও গুরুত্বপূর্ণ; একটি বিরক্ত ভাখটেলহুন্টকে সামলানো একটি ক্লান্ত ভাখটেলহুন্টের চেয়ে কঠিন।
১. পাপিকে মানুষ, অন্য প্রাণী, বিভিন্ন পৃষ্ঠতল ও শব্দের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে শুরু থেকেই সামাজিকীকরণ করান। ২. ভারী মনোযোগ-বিক্ষেপ শেখানোর আগে নাম চেনা ও নির্ভরযোগ্য ডাকে সাড়া দেওয়া শেখান। ৩. ছোট ছোট, ঘন ঘন সেশনে মূল আনুগত্য (বসো, থাকো, শুয়ে পড়ো, হিল) গড়ে তুলুন। ৪. স্বাভাবিক প্রবণতাকে সঠিক পথে চালাতে ঘ্রাণ ও আনার খেলা প্রবর্তন করুন। ৫. শিকারের গন্ধ ও অন্যান্য প্রবল মনোযোগ-বিক্ষেপের চারপাশে ধীরে ধীরে নির্দেশনাগুলো যাচাই করুন। ৬. শিকারের জন্য প্রস্তুত করা কুকুরদের জন্য মাঠের কাজ বা ট্র্যাকিংয়ের কাজে এগিয়ে যান।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট সাধারণত মাঝারি আকারের লিটার দেয়, এবং স্বভাব ও শিকারের সক্ষমতা ধরে রাখতে স্বাস্থ্য-পরীক্ষিত ও কাজে-যাচাই করা মা-বাবা থেকে বেছে প্রজনন করানো হয়।
ভাখটেলহুন্টের দায়িত্বশীল প্রজনন কেন্দ্রীভূত কাজের সক্ষমতা, সুস্থির স্বভাব ও স্বাস্থ্যের ওপর। জার্মানিতে বিশেষ করে অনেক প্রজননকারী প্রজননের আগে মা-বাবাকে শিকারের যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে বাধ্য করেন, পাশাপাশি হিপসহ অন্যান্য সমস্যার জন্য স্বাস্থ্য-পরীক্ষাও করান। মাদি কুকুর সাধারণত প্রজনন করানোর আগে শারীরিক ও আচরণগত পরিপক্বতায় পৌঁছায়, এবং ড্যামের স্বাস্থ্য ও লিটারের গুণমানের স্বার্থে সাধারণত পূর্ণ পরিপক্বতা না আসা পর্যন্ত প্রজনন পেছানো হয়।
কুকুরের গর্ভধারণকাল প্রায় ৬৩ দিন। পাপি জন্মের সময় সম্পূর্ণ অসহায় থাকে এবং প্রথম কয়েক সপ্তাহ পুরোপুরি মায়ের ওপর নির্ভর করে, চোখ খোলে প্রায় দুই সপ্তাহ বয়সে। প্রথম কয়েক সপ্তাহে যত্নসহকারে পরিচালনা, সামাজিকীকরণ ও বিভিন্ন উদ্দীপনার সংস্পর্শ প্রাপ্তবয়স্ক কুকুরের আত্মবিশ্বাস ও প্রশিক্ষণযোগ্যতা গঠন করে। পাপি সাধারণত প্রায় আট সপ্তাহ বয়স থেকে দুধ ছাড়িয়ে নতুন বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়, যদিও কিছু কর্মী-জাত প্রজননকারী প্রাথমিক যোগ্যতা যাচাই শুরু করতে তাদের আরও কিছুদিন রেখে দেন।
জার্মান-ভাষী অঞ্চলের বাইরে এই জাত তুলনামূলকভাবে বিরল হওয়ায়, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সম্ভাব্য মালিকদের প্রায়ই প্রতিষ্ঠিত কর্মী-কেনেল থেকে লিটারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এই জাত আমদানি বা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কেনেল ক্লাবের নির্দেশনা ও এফসিআই-অনুমোদিত সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সহায়ক হতে পারে।
| মাপকাঠি | মান |
|---|---|
| যৌন পরিপক্বতা | আনুমানিক ৬ থেকে ১২ মাস (পূর্ণ পরিপক্বতা পর্যন্ত প্রজনন পেছানো হয়) |
| গর্ভধারণকাল | আনুমানিক ৬৩ দিন |
| গড় লিটারের আকার | আনুমানিক ৬ থেকে ৮টি পাপি |
| চোখ খোলে | প্রায় ১৪ দিনে |
| দুধ ছাড়ানো | প্রায় ৬ থেকে ৮ সপ্তাহে |
| নতুন বাড়িতে যাওয়া | প্রায় ৮ সপ্তাহ থেকে |
United Pet Club-এ আপনার ডয়েচার ভাখটেলহুন্ড জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।
যে কুকুরের রেকর্ড আছে, সে এক ফোনেই ঘরে ফেরে। আপনার ডয়েচার ভাখটেলহুন্ড জাতের কুকুরের রেকর্ডটা বিনামূল্যে গড়ে নিন: ছবি, তথ্য আর আপনার নম্বর, এমন প্রোফাইলে যা সারা জীবন টিকে থাকে আর কখনো এক টাকাও চায় না। নিবন্ধন একবারের কাজ।
চিকিৎসক চিপ বসিয়ে দেন, কিন্তু নম্বরটা নিবন্ধন কেউ আপনার হয়ে করে না, আর অনিবন্ধিত চিপ কারও পরিচয় বলে না। মাইক্রোচিপ নিবন্ধন করুন, আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে: যেকোনো ব্র্যান্ডের চিপ গ্রহণযোগ্য, ঠিকানা বদলালে হালনাগাদ ফ্রি, আর রেকর্ড দেশে-বিদেশে সব সময় খোঁজা যায়। বিদেশ ভ্রমণে প্রাণিসম্পদের Animal Quarantine কাগজপত্রের পাশে এই রেকর্ডই আপনার কুকুরের পরিচয় বহন করে। বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন।
United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, ডয়েচার ভাখটেলহুন্ড জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।
পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।
জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।
কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।
ডয়েচার ভাখটেলহুন্ট নিয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলো এর আকার, স্বভাব, যত্নের চাহিদা, আয়ু, উপযোগিতা ও প্রাপ্যতা নিয়ে।
এটি মাঝারি আকারের কুকুর, কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৪৫-৫৪ সেমি (১৮-২১ ইঞ্চি) এবং ওজন প্রায় ১৮-৩০ কেজি (৪০-৬৬ পাউন্ড), গড়ন মজবুত ও পেশিবহুল।
এটি বন্ধুত্বপূর্ণ, বুদ্ধিমান এবং হ্যান্ডলারের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত, শক্তি খুবই বেশি এবং শিকার ও ট্র্যাকিংয়ের প্রবল প্রবণতা রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে এটি নম্র, তবে সন্তুষ্ট থাকতে তার একটি কাজ দরকার।
লোমের যত্ন বা খাওয়ানো কঠিন নয়, তবে ব্যায়ামের চাহিদা অনেক বেশি। প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টা জোরালো কার্যক্রম আর মানসিক কাজ দরকার, তাই নিষ্ক্রিয় পরিবারের চেয়ে সক্রিয় বা শিকারি পরিবারেই এটি বেশি মানানসই।
সাধারণ আয়ু ১২ থেকে ১৪ বছর। এই জাত সাধারণত হৃষ্টপুষ্ট, আর কান, জয়েন্ট ও ওজনের নিয়মিত যত্ন দীর্ঘ, সুস্থ জীবনে সহায়ক।
সক্রিয় পরিবারের জন্য এটি চমৎকার সঙ্গী হতে পারে, স্নেহপ্রবণ এবং যেসব শিশুর সঙ্গে বড় হয় তাদের সঙ্গে ভালো থাকে। শিকারের প্রবল প্রবণতার কারণে ছোট পোষা প্রাণী, বিড়াল ও গবাদি পশুর আশপাশে সতর্কতা প্রয়োজন।
জার্মানি ও জার্মান-ভাষী অঞ্চলের বাইরে এই জাত তুলনামূলকভাবে বিরল, যেখানে একে মূলত কর্মী গানডগ হিসেবে রাখা হয়। বাংলাদেশসহ অন্যান্য জায়গার সম্ভাব্য মালিকদের প্রায়ই প্রতিষ্ঠিত কর্মী-কেনেল থেকে লিটারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
শিকার করা বাধ্যতামূলক নয়, তবে এর শক্তি ও প্রবণতার জন্য একই মানের একটি বিকল্প দরকার, যেমন ট্র্যাকিং, ঘ্রাণ-কাজ বা আনার খেলা। যথেষ্ট কার্যক্রম না পেলে এটি বিরক্ত ও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।