
পাগ
পাগ একটি ভালো স্বভাবের, মনোমুগ্ধকর সঙ্গী, যা তার হাস্যকর ব্যক্তিত্ব এবং পরিবারের প্রতি স্নেহময় ভক্তির জন্য বিখ্যাত।
- Size
- ছোট
- Lifespan
- 13–15 years
- Origin
- চীন
- Temperament
- সুস্বভাবী
- Standard colors
- কালো, রুপালি, ফন এবং এপ্রিকট
Characteristics
Coat and grooming
How the পাগ coat is built, and what that means when you groom it.
- লোমের স্তর
- দ্বিস্তর লোম
- লোমের গড়ন
- মসৃণ
- লোমের দৈর্ঘ্য
- ছোট
- লোম ঝরা
- বেশি ঝরা
Grooming guidance
গুরুতর: A পাগ should not be shaved.
নিচের স্তর তাপ ঠিক ততটাই বাইরে রাখে যতটা ঠান্ডা, আর উপরের লোম চামড়াকে রোদ ও পোকার কামড় থেকে বাঁচায়। পুরো লোম ছেঁটে ফেললে দুটোই চলে যায়। প্রায়ই তা ছোপ ছোপ হয়ে, নরম বা অন্য রঙে ফিরে আসে, আর কিছু প্রাণীতে উপরের লোম আর কখনও ঠিকমতো ফেরে না। নিচের স্তর কেটে ফেলার বদলে ব্রাশ করে বের করুন।
পাগ colors and patterns
What each club's breed standard says about every পাগ color and pattern. Point at a ruling to see the club's own wording.
Breed standards describe the পাগ in কালো, রুপালি, ফন এবং এপ্রিকট. Standard patterns: একরঙা.
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| কালো | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Black”) | মানসম্মত (“silver or apricot, fawn and black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn, or black”) |
| রুপালি | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | অযোগ্যকারী | মানসম্মত (“silver or apricot, fawn and black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn, or black”) |
| ফন | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Fawn”) | মানসম্মত (“silver or apricot, fawn and black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn, or black”) |
| এপ্রিকট | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | অযোগ্যকারী | মানসম্মত (“silver or apricot, fawn and black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn, or black”) |
| সাদা | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় (“White”) | স্বীকৃত নয় |
| অ্যালবিনো | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | অযোগ্যকারী (“Albinism”) | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় |
| নীল | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় (“Blue”) | স্বীকৃত নয় |
| বাদামি | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় (“Brown”) | স্বীকৃত নয় |
| চকলেট | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় |
| ট্যান | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় (“Black & Tan”) | স্বীকৃত নয় |
| ক্রিম | স্বীকৃত নয় | অযোগ্যকারী | স্বীকৃত নয় | স্বীকৃত নয় (“Cream - no Black Mask”) | স্বীকৃত নয় |
| Patterns | |||||
| একরঙা | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“The colors are fawn or black”) | মানসম্মত (“silver or apricot, fawn and black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn or black”) | মানসম্মত (“Silver, apricot, fawn, or black”) |
| ব্রিন্ডল | No ruling | No ruling | No ruling | No ruling | স্বীকৃত নয় |
| সেবল | No ruling | No ruling | No ruling | স্বীকৃত নয় (“Sable”) | স্বীকৃত নয় |
| ট্যান পয়েন্ট | No ruling | No ruling | No ruling | স্বীকৃত নয় (“Black & Tan”) | স্বীকৃত নয় |
| রিভার্স ব্রিন্ডল | No ruling | No ruling | No ruling | No ruling | স্বীকৃত নয় |
| Color or pattern | FCI | AKC | UKC | KC | KUSA |
|---|---|---|---|---|---|
| গাঢ় বাদামি | মানসম্মত (“Dark, relatively large”) | মানসম্মত (“dark in color”) | মানসম্মত (“dark in color”) | মানসম্মত (“Dark, relatively large”) | মানসম্মত (“Dark, relatively large”) |
| Color or pattern | FCI | KC | KUSA |
|---|---|---|---|
| কালো | মানসম্মত (“Nose: Black”) | মানসম্মত (“Nose black”) | মানসম্মত (“Nose black”) |
What the rulings mean
- মানসম্মত
- Described by the club's breed standard.
- অযোগ্যকারী
- The club's breed standard disqualifies an animal of this color or pattern.
- স্বীকৃত নয়
- The club does not accept this color or pattern for the breed.
Color changes
How a পাগ's colors can change over its life.
কালোchanges toমরিচা
লোম · শারীরিক অবস্থার সঙ্গে · can change back
কালোchanges toধূসর
লোম · ক্রমাগত
কালোchanges toবাদামি
লোম · রোদে · can change back
কালোchanges toশীতের নাক
নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back
কালোchanges toগোলাপি
নাক · ঋতুর সঙ্গে · can change back
Sources
Each ruling comes from the club's published breed standard or color list.
Meet some of our পাগ
A few of the পাগ profiles members have added to United Pet Club.
পাগ কুকুর সম্পর্কে
পাগ চীন থেকে আসা ছোট আকারের সঙ্গী কুকুর, রসিক স্বভাব আর পরিবারের প্রতি গভীর টানের জন্য পরিচিত।
পাগ একটি ছোট আকারের সঙ্গী কুকুরের জাত, যার উৎপত্তি চীনে। শরীরের গড়ন খাটো ও চৌকো, মুখে গভীর ভাঁজ, নাক-মুখ ছোট এবং লেজ শক্ত করে কুণ্ডলী পাকানো থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক পাগের ওজন সাধারণত ১৪ থেকে ১৮ পাউন্ড এবং কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা ১০ থেকে ১৩ ইঞ্চি হয়ে থাকে, ফলে বিভিন্ন ধরনের বাসস্থানে একে সহজেই রাখা যায়, ফ্ল্যাটবাড়ি হোক বা টিনের বাড়ি।
পাগ পালন করা হতো মূলত একটাই কারণে, সঙ্গ দেওয়ার জন্য। মানুষের কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসে এবং ঘরের এক কোণ থেকে আরেক কোণে মালিকের পিছু পিছু ঘুরে বেড়ায়। স্বভাব শান্ত ও মিশুক, সঙ্গে থাকে খানিকটা রসিকতাপ্রবণ চরিত্র, যার কারণে পরিবার আর বয়স্ক মালিকদের কাছে এই জাত সবসময়ই প্রিয়। শৌখিন পালনকারীরা প্রায়ই যে লাতিন প্রবাদটি উল্লেখ করেন, "multum in parvo" (ছোট আকারে অনেক কিছু), তা এই জাতের ছোট শরীরে বড় ব্যক্তিত্বের দিকেই ইঙ্গিত করে।
লোম ছোট এবং ব্যায়ামের চাহিদা কম হওয়ায় দৈনন্দিন যত্ন সহজ, তবে চ্যাপ্টা মুখের কারণে কিছু বিশেষ স্বাস্থ্য বিষয় খেয়াল রাখতে হয়, যেমন গরম সহ্য করার ক্ষমতা কম থাকা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের যত্ন। কর্মঠ বা খেলাধুলার জাত না খুঁজে যারা ঘরের মধ্যে কাছের একজন সঙ্গী চান, পাগ তাদের জন্য উপযুক্ত।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| উৎপত্তি | চীন |
| আকার | ছোট (১৪ থেকে ১৮ পাউন্ড) |
| আয়ুষ্কাল | ১৩ থেকে ১৫ বছর |
| গ্রুপ/ভূমিকা | টয় / সঙ্গী কুকুর |
| যাদের সঙ্গে ভালো | পরিবার, শিশু, প্রবীণ, অন্য পোষা প্রাণী |
পাগ কাদের জন্য উপযুক্ত
যারা বেশিরভাগ সময় বাড়িতে কাটান এবং দীর্ঘক্ষণ একা থাকার বদলে সার্বক্ষণিক সঙ্গ পছন্দ করেন এমন মালিকদের জন্য পাগ ভালো মানায়। ফ্ল্যাট বা ছোট বাড়িতে সহজে মানিয়ে নেয়, সামান্য থেকে মাঝারি ব্যায়ামেই খুশি থাকে এবং শিশুদের সঙ্গে ধৈর্য ধরে চলতে পারে। যেসব এলাকায় প্রচণ্ড গরম পড়ে, বা যারা চ্যাপ্টা মুখের কুকুরের গরম ও শ্বাসকষ্টজনিত যত্ন নিতে পারবেন না, তাদের এই জাত বেছে নেওয়ার আগে বিষয়গুলো ভেবে দেখা উচিত।
পাগ কুকুরের ইতিহাস ও উৎপত্তি
প্রাচীন চীনের রাজদরবারে কোলের কুকুর হিসেবে পাগের উৎপত্তি, ষোড়শ-সপ্তদশ শতকে ডাচ বণিকদের হাত ধরে ইউরোপে পৌঁছায়।
পাগের শিকড় প্রাচীন চীনে, যেখানে চ্যাপ্টা মুখের ছোট কুকুরদের রাখা হতো সম্রাট ও শাসকশ্রেণির সঙ্গী হিসেবে। ছোট নাক-মুখওয়ালা কোলের কুকুরের লিখিত ও চিত্রিত প্রমাণ প্রায় দুই হাজার বছর আগের চীনা রেকর্ডে পাওয়া যায়। এই কুকুরগুলো রাজপ্রাসাদে থাকত এবং মালিকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান ছিল।
ষোড়শ ও সপ্তদশ শতকে ডাচ বণিকরা চীন থেকে পাগ ইউরোপে নিয়ে আসেন বলে ইতিহাসে উল্লেখ আছে। নেদারল্যান্ডসে এই জাত হাউস অব অরেঞ্জ-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়ে পড়ে, আর এই সম্পর্ক ঘিরে একটি প্রচলিত কাহিনিও আছে, বলা হয় একটি পাগ প্রিন্স উইলিয়াম অব অরেঞ্জকে আসন্ন বিপদের কথা টের দিয়েছিল, আর তারপর থেকেই রাজদরবারে এই জাতের একটি স্থায়ী জায়গা তৈরি হয়।
নেদারল্যান্ডস থেকে পাগ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিজাত মহলে একটি ফ্যাশনেবল সঙ্গী কুকুর হয়ে ওঠে। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকে বিভিন্ন চিত্রকর্মে পাগের উপস্থিতি দেখা যায়, আর ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাজপরিবার ও অভিজাত পরিবারে এই জাত পালন করা হতো, বিশেষত ভিক্টোরিয়ান আমলে ব্রিটেনে এর জনপ্রিয়তা বাড়ে।
ঊনবিংশ শতকের শেষ দিকে বড় বড় কেনেল সংস্থা পাগকে স্বীকৃতি দেয়, আর তখন থেকে এখন পর্যন্ত গৃহপালিত সঙ্গী কুকুর হিসেবে এই জাতের কদর অটুট রয়েছে। আধুনিক প্রজননে কাজের কুকুর হিসেবে নয়, বরং পোষা কুকুর হিসেবেই পাগকে গড়ে তোলার দিকে জোর দেওয়া হয়েছে, আর রাজদরবারের কুকুর হিসেবে এর ইতিহাসই আজকের মানুষঘনিষ্ঠ স্বভাবের ব্যাখ্যা দেয়।
পাগের শারীরিক গঠন ও ব্রিড স্ট্যান্ডার্ড
পাগ ছোট, চৌকো ও শক্তপোক্ত গড়নের কুকুর, মুখে ভাঁজ, বড় কালো চোখ এবং শক্ত করে কুণ্ডলী পাকানো লেজ এর বৈশিষ্ট্য।
পাগের শরীর খাটো, চৌকো ও শক্তপোক্ত, আকারের তুলনায় বেশ ভারিক্কি দেখায়। মাথা বড় ও গোলাকার, মুখমণ্ডলে গভীর ভাঁজ, নাক-মুখ ছোট ও চ্যাপ্টা, আর চোখ দুটি বড়, কালো ও ভাবপ্রবণ। কান ছোট ও নরম, "রোজ" অথবা "বাটন" আকৃতির হয়ে থাকে। লেজ পিঠের ওপর শক্ত করে কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকে, আর শো রিংয়ে ডবল কুণ্ডলীযুক্ত লেজকে বিশেষভাবে মূল্য দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ছোট শরীরে ভারসাম্য আর ওজনদার উপস্থিতিই পাগের মূল ছাপ।
| বৈশিষ্ট্য | মান |
|---|---|
| উচ্চতা | ১০ থেকে ১৩ ইঞ্চি (২৫ থেকে ৩৩ সেন্টিমিটার) |
| ওজন | ১৪ থেকে ১৮ পাউন্ড (৬ থেকে ৮ কেজি) |
| লোম | ছোট, মসৃণ, সূক্ষ্ম, চকচকে |
| রং | ফন, এপ্রিকট, সিলভার ফন, কালো |
| চোখ | বড়, গোল, কালো, চওড়া করে বসানো |
লোম ও রং
লোম ছোট, মসৃণ ও সূক্ষ্ম, শরীরের সঙ্গে লেপ্টে থাকে। দৈর্ঘ্যে কম হলেও এই লোম সারাবছর নিয়মিত ঝরে, আর ফন রঙের পাগের ডবল কোট থাকে বলে এরা একরঙা কালো পাগের চেয়ে বেশি লোম ফেলে। স্বীকৃত রং হলো ফন, এপ্রিকট, সিলভার ফন এবং কালো। ফন রঙের পাগের মুখে সাধারণত একটি গাঢ় মাস্ক দেখা যায়, কানের রংও গাঢ় হয় আর পিঠ বরাবর একটি হালকা রেখা থাকে। মুখের মাস্ক, কানের রং আর কপালে থাম্বপ্রিন্টের মতো ছোট্ট চিহ্ন, এসবই পাগের চিরাচরিত চেহারার অংশ।
পাগের স্বভাব ও ব্যক্তিত্ব
পাগ স্নেহপ্রবণ, খেলাপ্রিয় ও শান্ত স্বভাবের, অচেনা মানুষ ও অন্য পোষা প্রাণীর সঙ্গে মিশুক এবং পরিবারের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত।
পাগ একটি স্নেহপ্রবণ ও মিশুক সঙ্গী কুকুর, পরিবারের প্রতিটি কাজে জড়িয়ে থাকতে চায়। স্বভাব শান্ত ও সদালাপী, আক্রমণাত্মক হওয়ার প্রবণতা প্রায় নেই বললেই চলে, আর অনেক মালিকই একে মজার এবং দৃষ্টি আকর্ষণে ওস্তাদ বলে বর্ণনা করেন। খেলতে যেমন ভালোবাসে, তেমনি কোলে চুপচাপ বসে থাকতেও রাজি, ফলে শান্ত পরিবেশের বাড়িতে এরা সহজেই মানিয়ে নেয়।
শিশুদের সঙ্গে পাগ ধৈর্যশীল ও কোমল, তবে আকারে ছোট হওয়ায় খুব ছোট শিশুদের সঙ্গে খেলার সময় তদারকি করা দরকার। অচেনা মানুষের প্রতি সাধারণত সতর্ক না হয়ে বরং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করে, তাই দরজায় ঘেউ ঘেউ করা ছাড়া পাহারাদার কুকুর হিসেবে এর তেমন কার্যকারিতা নেই। অন্য কুকুর এবং বিড়ালের সঙ্গেও পাগ সাধারণত ভালোভাবে মানিয়ে নেয়, বিশেষত ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে বড় হলে।
এই গভীর মমতার উল্টো দিকও আছে, একা থাকতে পাগ একদমই পছন্দ করে না। দীর্ঘসময় একা রাখলে অস্থির হয়ে পড়তে পারে, ঘেউ ঘেউ করতে পারে বা দুষ্টুমি শুরু করতে পারে। দিনের বেশিরভাগ সময় সঙ্গ পেলেই এই জাত সবচেয়ে ভালো থাকে। খাবারের প্রতি পাগের লোভ প্রবল এবং কিছুটা জেদিও বটে, যা প্রশিক্ষণ এবং ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দুটোতেই প্রভাব ফেলে।
| বৈশিষ্ট্য | মাত্রা |
|---|---|
| স্নেহপ্রবণতা | ৫ |
| কর্মশক্তি | ২ |
| প্রশিক্ষণযোগ্যতা | ৩ |
| ঘেউ ঘেউ করার প্রবণতা | ২ |
| লোম ঝরা | ৪ |
পাগের যত্ন ও গ্রুমিং
পাগের নিয়মিত ভাঁজ পরিষ্কার, লোম ঝরার জন্য নিয়মিত ব্রাশ, হালকা ব্যায়াম এবং গরম থেকে সতর্ক সুরক্ষা প্রয়োজন।
গ্রুমিং
- সপ্তাহে এক বা দুইবার লোম ব্রাশ করে নিয়মিত লোম ঝরা সামলাতে হয়; ফন রঙের পাগের বেশি লোম ঝরার সময় আরও ঘনঘন ব্রাশ করা প্রয়োজন।
- মুখের ভাঁজ সপ্তাহে কয়েকবার নরম ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হয়, নাহলে চামড়ায় সংক্রমণ হতে পারে।
- কান নিয়মিত পরীক্ষা করে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কয়েক সপ্তাহ পরপর নখ কাটতে হবে।
- কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পরপর মাঝেমধ্যে গোসল করাতে হবে, আর গোসলের পর ভাঁজগুলো সাবধানে শুকিয়ে নিতে হবে।
ব্যায়াম
- দিনে প্রায় ২০ থেকে ৪০ মিনিট হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কার্যক্রম দিতে হবে, কয়েকটি ছোট ছোট পর্বে ভাগ করে।
- দিনের ঠান্ডা সময়ে হাঁটাতে হবে এবং গতি রাখতে হবে ধীর।
- বাড়ির ভেতরে খেলা আর ছোট ছোট বাইরে যাওয়ার মাধ্যমে গরম না লাগিয়েও কুকুরকে সক্রিয় রাখা যায়।
- কঠোর ব্যায়াম, দীর্ঘ দৌড় এবং গরম আবহাওয়ায় বেশি পরিশ্রম এড়িয়ে চলতে হবে।
বাসস্থান ও পরিবেশ
পাগ একটি ঘরোয়া কুকুর, বাইরে রাখার জন্য উপযুক্ত নয়। ফ্ল্যাট বা ছোট বাসাতেও এটি সহজে মানিয়ে নেয়। থাকার জায়গা ঠান্ডা রাখতে হবে এবং সবসময় ছায়া ও পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। চ্যাপ্টা মুখের কারণে শরীর ঠান্ডা করার ক্ষমতা সীমিত থাকায় পাগ গরম আর আর্দ্রতার প্রতি সংবেদনশীল। বাংলাদেশের মতো গরম, আর্দ্র উপক্রান্তীয় জলবায়ুতে, যেখানে ভারী বর্ষা মৌসুম আর নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থাকে, সেখানে এই জাতের জন্য ফ্যান বা এয়ার কন্ডিশনার দিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখা এবং শুকনো, নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা প্রায় অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়।
পাগের খাদ্য ও পুষ্টি
পাগের ওজন সহজেই বেড়ে যায় বলে পরিমিত পরিমাণে সুষম খাবার দিতে হয়, আর জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
পাগকে বয়স ও আকার অনুযায়ী উপযুক্ত সুষম ও সম্পূর্ণ কুকুরের খাবার দেওয়া উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণই এখানে সবচেয়ে বড় বিষয়, পাগ খাবার খুব পছন্দ করে আর দ্রুত ওজন বাড়িয়ে ফেলে, আর বাড়তি ওজন এই জাতের শ্বাসকষ্ট ও গাঁটের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। সবসময় খাবার সামনে রাখার বদলে প্রতিটি বেলার খাবার মেপে দিতে হবে, আর কুকুরকে হালকা মেদযুক্ত অথচ পাঁজর হাত দিয়ে অনুভব করা যায় এমন সুঠাম শরীরের অবস্থায় রাখতে খাবারের পরিমাণ সমন্বয় করতে হবে। সবসময়, বিশেষত গরমের সময়, তাজা পানি সরবরাহ রাখা জরুরি।
| জীবনপর্যায় | দৈনিক পরিমাণ | বেলা |
|---|---|---|
| বাচ্চা (২ থেকে ৬ মাস) | ওজন অনুযায়ী পণ্যের নির্দেশিকা মেনে | ৩ থেকে ৪ |
| বাচ্চা (৬ থেকে ১২ মাস) | ওজন অনুযায়ী পণ্যের নির্দেশিকা মেনে | ২ থেকে ৩ |
| প্রাপ্তবয়স্ক | প্রায় ১/২ থেকে ১ কাপ | ২ |
| প্রবীণ | কর্মক্ষমতা অনুযায়ী কমিয়ে | ২ |
ট্রিট ও সাপ্লিমেন্ট
ট্রিট দৈনিক ক্যালোরির প্রায় ১০ শতাংশ বা তার কম রাখতে হবে, আর সেটাও দৈনিক মোট হিসাবের মধ্যে ধরতে হবে। সবজির ছোট ছোট টুকরার মতো কম-ক্যালোরির খাবার খাদ্যপ্রিয় পাগের জন্য বেশ কাজে দেয়। সুষম খাবার খাওয়া বেশিরভাগ পাগের আলাদা সাপ্লিমেন্টের দরকার হয় না, নিজে থেকে সাপ্লিমেন্ট শুরু না করে গাঁট বা চামড়ার সাপ্লিমেন্ট নিয়ে পশুচিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করাই ভালো।
পাগের স্বাস্থ্য ও আয়ুষ্কাল
পাগ সাধারণত ১৩ থেকে ১৫ বছর বাঁচে, তবে চ্যাপ্টা মুখ ও গাঁথুনির কারণে শ্বাসকষ্ট, চোখের আঘাত ও স্থূলতার ঝুঁকি বেশি থাকে।
পাগ সাধারণত ১৩ থেকে ১৫ বছর বাঁচে। বেশিরভাগ স্বাস্থ্য সমস্যার মূল কারণ এই জাতের চ্যাপ্টা মুখ আর গাঁথুনির শরীর। ছোট নাক-মুখের কারণে অনেক পাগের ব্র্যাকিসেফালিক অবস্ট্রাক্টিভ এয়ারওয়ে সিনড্রোম দেখা দেয়, যাতে শ্বাসের শব্দ, নাক ডাকা আর গরম সহ্য করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকে। উঁচু হয়ে থাকা চোখ সহজেই আঘাত পায় এবং কর্নিয়ার সমস্যাপ্রবণ। ওজন সতর্কভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা আর গরম এড়িয়ে চলা এই সমস্যাগুলোর বেশ কয়েকটির প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।
| সমস্যা | লক্ষণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ব্র্যাকিসেফালিক এয়ারওয়ে সিনড্রোম | শ্বাসের শব্দ, নাক ডাকা, গরম সহ্য করার ক্ষমতা কম | ছোট নাক-মুখের সঙ্গে সম্পর্কিত; কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারে উপকার হয় |
| চোখের আঘাত ও কর্নিয়ার ক্ষত | চোখ কুঁচকে রাখা, লালচে ভাব, স্রাব | উঁচু চোখ সহজেই আঁচড় লাগতে পারে |
| স্থূলতা | ওজন বৃদ্ধি, সহনশক্তি কমে যাওয়া | শ্বাস আর গাঁটের সমস্যা বাড়ায়; খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন |
| ভাঁজে চামড়ার প্রদাহ | ভাঁজে লালচে ভাব বা দুর্গন্ধ | ভাঁজ পরিষ্কার ও শুকনো রেখে প্রতিরোধ করা যায় |
| হিপ ডিসপ্লেসিয়া | শক্তভাব, নড়াচড়ায় অনীহা | প্রজননের কুকুরদের স্ক্রিনিং করালে সহায়ক হয় |
প্রতিরোধমূলক যত্ন
- মেপে খাওয়ানো আর নিয়মিত ওজন দেখে কুকুরকে সুঠাম রাখুন।
- প্রতি বছর পশুচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান, প্রবীণ কুকুরের ক্ষেত্রে আরও ঘনঘন।
- টিকা আর পরজীবী প্রতিরোধ ওষুধ নিয়মিত চালিয়ে যান।
- নির্দিষ্ট সময়ান্তরে ভাঁজ ও কান পরিষ্কার করুন এবং দাঁত ব্রাশ করান।
- গরম ও অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন, আর কখনোই পাগকে গরম গাড়িতে একা রেখে যাবেন না।
পাগের প্রশিক্ষণ ও সামাজিকীকরণ
পাগ বুদ্ধিমান আর মানুষকে খুশি করতে চায়, তবে কিছুটা জেদি বলে খাবার-ভিত্তিক ছোট ছোট ইতিবাচক প্রশিক্ষণ সেশন সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
পাগ বুদ্ধিমান এবং মালিককে খুশি করতে চায়, তবে সঙ্গে খানিকটা জেদও থাকে যা কখনো কখনো প্রশিক্ষণের গতি কমিয়ে দেয়। স্পষ্ট পুরস্কারসহ ছোট, প্রাণবন্ত সেশনে এই জাত সবচেয়ে ভালো সাড়া দেয়। পাগ খাবারের প্রতি প্রবল আগ্রহী, তাই ট্রিট একটি কার্যকর হাতিয়ার, তবে ওজন বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে পরিমাণ গুনে রাখতে হবে। কঠোর পদ্ধতি এই সংবেদনশীল, মানুষ-কেন্দ্রিক স্বভাবের সঙ্গে যায় না এবং প্রায়ই উল্টো ফল দেয়। ঘরে টয়লেট প্রশিক্ষণে ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা লাগে। ছোটবেলা থেকে মানুষ, অন্য প্রাণী আর নানা পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচয় করালে পাগ আত্মবিশ্বাসী আর সহজ স্বভাবের প্রাপ্তবয়স্ক কুকুর হয়ে ওঠে।
প্রাথমিক প্রশিক্ষণ
- নাম চেনা দিয়ে শুরু করুন এবং মনোযোগ দিলে ছোট্ট ট্রিট দিয়ে পুরস্কৃত করুন।
- বসো শেখান, এরপর শোও আর এসো, কয়েক মিনিটের ছোট সেশনে।
- শ্বাসনালী সুরক্ষিত রাখতে ঠান্ডা পরিবেশে ঢিলে লিডে হাঁটা অনুশীলন করান।
- ঘনঘন বাইরে নিয়ে গিয়ে আর সফলতায় প্রশংসা করে একটি নিয়মিত টয়লেট প্রশিক্ষণ রুটিন তৈরি করুন।
- শান্ত গতিতে নতুন মানুষ, কুকুর আর জায়গার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে ছোটবেলা থেকেই সামাজিকীকরণ শুরু করুন।
পাগের প্রজনন ও বাচ্চা পরিচর্যা
পাগের এক লিটারে গড়ে চার থেকে ছয়টি বাচ্চা হয়, আর বড় মাথার কারণে অনেক সময় পশুচিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান প্রসবের প্রয়োজন পড়ে।
পাগ সাধারণত প্রায় ৬ থেকে ১২ মাস বয়সে যৌন পরিপক্ব হয়ে ওঠে, তবে দায়িত্বশীল প্রজননকারীরা কুকুরের শারীরিক পরিপক্বতা আর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, সাধারণত বয়স প্রায় দুই বছর হওয়া পর্যন্ত। গর্ভধারণকাল চলে প্রায় ৬৩ দিন, অন্যান্য কুকুরের মতোই। এই জাতের বড়, গোলাকার মাথার কারণে স্বাভাবিক প্রসব কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে, তাই অনেক পাগের বাচ্চা সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয়, ফলে পরিকল্পিত প্রজননে শুরু থেকেই একজন পশুচিকিৎসকের যুক্ত থাকা জরুরি।
এক লিটারে গড়ে চার থেকে ছয়টি বাচ্চা হয়। নবজাতক পাগের বাচ্চা ছোট আর নাজুক, তাই উষ্ণতা আর কাছ থেকে নজরদারি দরকার। মা কুকুর সাধারণত মনোযোগ দিয়ে বাচ্চাদের বড় করে, আর সঠিক দুধ ছাড়ানো ও প্রাথমিক সামাজিকীকরণের জন্য বাচ্চাদের প্রায় আট সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত মা ও ভাইবোনদের সঙ্গেই রাখা উচিত। এই জাতের পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর কারণে নৈতিক প্রজননে বাবা-মা কুকুরের শ্বাসনালী, চোখ ও গাঁটের সমস্যা স্ক্রিনিং করা এবং তুলনামূলক ভালো শ্বাসনালী ও সুঠাম গঠনের কুকুর বেছে নেওয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে।
| মাপকাঠি | মান |
|---|---|
| যৌন পরিপক্বতা | ৬ থেকে ১২ মাস |
| প্রজননের জন্য প্রস্তাবিত বয়স | প্রায় ২ বছর |
| গর্ভধারণকাল | প্রায় ৬৩ দিন |
| গড় লিটারের আকার | ৪ থেকে ৬টি বাচ্চা |
| দুধ ছাড়ানোর বয়স | প্রায় ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ |
| প্রসব | প্রায়ই সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে |
পাগ জাতের কুকুর ও তার মাইক্রোচিপ নিবন্ধন
United Pet Club-এ আপনার পাগ জাতের কুকুরের জন্য আজীবন বিনামূল্যের প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধনসহ, কোনো ফি ছাড়াই।
বাংলাদেশে পাগ জাতের কুকুর নিবন্ধনের উপায়
পাগ জাতের কুকুরের নাম, জন্মতারিখ আর একটা পরিষ্কার ছবি লিখুন, নিজের ফোন নম্বর যোগ করে সংরক্ষণ করুন। ব্যস, এটুকুই; আজও বিনামূল্যে, চিরকালও। কুকুর নিবন্ধন চিপ থাকলেও চলে, না থাকলেও।
চিকিৎসক চিপ বসিয়ে দেন, কিন্তু নম্বরটা নিবন্ধন কেউ আপনার হয়ে করে না, আর অনিবন্ধিত চিপ কারও পরিচয় বলে না। মাইক্রোচিপ নিবন্ধন করুন, আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে: যেকোনো ব্র্যান্ডের চিপ গ্রহণযোগ্য, ঠিকানা বদলালে হালনাগাদ ফ্রি, আর রেকর্ড দেশে-বিদেশে সব সময় খোঁজা যায়। বিদেশ ভ্রমণে প্রাণিসম্পদের Animal Quarantine কাগজপত্রের পাশে এই রেকর্ডই আপনার কুকুরের পরিচয় বহন করে। বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন।
বাংলাদেশে আমার পাগ জাতের কুকুর কীভাবে নিবন্ধন করব?
United Pet Club-এ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, পাগ জাতের কুকুরের তথ্য ছবিসহ পূরণ করুন আর প্রোফাইল সংরক্ষণ করুন। কুকুরের সারা জীবন এটি বিনামূল্যে থাকে, চিপ নম্বর পরে যোগ করলেও চলে।
আমার পাগ জাতের কুকুরের মাইক্রোচিপ কীভাবে নিবন্ধন করব?
পনেরো সংখ্যার চিপ নম্বরটা ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে লিখুন। আজীবন প্ল্যান সব ব্র্যান্ডের চিপ নেয় আর হালনাগাদের জন্য কখনো টাকা চায় না।
বাংলাদেশে পাগ জাতের কুকুরের জন্য চিপ কি বাধ্যতামূলক?
জাতীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিদেশ যাত্রায় Animal Quarantine-এর কাগজপত্র লাগে। চিপের আসল কাজ হয় তার পেছনে হালনাগাদ রেকর্ড থাকলে, আর সেই রেকর্ড United Pet Club-এ বিনামূল্যে।
পাগ জাতের কুকুর নিবন্ধনে খরচ কত?
কিছুই না। আজীবন বিনামূল্যের প্ল্যানে প্রোফাইল, মাইক্রোচিপ নিবন্ধন আর ভবিষ্যতের সব হালনাগাদ ধরা আছে, বার্ষিক ফি ছাড়া।
পাগ সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পাগের আকার, স্বভাব, যত্নের চাহিদা, আয়ুষ্কাল, উপযোগিতা আর প্রাপ্তি নিয়ে মানুষ সাধারণত যেসব প্রশ্ন করে থাকেন।
পাগ কুকুর কতটা বড় হয়?
পাগ একটি ছোট আকারের কুকুর। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় উচ্চতা প্রায় ১০ থেকে ১৩ ইঞ্চি আর ওজন প্রায় ১৪ থেকে ১৮ পাউন্ড হয়ে থাকে।
পাগের স্বভাব কেমন হয়?
পাগ স্নেহপ্রবণ, খেলাপ্রিয় আর শান্ত স্বভাবের। মানুষ আর অন্য পোষা প্রাণীর সঙ্গে মিশুক এবং পরিবারের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে যায়, তবে দীর্ঘসময় একা থাকা একদমই পছন্দ করে না।
পাগের যত্ন নেওয়া কি কঠিন?
দৈনন্দিন গ্রুমিং আর ব্যায়াম বেশ সহজ, তবে চ্যাপ্টা মুখের কারণে বাড়তি দায়িত্ব থাকে। মালিককে ভাঁজ পরিষ্কার রাখতে হয়, কুকুরের ওজনের দিকে নজর রাখতে হয় আর গরম ও বেশি পরিশ্রম থেকে সুরক্ষা দিতে হয়।
পাগ কত বছর বাঁচে?
সঠিক যত্ন, স্বাস্থ্যকর ওজন আর নিয়মিত পশুচিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পাগ সাধারণত ১৩ থেকে ১৫ বছর বাঁচে।
নতুন মালিক আর ফ্ল্যাটে থাকা মানুষের জন্য পাগ কি ভালো?
হ্যাঁ। পাগ ফ্ল্যাট, পরিবার আর প্রবীণ মালিকদের সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নেয়, আর অল্প ব্যায়ামের চাহিদার কারণে যারা প্রায়ই বাড়িতে থাকতে পারেন এবং এই জাতের স্বাস্থ্য যত্ন সামলাতে পারবেন, তাদের জন্য এটি সামলানো সহজ।
পাগ কি বেশি লোম ফেলে?
হ্যাঁ। লোম ছোট হলেও পাগ সারাবছর নিয়মিত লোম ফেলে, আর ডবল কোটের ফন রঙের পাগ কালো পাগের চেয়ে বেশি লোম ফেলে। সপ্তাহে ব্রাশ করলে এটি সামলানো সহজ হয়।
পাগ কোথায় পাওয়া যায়?
দায়িত্বশীল প্রজননকারীদের কাছে সহজেই পাগ পাওয়া যায়, যারা নিজেদের কুকুরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান, আর নির্দিষ্ট জাতভিত্তিক রেসকিউ সংস্থা ও আশ্রয়কেন্দ্রেও পাগ ও পাগ-মিশ্রিত কুকুর পাওয়া যেতে পারে।
From the community
Ask about the পাগNo questions about the পাগ yet. Be the first to ask.
Browse Dog breeds










