United Pet Club
অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার — a ছোট, প্রাণবন্ত কুকুর breed originating in অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার একটি প্রাণবন্ত, সাহসী ছোট্ট কর্মঠ টেরিয়ার, যা তার দৃঢ় আত্মবিশ্বাস এবং নিবেদিত সঙ্গদানের জন্য পরিচিত।

Size
ছোট
Lifespan
11–15 years
Origin
অস্ট্রেলিয়া
Temperament
প্রাণবন্ত
Standard colors
নীল, ট্যান, লাল এবং বালুরঙা
Key Traits
প্রাণবন্তআত্মবিশ্বাসীসতর্কবিশ্বস্তসাহসী

Characteristics

Energy Level4
Trainability4
Good With Kids3
Good With Pets4
Grooming Needs5

Coat and grooming

How the অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার coat is built, and what that means when you groom it.

লোমের স্তর
দ্বিস্তর লোম
লোমের গড়ন
খসখসে
লোমের দৈর্ঘ্য
মাঝারি
লোম ঝরা
কম ঝরা

Grooming guidance

  • সতর্কতা: A অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার coat should be hand-stripped rather than clipped.

    খসখসে লোম এমনভাবে তৈরি যে লোম পেকে আলগা হওয়ার মুখে এলে গোড়া থেকে টেনে তুলতে হয়। মেশিন তার বদলে মাঝখান থেকে কেটে দেয় আর নিচে নরম স্তর রেখে যায়। ফল হলো এমন লোম যা নেতিয়ে ও ফ্যাকাশে হয়ে গজায়, আর আবহাওয়া-প্রতিরোধী গড়ন নতুন করে টেনে তোলার পরেই ফেরে।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার colors and patterns

What each club's breed standard says about every অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.

Breed standards describe the অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার in নীল, ট্যান, লাল এবং বালুরঙা. Standard patterns: একরঙা এবং ট্যান পয়েন্ট.

লোম: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
নীলমানসম্মত (“Blue, steel blue or dark grey blue”)মানসম্মত (“Blue & Tan”)মানসম্মত (“dark blue, steel blue, dark gray blue or silver blue”)মানসম্মত (“Blue, steel blue or dark grey blue”)মানসম্মত (“Blue, steel blue, or dark grey-blue”)
ট্যানমানসম্মত (“rich tan (not sandy)”)মানসম্মত (“Blue & Tan”)মানসম্মত (“The tan markings are as rich as possible”)মানসম্মত (“rich tan (not sandy)”)মানসম্মত (“rich tan (not sandy)”)
লালমানসম্মত (“red”)মানসম্মত (“Red”)মানসম্মত (“solid red”)মানসম্মত (“red”)মানসম্মত (“red”)
বালুরঙামানসম্মত (“Clear sandy”)মানসম্মত (“Sandy”)মানসম্মত (“any shade of solid sandy”)মানসম্মত (“Clear sandy”)মানসম্মত (“Clear sandy”)
কালোস্বীকৃত নয়ত্রুটি (“All black body coat in the adult dog”)ত্রুটি (“All black coat (except in puppies)”)স্বীকৃত নয়স্বীকৃত নয়
অ্যালবিনোস্বীকৃত নয়স্বীকৃত নয়অযোগ্যকারী (“Albinism”)স্বীকৃত নয়স্বীকৃত নয়
Patterns
একরঙামানসম্মত (“Clear sandy or red”)মানসম্মত (“solid sandy and solid red”)মানসম্মত (“solid sandy or solid red”)মানসম্মত (“Clear sandy or red”)মানসম্মত (“Clear sandy or red”)
ট্যান পয়েন্টমানসম্মত (“with rich tan (not sandy) on face, ears, under body, lower legs and feet”)মানসম্মত (“Blue & Tan”)মানসম্মত (“tan markings ... on the face, ears, underbody, lower legs and feet”)মানসম্মত (“with rich tan (not sandy) on face, ears, under body, lower legs and feet”)মানসম্মত (“with rich tan (not sandy) on face, ears, under body, lower legs, feet”)
সেবলত্রুটি (“any smuttiness or dark shadings objectionable”)ত্রুটি (“dark smut in sandy/red coated dogs”)ত্রুটি (“Dark smut in Sandy or Red dogs”)ত্রুটি (“smuttiness or dark shading undesirable”)ত্রুটি (“any smuttiness or dark shadings objectionable”)
চোখ: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
কালোNo rulingমানসম্মত (“dark brown to black (the darker the better)”)No rulingNo rulingNo ruling
গাঢ় বাদামিমানসম্মত (“dark brown”)মানসম্মত (“dark brown to black (the darker the better)”)মানসম্মত (“dark brown”)মানসম্মত (“dark brown”)মানসম্মত (“dark brown”)
হালকা বাদামিNo rulingত্রুটি (“Light-colored ... eyes”)No rulingNo rulingNo ruling
নাক: rulings by club
Color or patternFCIAKCUKCKCKUSA
কালোমানসম্মত (“Black”)মানসম্মত (“Black”)মানসম্মত (“black”)মানসম্মত (“black”)মানসম্মত (“Black”)
গোলাপিNo rulingNo rulingত্রুটি (“Flesh-colored nose”)No rulingNo ruling

What the rulings mean

মানসম্মত
Described by the club's breed standard.
ত্রুটি
Named by the club's breed standard as a fault: the animal can be shown but is penalized.
অযোগ্যকারী
The club's breed standard disqualifies an animal of this color or pattern.
স্বীকৃত নয়
The club does not accept this color or pattern for the breed.

Color changes

How a অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার's colors can change over its life.

  • কালোchanges toমরিচা

    লোম · শারীরিক অবস্থার সঙ্গে · can change back

  • কালোchanges toধূসর

    লোম · ক্রমাগত

  • কালোchanges toনীল

    লোম · ক্রমাগত

  • কালোchanges toবাদামি

    লোম · রোদে · can change back

  • ট্যান পয়েন্টchanges toজিন নকশা

    লোম · বয়সের সঙ্গে · from 6 to 156 weeks

  • কালোchanges toশীতের নাক

    নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back

  • কালোchanges toগোলাপি

    নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার সম্পর্কে

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার অস্ট্রেলিয়ার একটি ছোট আকারের কর্মঠ টেরিয়ার জাত, সাহস, সতর্কতা এবং মালিকের প্রতি গভীর সংযুক্তির জন্য পরিচিত।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কর্মঠ টেরিয়ার জাতগুলোর একটি, কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ২৫ থেকে ২৮ সেন্টিমিটার এবং ওজন প্রায় ৫ থেকে ৭ কেজি। অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ি, খামার ও খনি এলাকায় ইঁদুর ও সাপ দমন করতে এবং পাহারাদার ও সঙ্গী কুকুর হিসেবে কাজ করার জন্য এই জাতটি তৈরি হয়েছিল। ফলাফল হলো একটি মজবুত, নিচু গড়নের কুকুর, যার লোম রুক্ষ ও আবহাওয়া-সহনশীল, আর ছোট শরীরে প্রচুর আত্মবিশ্বাস ঠাসা।

আকারে ছোট হলেও স্বভাবে এটি একেবারে খাঁটি টেরিয়ার। এটি প্রাণবন্ত, সাহসী এবং নিজের এলাকায় নতুন কিছু দেখলেই দ্রুত সাড়া দেয়। একই সঙ্গে পরিবারের সঙ্গে গভীর বন্ধন তৈরি করে এবং প্রায়ই একজন বা দুজন মানুষের সঙ্গে বিশেষভাবে সংযুক্ত হয়ে পড়ে, ঘরে ঘরে তাদের পিছু নেয় এবং তাদের নড়াচড়ার দিকে সজাগ নজর রাখে।

যেসব মালিক ছোট আকারের হলেও বড় ব্যক্তিত্বের কুকুর চান এবং শান্ত কোলের কুকুরের বদলে সক্রিয়, সতর্ক সঙ্গী পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই জাত উপযুক্ত। ঢাকার মতো শহরের ফ্ল্যাটে বা বাড়িতে উভয় ক্ষেত্রেই এটি ভালোভাবে মানিয়ে নেয়, যদি প্রতিদিন কার্যক্রম ও সঙ্গ পায়।

সংক্ষিপ্ত তথ্য
বৈশিষ্ট্যবিবরণ
উৎপত্তিঅস্ট্রেলিয়া
আকারছোট (প্রায় ৫ থেকে ৭ কেজি)
আয়ুষ্কাল১১ থেকে ১৫ বছর
গ্রুপ/ভূমিকাটেরিয়ার; ইঁদুর দমনকারী, পাহারাদার, সঙ্গী
যাদের সঙ্গে ভালোপরিবার ও দায়িত্বশীল একক মালিক; বড় শিশুরা; সামাজিকীকরণ করালে অন্য কুকুরের সঙ্গেও সহনশীল

কাদের জন্য উপযুক্ত

যারা প্রায়ই বাড়িতে থাকেন বা কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন, তাদের জন্য এই জাত উপযুক্ত, কারণ দীর্ঘ সময় একা থাকা এর পছন্দ নয়। যেসব মালিক নিয়মিত নিয়মশৃঙ্খলা ও প্রতিদিনের মানসিক ব্যায়াম দিতে পারেন, তারা এর কাছ থেকে ভালো সাড়া পান। ইঁদুর বা খরগোশের মতো ছোট পোষা প্রাণী থাকা পরিবারের সতর্ক থাকা উচিত, কারণ এই টেরিয়ারের শিকারের প্রবৃত্তি এখনও প্রবল।

ইতিহাস ও উৎপত্তি

উনিশ শতকের অস্ট্রেলিয়ায় ব্রিটেন থেকে আনা রুক্ষ-লোমের টেরিয়ার থেকে অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের বিকাশ ঘটে, এবং এটিই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দেশীয় জাত।

১৮০০ সালের গোড়ার দিকে ব্রিটেন থেকে আসা বসতি স্থাপনকারীরা বিভিন্ন রুক্ষ-লোমের টেরিয়ার সঙ্গে করে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসেন, আর সেখান থেকেই এই জাতের সূত্রপাত। ঔপনিবেশিক জীবনের বাস্তব চাহিদা, যেমন ইঁদুর ও সাপ মারা, দোকান ও খামারবাড়ি পাহারা দেওয়া, এবং কঠিন পরিবেশে ভেড়ার পালের সঙ্গে থাকা, এসব বিবেচনায় রেখে এই কুকুরগুলোকে সংকরায়ণ ও নির্বাচনের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়।

ব্রিটেনের উচ্চভূমি ও উত্তরাঞ্চলের ছোট রুক্ষ-লোমের বেশ কয়েকটি টেরিয়ার জাত এই জাতের গঠনে অবদান রাখে। প্রজননকারীরা এমন একটি শক্তসমর্থ, নিচু গড়নের কুকুর পছন্দ করতেন যার রুক্ষ লোম ময়লা ঝেড়ে ফেলতে পারে ও আবহাওয়া সহ্য করতে পারে, পাশাপাশি নিজের চেয়ে অনেক বড় ক্ষতিকর প্রাণীর মুখোমুখি হওয়ার সাহসও থাকে।

উনিশ শতকের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ায় এই জাতটি প্রথম প্রদর্শনীতে তোলা হয়, তখন এর রুক্ষ ও এলোমেলো লোমের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে বিভিন্ন নামে ডাকা হতো। অস্ট্রেলিয়ায় তৈরি হয়ে সেখানে স্বীকৃতি ও প্রদর্শনী পাওয়া এটিই প্রথম জাত, এবং পরে বিশ শতকে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের কেনেল ক্লাবগুলোর স্বীকৃতিও এটি অর্জন করে। বাংলাদেশে এফসিআই-অধিভুক্ত কেনেল সংস্থাগুলোও একই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এই জাতকে চেনে।

ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত অস্ট্রেলিয়ান সিল্কি টেরিয়ার এই বংশধারার একটি অংশ ভাগ করে নেয়, তবে সেটিকে লম্বা ও রেশমি লোম এবং সঙ্গী কুকুরের ভূমিকার দিকে গড়ে তোলা হয়েছিল, আর অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার নিজের রুক্ষ লোম ও কর্মঠ চরিত্র ধরে রেখেছে।

বাহ্যিক গঠন ও জাত মানদণ্ড

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার ছোট, নিচু গড়নের, মজবুত শরীরের কুকুর, রুক্ষ সোজা লোম, নরম টপনট এবং খাড়া কান নিয়ে, উচ্চতার চেয়ে দৈর্ঘ্যে বড়।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের শরীর উচ্চতার চেয়ে লম্বা, ফলে এর গড়ন নিচু ও মাটি ঘেঁষা দেখায়। মাথা লম্বাটে, কান ছোট ও খাড়া, আর গাঢ় বাদামি ডিম্বাকৃতি চোখ একধরনের সতর্ক, তীক্ষ্ণ ভাব ফুটিয়ে তোলে। মাথার উপর নরম লোমের একটি স্বতন্ত্র টপনট থাকে, যা শরীরের রুক্ষ লোমের সঙ্গে বৈসাদৃশ্য তৈরি করে। কিছু অঞ্চলে ঐতিহ্যগতভাবে লেজ কাটা হতো, তবে যেখানে লেজ কাটা নিষিদ্ধ, সেখানে প্রায়ই লেজ স্বাভাবিক রাখা হয়।

জাত মানদণ্ড এক নজরে
বৈশিষ্ট্যমানদণ্ড
উচ্চতাকাঁধ পর্যন্ত প্রায় ২৫ থেকে ২৮ সেন্টিমিটার
ওজনপ্রায় ৫ থেকে ৭ কেজি
লোমপ্রায় ৬ সেন্টিমিটার লম্বা রুক্ষ, সোজা বাইরের লোম এবং ছোট নরম আন্ডারকোট; নরম টপনট
রংনীল ও ট্যান, একরঙা স্যান্ডি, অথবা একরঙা লাল
চোখছোট, ডিম্বাকৃতি, গাঢ় বাদামি

লোম ও রং

বাইরের লোম রুক্ষ ও সোজা এবং শরীরের গায়ে লেগে থাকে, সঙ্গে থাকে তাপ ধরে রাখার জন্য ছোট নরম আন্ডারকোট। স্বীকৃত রংগুলোর মধ্যে আছে নীল ও ট্যান, যেখানে নীল গাঢ় স্টিল বা রূপালি-নীল পর্যন্ত হতে পারে, মুখ, পা ও তলপেটে ট্যান রঙের ছোঁয়া থাকে; এছাড়া একরঙা স্যান্ডি ও একরঙা লাল রংও দেখা যায়। টপনট সাধারণত শরীরের লোমের চেয়ে হালকা ও নরম হয়। রুক্ষ গঠনটি কার্যকরী, এটি লোম থেকে ময়লা ঝরাতে ও ভেজা আবহাওয়া সহ্য করতে সাহায্য করে।

স্বভাব ও আচরণ

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার আত্মবিশ্বাসী, বিশ্বস্ত ও সতর্ক, পরিবারের প্রতি নিবেদিত থেকেও এটি একজন দৃঢ় পাহারাদার এবং সহজাত ছোট প্রাণী শিকারি।

এই কুকুর আত্মবিশ্বাসী, প্রাণবন্ত এবং নিজের পরিবারের সঙ্গে গভীর বন্ধনে জড়িয়ে পড়ে। বাড়িতে এটি সাধারণত স্নেহপ্রবণ ও মানুষমুখী হয়, প্রায়ই একজনের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংযুক্ত হয় এবং তার কাছাকাছি থাকতে চায়। যেসব শিশু একে সম্মানের সঙ্গে আচরণ করে, তাদের সঙ্গে এটি সাধারণত খেলাপ্রিয় ও ধৈর্যশীল, যদিও আকারের কারণে খুব ছোট শিশুদের সঙ্গে মেলামেশা তদারকির মধ্যে রাখা উচিত।

অপরিচিতদের প্রতি এই জাত সতর্ক ও নজরদার। অতিথি আসা বা অচেনা শব্দ শুনলে এটি দ্রুত জানান দেয়, যা একে দক্ষ ছোট পাহারাদার বানায়, তবে পরিচয় হয়ে গেলে সাধারণত আক্রমণাত্মক হয় না। প্রথম দিকের সামাজিকীকরণ নতুন মানুষের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

অন্য কুকুরের সঙ্গে এটি মিশুক হতে পারে, যদিও কিছু কুকুর সমলিঙ্গের কুকুরের প্রতি টেরিয়ার-সুলভ সাহসিকতা দেখায়। এর শিকারের প্রবৃত্তি প্রবল থেকে যায়, তাই ইঁদুর, খরগোশ, এমনকি কখনো কখনো বিড়ালের মতো ছোট পোষা প্রাণী তাড়া করার প্রবণতা জাগাতে পারে। এটি বুদ্ধিমান ও দ্রুত শেখে, তবে সীমারেখা পরীক্ষা করার মতো স্বাধীনচেতাও।

বৈশিষ্ট্যের মূল্যায়ন (১ = কম, ৫ = বেশি)
বৈশিষ্ট্যমাত্রা
স্নেহ৪
শক্তি৪
প্রশিক্ষণযোগ্যতা৪
ডাকাডাকির প্রবণতা৪
লোম ঝরা২

যত্ন ও গ্রুমিং

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের সামান্য লোমের যত্ন, প্রতিদিনের ব্যায়াম এবং নিয়মিত সঙ্গ দরকার, আর কার্যক্রমের চাহিদা মিটলে এটি ফ্ল্যাট ও বাড়ি উভয় পরিবেশেই মানিয়ে নেয়।

রুক্ষ লোমের যত্ন তুলনামূলকভাবে সহজ এবং লোম কম ঝরে, তবে এর গঠন ঠিক রাখতে ও মরা লোম সরাতে নিয়মিত মনোযোগ দরকার।

গ্রুমিং

  • সপ্তাহে একবার বা দুবার ব্রাশ করে আলগা লোম সরান ও জট এড়ান
  • রুক্ষ গঠন বজায় রাখতে বছরে কয়েকবার হাতে লোম তুলুন (হ্যান্ড-স্ট্রিপিং); কাঁচি দিয়ে ছাঁটলে ধীরে ধীরে লোম নরম হয়ে যায়
  • প্রয়োজন হলেই কেবল গোসল করান, ঘন ঘন ধোয়া লোমকে নরম করে দেয় ও প্রাকৃতিক তেল সরিয়ে দেয়
  • কয়েক সপ্তাহ পরপর নখ কাটুন ও কানে ময়লা জমেছে কিনা দেখুন
  • দাঁতের সুস্থতার জন্য সপ্তাহে কয়েকবার দাঁত ব্রাশ করুন

ব্যায়াম

  • হাঁটা ও খেলার মাধ্যমে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৬০ মিনিট কার্যক্রম দিন
  • লিশ ছাড়া দৌড়ানোর জন্য নিরাপদে বেড়া দেওয়া জায়গা রাখুন, কারণ এই জাত তাড়া করে ও গর্ত খোঁড়ে
  • টেরিয়ারের সহজাত প্রবৃত্তি মেটাতে গন্ধ খোঁজার খেলা, বল আনার খেলা ও গর্ত খোঁড়ার অনুমোদিত জায়গা রাখুন
  • রাস্তা ও ছোট প্রাণীর কাছাকাছি লিশ ব্যবহার করুন, কারণ শিকারের প্রবৃত্তি ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রবণতাকে ছাপিয়ে যায়

পরিবেশ

এই জাত ফ্ল্যাট বা বাড়ি, যেকোনো পরিবেশেই সুখে থাকে, যদি প্রতিদিন ব্যায়াম পায় এবং দীর্ঘ সময় একা না থাকে। এর আবহাওয়া-সহনশীল লোমের কারণে এটি বিভিন্ন জলবায়ুতে মানিয়ে নিতে পারে, তবে বাইরে না রেখে পরিবারের সদস্য হিসেবে ঘরের ভেতরেই রাখা উচিত।

খাদ্য ও পুষ্টি

সক্রিয় ছোট কুকুরের উপযোগী সুষম খাদ্যে অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার ভালো থাকে, আর ওজন বাড়ার প্রবণতা ঠেকাতে মেপে খাবার দেওয়া জরুরি।

ছোট জাতের জন্য তৈরি সুষম ও পরিপূর্ণ খাদ্য অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের জন্য উপযুক্ত। ছোট, সক্রিয় কুকুর হওয়ায় খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি: বেশি খাওয়ালে বা বেশি ট্রিট দিলে এই জাত সহজেই ওজন বাড়িয়ে ফেলে। কুকুরের বয়স-স্তরের সঙ্গে মানানসই খাবার বেছে নিন এবং নির্দিষ্ট সংখ্যার বদলে শরীরের গঠন ও কার্যকলাপ দেখে পরিমাণ ঠিক করুন। সবসময় বিশুদ্ধ পানি রাখুন।

সাধারণ খাওয়ানোর নির্দেশিকা
বয়স-স্তরদৈনিক পরিমাণবেলা
বাচ্চা কুকুর (২ থেকে ৬ মাস)খাবারের ধরন ও ওজন অনুযায়ী প্রায় ৮০ থেকে ১৩০ গ্রাম৩ থেকে ৪
কিশোর কুকুর (৬ থেকে ১২ মাস)প্রায় ৯০ থেকে ১৩০ গ্রাম২ থেকে ৩
প্রাপ্তবয়স্কপ্রায় ৭৫ থেকে ১১০ গ্রাম২
বয়স্কপ্রায় ৬৫ থেকে ৯৫ গ্রাম, কার্যকলাপ অনুযায়ী সমন্বয় করে২

ট্রিট ও সাপ্লিমেন্ট

ট্রিটের পরিমাণ দৈনিক ক্যালরির প্রায় ১০ শতাংশের বেশি না রেখে মোট খাবারের হিসাবে যোগ করুন। সুষম খাদ্য খাওয়া বেশিরভাগ কুকুরের অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্টের দরকার হয় না; জয়েন্ট, ত্বক বা লোমের সাপ্লিমেন্ট যোগ করার আগে, বিশেষত বয়স্ক কুকুরের ক্ষেত্রে, পশুচিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

স্বাস্থ্য ও আয়ুষ্কাল

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার সাধারণত সুস্থ থাকে এবং ১১ থেকে ১৫ বছর বাঁচে, তবে কিছু জয়েন্ট, হরমোনজনিত ও চোখের সমস্যার প্রবণতা থাকতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার একটি শক্তসমর্থ জাত, সাধারণ আয়ুষ্কাল ১১ থেকে ১৫ বছর। নিয়মিত পশুচিকিৎসা সেবা, ভালো পুষ্টি ও ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে বেশিরভাগ কুকুর সুস্থ থাকে। অনেক ছোট জাতের মতোই কিছু বংশগত ও বয়সজনিত সমস্যা সাধারণ কুকুরের তুলনায় এই জাতে বেশি দেখা যায়, তাই সচেতনতা ও নিয়মিত পরীক্ষা সহায়ক।

জাতে দেখা যাওয়া সমস্যা
সমস্যালক্ষণমন্তব্য
প্যাটেলার লাক্সেশন (হাঁটুর টুপি সরে যাওয়া)লাফিয়ে হাঁটা, মাঝেমধ্যে পেছনের পায়ে খোঁড়ানোছোট জাতে সাধারণ; হালকা থেকে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন পর্যন্ত হতে পারে
লেগ-ক্যালভি-পার্থিস রোগকম বয়সী কুকুরে পেছনের পায়ে খোঁড়ানো ও ব্যথাহিপ জয়েন্ট আক্রান্ত হয়; প্রায়ই অস্ত্রোপচার দরকার হয়
ডায়াবেটিস মেলাইটাসতেষ্টা, প্রস্রাব ও খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, সঙ্গে ওজন কমাখাদ্য ও ইনসুলিনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণযোগ্য; চলমান যত্ন দরকার
অ্যালার্জিক স্কিন ডিজিজচুলকানি, বারবার ত্বক বা কানের সংক্রমণকারণ পরিবেশগত বা খাদ্যজনিত হতে পারে
ছানি ও অন্যান্য চোখের সমস্যাচোখ ঘোলাটে হওয়া, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ানিয়মিত চোখ পরীক্ষা করালে আগেভাগে ধরা পড়ে

প্রতিরোধমূলক যত্ন

  • টিকা ও পরজীবী প্রতিরোধ হালনাগাদ রাখুন
  • জয়েন্ট রক্ষা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে শরীর হালকা-পাতলা রাখুন
  • বার্ষিক পশুচিকিৎসা পরীক্ষা করান, বয়স্ক কুকুরের জন্য আরও ঘন ঘন
  • মাড়ির রোগ ঠেকাতে দাঁতের যত্ন চালিয়ে যান
  • বাবা-মায়ের হাঁটু, হিপ ও চোখের স্ক্রিনিং সম্পর্কে ব্রিডারের কাছে জিজ্ঞাসা করুন

প্রশিক্ষণ

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার বুদ্ধিমান ও খুশি করতে আগ্রহী কিন্তু স্বাধীনচেতা, তাই প্রথম থেকে ধারাবাহিক, পুরস্কারভিত্তিক প্রশিক্ষণে সবচেয়ে ভালো সাড়া দেয়।

এই জাত দ্রুত বুদ্ধিমত্তা দেখায় ও সহজে শেখে, তাই বাধ্যতা প্রশিক্ষণ এবং অ্যাজিলিটি বা আর্থডগ ট্রায়ালের মতো কুকুর খেলাধুলায় দক্ষ হতে পারে। তবে এর স্বাধীনচেতা টেরিয়ার স্বভাবের কারণে এটি জেদি হতে পারে এবং একঘেয়ে পুনরাবৃত্তিতে সহজেই বিরক্ত হয়, তাই অনুশীলন হওয়া উচিত সংক্ষিপ্ত, বৈচিত্র্যময় ও উৎসাহব্যঞ্জক। মানুষ, অন্য কুকুর ও নানা পরিস্থিতির সঙ্গে প্রথম দিকের সামাজিকীকরণ এর সতর্ক, তীব্র প্রতিক্রিয়াশীল স্বভাব সামলাতে সাহায্য করে। শিকারের প্রবৃত্তি প্রবল বলে ছোট প্রাণীর কাছাকাছি ডাকলে সাড়া পাওয়া কঠিন, তাই রাস্তা বা বন্যপ্রাণীর কাছাকাছি এর উপর নির্ভর করা উচিত নয়।

প্রাথমিক ধাপ

১. বাচ্চা বয়স থেকেই সামাজিকীকরণ ও হ্যান্ডলিং শুরু করুন, বিভিন্ন মানুষ, জায়গা ও শব্দের সঙ্গে পরিচয় করান ২. প্রথমে নাম শুনে সাড়া দেওয়া ও মনোযোগ দেওয়ার সংকেত শেখান ৩. প্রতিদিন সংক্ষিপ্ত অনুশীলনে বসো, শোও, থাকো ও এসো-এর মতো মূল কমান্ড গড়ে তুলুন ৪. লিশ শিষ্টাচার আগেভাগে অনুশীলন করান, কারণ আকর্ষণীয় গন্ধ পেলে এই জাত টেনে ধরে ৫. অতিরিক্ত ঘেউ ঘেউ ও গর্ত খোঁড়া গ্রহণযোগ্য বিকল্পের দিকে ঘুরিয়ে সামলান ৬. বেশি মানুষজন ও বিক্ষেপ থাকা পরিবেশে ধীরে ধীরে কমান্ডগুলো ঝালিয়ে নিন

প্রজনন

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জীবনের প্রথম এক থেকে দুই বছরের মধ্যে প্রজননক্ষম হয়ে ওঠে এবং ছোট আকারের লিটার জন্ম দেয়, যাদের শুরু থেকেই যত্নসহকারে সামাজিকীকরণ দরকার।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের দায়িত্বশীল প্রজনন স্বভাব, লোমের গুণমান এবং বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য স্ক্রিনিংয়ের উপর গুরুত্ব দেয়। স্ত্রী কুকুরকে সাধারণত পূর্ণ শারীরিক ও আচরণগত পরিপক্বতা অর্জনের পরই প্রজননে ব্যবহার করা হয়, প্রায়ই প্রথম বছরের পরে এবং স্বাস্থ্য ছাড়পত্র হাতে পাওয়ার পর। অন্য সব ছোট জাতের মতোই, প্রজননের লক্ষ্য হওয়া উচিত লিটারের সংখ্যা বাড়ানো নয় বরং এই জাতে দেখা যাওয়া জয়েন্ট, হরমোনজনিত ও চোখের সমস্যা কমানো।

গর্ভধারণকাল প্রায় ৬৩ দিন। লিটার আকারে ছোট হয়, সাধারণত তিন থেকে পাঁচটি বাচ্চা, যা এই জাতের আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মা কুকুর সাধারণত সামান্য সহায়তায় বাচ্চা প্রসব করে ও লালনপালন করে, তবে ছোট শরীরের কথা মাথায় রেখে ব্রিডাররা প্রসবকালীন জটিলতার দিকে নজর রাখেন।

বাচ্চাদের শুরু থেকেই যত্নসহকারে সামাজিকীকরণ দরকার। এই জাতের সতর্ক ও সাহসী স্বভাবের কারণে প্রথম কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন মানুষ, হ্যান্ডলিং, শব্দ ও মৃদু নতুন অভিজ্ঞতার সংস্পর্শে আসা একটি আত্মবিশ্বাসী, স্থিতিশীল প্রাপ্তবয়স্ক কুকুর গড়ে তোলে। বাচ্চারা সাধারণত প্রায় আট সপ্তাহ বয়সে দুধ ছাড়িয়ে এবং টিকা ও পরজীবী নিয়ন্ত্রণ শুরু করার পর নতুন বাড়িতে যায়।

প্রজনন সংক্রান্ত তথ্য
পরিমাপমান
যৌন পরিপক্বতাপ্রায় ৬ থেকে ১২ মাস
প্রথম প্রজননের প্রস্তাবিত সময়পূর্ণ পরিপক্বতার পর, প্রায়ই ১২ মাস পরে
গর্ভধারণকালপ্রায় ৬৩ দিন
সাধারণ লিটার আকার৩ থেকে ৫টি বাচ্চা
দুধ ছাড়ানোর বয়সপ্রায় ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ
নতুন বাড়িতে যাওয়ার বয়সপ্রায় ৮ সপ্তাহ বা তার পরে

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুর ও তার মাইক্রোচিপ নিবন্ধন

United Pet Club-এ আপনার অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।

বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুর নিবন্ধনের উপায়

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুরের নাম, জন্মতারিখ আর একটা পরিষ্কার ছবি লিখুন, নিজের ফোন নম্বর যোগ করে সংরক্ষণ করুন। ব্যস, এটুকুই; আজও বিনামূল্যে, চিরকালও। কুকুর নিবন্ধন চিপ থাকলেও চলে, না থাকলেও।

চিকিৎসক চিপ বসিয়ে দেন, কিন্তু নম্বরটা নিবন্ধন কেউ আপনার হয়ে করে না, আর অনিবন্ধিত চিপ কারও পরিচয় বলে না। মাইক্রোচিপ নিবন্ধন করুন, আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে: যেকোনো ব্র্যান্ডের চিপ গ্রহণযোগ্য, ঠিকানা বদলালে হালনাগাদ ফ্রি, আর রেকর্ড দেশে-বিদেশে সব সময় খোঁজা যায়। বিদেশ ভ্রমণে প্রাণিসম্পদের Animal Quarantine কাগজপত্রের পাশে এই রেকর্ডই আপনার কুকুরের পরিচয় বহন করে। বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন।

বাংলাদেশে আমার অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুর কীভাবে নিবন্ধন করব?

United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।

আমার অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুরের মাইক্রোচিপ কীভাবে নিবন্ধন করব?

পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।

বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুরের জন্য চিপ কি বাধ্যতামূলক?

জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার জাতের কুকুর নিবন্ধনে খরচ কত?

কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের আকার, স্বভাব, যত্ন, আয়ুষ্কাল, উপযুক্ততা এবং প্রাপ্যতা নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার কতটা বড় হয়?

এটি একটি ছোট জাত, কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ২৫ থেকে ২৮ সেন্টিমিটার এবং ওজন প্রায় ৫ থেকে ৭ কেজি, শরীর উচ্চতার চেয়ে সামান্য লম্বা।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের স্বভাব কেমন?

এটি বিশ্বস্ত, প্রাণবন্ত, সতর্ক ও আত্মবিশ্বাসী। পরিবারের সঙ্গে গভীর বন্ধন তৈরি করে এবং ছোট আকারের ভালো পাহারাদার, পাশাপাশি ছোট প্রাণী তাড়া করার প্রবল প্রবৃত্তিও ধরে রাখে।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ারের যত্ন নেওয়া কি সহজ?

যত্ন মাঝারি ধরনের। রুক্ষ লোম কম ঝরে এবং সপ্তাহে একবার বা দুবার ব্রাশ করলেই চলে, সঙ্গে মাঝেমধ্যে হাতে লোম তোলা দরকার, আর কুকুরটির প্রতিদিন ৩০ থেকে ৬০ মিনিট ব্যায়াম ও নিয়মিত সঙ্গ প্রয়োজন।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার কতদিন বাঁচে?

বেশিরভাগ ১১ থেকে ১৫ বছর বাঁচে। কুকুরকে হালকা-পাতলা রাখা, দাঁত ও পশুচিকিৎসা সেবার যত্ন নেওয়া, এবং স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং করা ব্রিডার বেছে নেওয়া, এসব দীর্ঘ জীবনে সহায়ক।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার কি ফ্ল্যাট ও পরিবারের জন্য ভালো?

হ্যাঁ, এটি ফ্ল্যাট বা বাড়ি উভয়েই মানিয়ে নেয়, যদি প্রতিদিন কার্যক্রম পায় এবং দীর্ঘ সময় একা না থাকে। এটি সম্মানজনক আচরণ করা বড় শিশুদের পরিবার এবং দায়িত্বশীল একক মালিকদের জন্য উপযুক্ত।

এটি কি অন্য পোষা প্রাণীর সঙ্গে মানিয়ে চলে?

সামাজিকীকরণ করালে এটি অন্য কুকুরের সঙ্গে থাকতে পারে, তবে এর শিকারের প্রবৃত্তির কারণে ইঁদুর, খরগোশ এবং কখনো কখনো বিড়াল তাড়া করার সম্ভাবনা থাকে, তাই ছোট পোষা প্রাণী থাকলে সতর্ক ব্যবস্থাপনা দরকার।

অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার কি বিরল জাত?

প্রধান কেনেল ক্লাবগুলোতে এটি স্বীকৃত, তবে অনেক জনপ্রিয় ছোট জাতের তুলনায় কম দেখা যায়, তাই বিশ্বস্ত ব্রিডার খুঁজে পেতে ধৈর্য ও অপেক্ষার তালিকায় নাম লেখাতে হতে পারে।

No questions about the অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার yet. Be the first to ask.

Browse Dog breeds